Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

সোনালী ব্যাংক না.গঞ্জ শাখা : ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৩টি মামলা

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
সোনালী ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখার (সাবেক মহিলা শাখা) সাবেক ব্যবস্থাপকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে প্রায় ৬৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় দুদক ঢাকা-২-এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী মো. সিরাজ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।
পৃথক তিনটি মামলায় দুই ব্যাংক কর্মকর্তা ও তিন পোশাক কারখানার মালিককে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকের নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে ঋণ গ্রহণ করে পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনটি মামলাতেই সোনালী ব্যাংক ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখার (সাবেক মহিলা শাখা) সাবেক ব্যবস্থাপক আবদুস সামাদ ও সিনিয়র অফিসার সিরাজুল হককে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত তিন পোশাক কারখানার মালিক হলেন এএস নিটওয়্যারের মালিক সৈয়দ মহসিন উদ্দিন সোহেল, শহরের কিল্লারপুল এলাকার এসএস নিটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুলাল সাহা সঞ্জয় এবং স্কয়ার অ্যাটায়ার্সের পরিচালক রঞ্জন কুমার ধর।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের জানান, গতকাল সন্ধ্যায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, শহরের সিরাজদৌল্লাহ রোড এলাকার এএস নিটওয়্যার লিমিটেডের মালিক সৈয়দ মহসিন উদ্দিন সোহেল ২০০৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে শাখাটি থেকে ১৫ কোটি ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৯ টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করেননি। যা সুদে-আসলে ২২ কোটি ৬১ লাখ ৩৮ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে।
অপর মামলায় একই শাখা থেকে শহরের কিল্লারপুল এলাকার এসএস নিটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুলাল সাহা সঞ্জয় ২০০৪ সালের ২১ অক্টোবর ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৭ হাজার ৯৯৭ টাকা ঋণ গ্রহণ করে পরিশোধ করেননি। যা সুদে-আসলে ২৩ কোটি ২৮ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪৫ টাকা দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ২০০৪ সালের ১৫ জুন স্কয়ার অ্যাটায়ার্সের পরিচালক রঞ্জন কুমার ধর একইভাবে ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে ১০ কোটি ৩০ লাখ ৩৯ হাজার ৯০৯ টাকা ঋণ গ্রহণ করে। যা সুদে-আসলে ১৭ কোটি দুই লাখ ২৩ হাজার ৮৭২ টাকা দাঁড়িয়েছে।
মামলায় ব্যাংকের দুই কর্মকর্তার পরস্পরের যোগসাজশে আন্তর্জাতিক ঋণমঞ্জুরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে ঋণ গ্রহণ করে পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ দুই নং আইনের ৫(২) ধারায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়।