Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

গোলাম আযমের মামলা পুনর্বিচারের শুনানিতে ব্যারিস্টার রাজ্জাক : বিচারপতি নিজামুল হক জজ এবং প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেছেন

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম সংবিধান, বিচারপতিদের আচরণ বিধি, শপথ, আইনের মূলনীতি লঙ্ঘন করেছেন বলে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেছেন আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম একই সঙ্গে একজন জজ এবং প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেছেন। জজ যেখানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন সেখানে ন্যায়বিচার থাকে না।
ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বলেন, বিচারপতি নিজামুল হক রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী নির্বাচন, সাক্ষী কি বলবে তা নির্ধারণ, আসামিপক্ষের সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে তিনি আহমদ জিয়া উদ্দিনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এসবের মাধ্যমে তিনি পুরো বিচার প্রক্রিয়াকে কলুষিত করেছেন। বিচারকাজে তিনি সম্পূর্ণভাবে ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিনের নির্দেশ মোতাবেক পরিচালনা করেছেন। ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিন বিচারকাজে পুরোপুরি হস্তক্ষেপ করেছেন।
তিনি বলেন, ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর অধ্যাপক গোলাম আযমের মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করে তিনি আদেশ দিলেন। আর সাক্ষীর সংখ্যা কত হবে এসব বিষয় নিয়ে তিনি ৫ অক্টোবর ড. আহমেদ জিয়া উদ্দিনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সব কিছু তারা দুজনে কোর্টের বাইরে বসে আলোচনা করে ঠিকঠাক করে কোর্টে এসে তা মঞ্চস্থ করেছেন মাত্র। সাক্ষীর সংখ্যা সীমিত করে দিলে তা নিয়ে হৈচৈ হতে পারে এ বিষয়ে বিচারপতি নিজামুল হক স্কাইপ সংলাপে বলেছেন, আমি এ নিয়ে কেয়ার করি না। অধ্যাপক গোলাম আযমের পুনর্বিচার চেয়ে দায়ের করা আবেদনের শুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমকে তলবের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
সকালে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে অধ্যাপক গোলাম আযমের পুনর্বিচার চেয়ে দায়ের করা আবেদনের ওপর দ্বিতীয় দিনের মতো শুনানি হয়। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বলেন, বিচারপতি হক আহমেদ জিয়াউদ্দিনকে বলেছিলেন, গোলাম আযম আর সাঈদীর মামলায় কোনো মুলতবি দেয়া হবে না। কোনো সাক্ষী আনা হবে, কোনো সাক্ষী কী বলবেন তা নিয়ে বিচারপতি নিজামুল হক, আহমেদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম পরস্পরের সঙ্গে কথা বলেছেন। এসব কথোপকথনে এটা বেরিয়ে এসেছে যে, বিচারপতি হক একইসঙ্গে প্রসিকিউটরের দায়িত্বও পালন করেছেন। তারপরও এ মামলা রিট্রায়াল না হয়ে পারে। সাবেক সেনা প্রধান শফিউল্লাহকে কেন সাক্ষী হিসেবে আনা হয়নি তাও বুঝা যায় তাদের স্কাইপ সংলাপে। শফিউল্লাহ সাহেবকে প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম কন্ট্রোল করতে পারবেন না এ জন্যই তাকে আনা হয়নি। বিচারপতি, প্রসিকিউশনের মধ্যে যোগসূত্র হিসেবে কাজ করেছেন জিয়াউদ্দিন। তারা আলোচনা করেছেন গোলাম আযম, সাঈদী এবং কাদের মোল্লার মধ্যে কার রায় আগে হবে, কার রায় পরে হবে। গোলাম আযমের মামলায় সুলতানা কামালের সাক্ষ্যকে বলা হয়েছে ফার্স্ট ক্লাস। জিয়াউদ্দিনের লম্বা হাত এমনকি দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল পর্যন্ত পৌঁছেছে। ওই ট্রাইব্যুনাল নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। তিনি কার উপকার করলেন প্রসিকিউশনের, ট্রায়ালের না বিচারপতি হকের। তিনি পুরো বিচার প্রক্রিয়াকেই ধ্বংস করে দিয়েছেন।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, বিচারপতি মো. নিজামুল হক সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং ৯৪ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন। তিনি আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি অস্বীকার করেছেন। তিনি বিচারপতিদের জন্য প্রণীত আচরণবিধিও লঙ্ঘন করেছেন। এ বিচারে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ হস্তক্ষেপ করেছে। হজে যাওয়ার আগে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বিচারপতি মো. নিজামুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি এও বলেছেন, হজ থেকে ফিরে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল সদস্যদের বৈঠকের আয়োজন করবেন। এ সময় ট্রাইব্যুনাল ব্যারিস্টার রাজ্জাকের কাছে জানতে চান, মন্ত্রীদের সঙ্গে বিচারপতিদের দেখা হতে পারে না? জবাবে ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, মন্ত্রীদের সঙ্গে অবশ্যই বিচারপতিদের দেখা সাক্ষাত্ হতে পারে। তবে কখনোই তারা বিচারাধীন বিষয়ে কথা বলতে পারেন না। তিনি বলেন, আহমেদ জিয়াউদ্দিনের ডিকটেশন অনুযায়ী গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জে পরির্তন আনা হয়েছে। রাজাকার অর্ডিন্যান্সে পরিষ্কার বলা আছে, একমাত্র রাজাকার বাহিনীই সহযোগী বাহিনী। অথচ আহমেদ জিয়াউদ্দিনের ডিকটেশনে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনে জামায়াত, আলবদরকেও সহযোগী বাহিনীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরপর ট্রাইব্যুনাল ব্যারিস্টার রাজ্জাকের কাছে জানতে চান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে পুনর্বিচারের বিধান আছে কি-না? জবাবে ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, এ আইনের ৬(৬) ধারায় বলা আছে, নতুন সদস্য এলে নতুন করে শুনানি হবে না। এটা ঠিকই আছে। এ ট্রাইব্যুনালে এর আগে দুইজন সদস্য পরিবর্তন হয়েছে। আমরা তো তখন নতুন করে বিচার চাইনি। এবার যে পরিবর্তন হয়েছে তা সাধারণ কোনো পরিবর্তন নয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান কি অবস্থায় পরিবর্তন হয়েছে তা আপনাদের দেখতে হবে। বিচারপতি মো. নিজামুল হক কোনো সাধারণ কারণে পদত্যাগ করেননি। তিনি কি পরিস্থিতিতে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন তা আমাদের মনে রাখতে হবে। তিনি পুরো বিচার প্রক্রিয়াই ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন। ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, আইনের ৬(২) ধারায় বলা আছে, ট্রাইব্যুনাল স্বাধীন থাকবে এবং বিচার হতে হবে স্বচ্ছ। আমরা পুনর্বিচার চাচ্ছি না। আমরা তারও বেশি কিছু চাচ্ছি। আমরা স্বচ্ছ বিচার চাচ্ছি।
তিনি বলেন, আইনে পুনর্বিচারের বিধান না থাকলে রুলসের ৪৬ ধারায় ট্রাইব্যুনালকে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা দেয়া আছে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে ট্রাইব্যুনাল যে কোনো আদেশ দিতে পারে। ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, বিচারপতি নিজামুল হক বলেছেন, রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষীকে তিনি কোর্টে ধমকিয়ে বসিয়ে দিয়েছেন। কারণ সে যা বলছিল তা রাষ্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে যাচ্ছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের ট্রাইব্যুনালের একটি কাগজ সরবরাহ বিষয়ে বিচারপতি নিজামুল হক ড. আহমেদ জিয়া উদ্দিনকে বলেছেন, ওই মিয়া (জেয়াদ আল মালুম) আমাকে গোপনে বললেই তো হতো। আমি তাকে পাঠিয়ে দিতাম।
ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বলেন, একজন বিচারক কি এ কাজ করতে পারেন? তিনি শুধু সচেতনভাবে এসব করেননি বরং এসব নিয়ে তিনি আবার সচেতনভাবে আরেকজনের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন স্কাইপের মাধ্যমে। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক আরও কিছু স্কাইপ সংলাপ তুলে ধরে বলেন, কোনো কোর্টে কোনো কেস আগে এগিয়ে নিতে হবে, কোনটার রায় আগে দিতে হবে, কোনটার পরে দিতে হবে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি ড. আহমেদ জিয়া উদ্দিনের সঙ্গে। বিচারপতি নিজামুল হক বলেছেন, সবচেয়ে বেশি দায়বদ্ধতা গোলাম আযমের। সে টিম লিডার। তার কেস আগে নিতে হবে। সাঈদীর ক্ষেত্রে টিম লিডারের প্রশ্ন নাই। বড়গুলারে বাদ দিয়ে ছোটগুলারে আনার যুক্তি নেই। আমি মনে করি সবার আগে গোলাম আযম, তারপর সাঈদী, তারপর মোল্লা। আর তা না হলে সবার আগে সাঈদী। সেটা সবার আগে এগিয়ে আছে।
ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বলেন, দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল নিয়েও তারা অনেক আলোচনা করেছেন। আলোচনার একপর্যায়ে ড. জিয়া উদ্দিন বলেছেন, স্যারের (আইনমন্ত্রী) বাসায় দুই কোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে তিনি বৈঠকের ব্যবস্থা করবেন।
ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বলেন, গোলাম আযমের মামলায় আসামিপক্ষের সাক্ষীর তালিকা প্রদান বিষয়ে তিনি আসামিপক্ষকে সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি স্বাধীনভাবে সে সময় দেননি। তারও প্রমাণ রয়েছে সংলাপে। তিনি বলেছেন, সময় না দিলে গভর্নমেন্ট আবার কইত তখন তুমি টাইম দিতা। এ থেকে বোঝা যায় সরকার কি বলবে বা না বলবে সে দিক বিবেচনা করে প্রভাবিত হয়ে তিনি আমাদের সময় দিয়েছেন। স্বাধীনভাবে দেননি তিনি। পরে ব্যারিস্টার রাজ্জাক এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আদালতের দেয়া নজির উপস্থাপন করেন। গতকাল পুরো দুই সেশন শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। আজ এক ঘণ্টার মধ্যে তার শুনানি গ্রহণ শেষ করার জন্য কোর্ট অনুরোধ করেছেন তাকে। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে শুনানি গ্রহণের সময় সহায়তা করেন ব্যারিস্টার এমরান সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির প্রমুখ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম, মনজুর আহমেদ আনসারী, মতিউর রহমান আকন্দ প্রমুখ।
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শুনানি চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক গোলাম আযম : গতকাল শুনানি চলাকালে কাঠগড়ায় অবস্থানরত অধ্যাপক গোলাম আযম সাড়ে ১২টার দিকে হঠাত্ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। অল্প সময় পর আবার তার জ্ঞান ফিরে আসে। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর জন্য অ্যাম্বুলেন্স করে স্ট্রেচারে শুইয়ে তাকে দোতলা থেকে নিচে নামানো হয়।
বিচারপতি নিজামুলকে তলবের আবেদন সা. কাদের চৌধুরীর : বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমকে তলবের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। প্রথম ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের ‘স্কাইপ কথোপকথনের’ ভিত্তিতে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল অবমাননার অভিযোগ এবং প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুমকে অপসারণের আবেদন করার পর সম্পূরক হিসেবে এই আবেদন করলেন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। তার আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম গতকাল ট্রাইব্যুনাল রেজিস্ট্রারের কাছে আবেদনটি জমা দেন। আবেদনে বলা হয়, বিচারপতি নিজামুল হক ‘স্কাইপি কথপোকথনের’ বিষয়ে যে বক্তব্য দেবেন তা রেকর্ড করতে হবে। বেলজিয়ামে অবস্থানরত ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে স্কাইপের মাধ্যমে বিচারপতি নিজামুল হকের সেই কথোপকথন দৈনিক আমার দেশে প্রকাশ করা হয়। এরপর গত ১১ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল থেকে পদত্যাগ করেন বিচারপতি নিজামুল হক। গত ১৯ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুমের অপসারণ চেয়ে এবং ২৪ ডিসেম্বর আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে দু’টি আবেদন করেন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
এদিকে গতকাল জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ১১তম সাক্ষী ফরিদপুরের ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ (৮০) জবানবন্দি পেশ করেছেন। আজ তাকে জেরা করবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এ সময় উভয়পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
একই ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার পক্ষে দায়ের করা ৪টি আবেদনের মধ্যে যে তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন হয়েছে, সেই তদন্ত রিপোর্ট এর সার্টিফাইড কপি দেখার অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি তিনটি আবেদনের মধ্যে ৬ জন নতুন সাফাই সাক্ষী গ্রহণ, যে, কমপ্লাইন্ড রেজিস্ট্রারের আদেশ (যে আদেশের ভিত্তিতে মামলাটি চলছে) এবং পল্লবী থানা ও কেরানীগঞ্জের থানাতে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছিল সেই মামলা দুটির ‘এফ আই আর’ এর কপির আবেদনগুলো খারিজ করে ট্রাইব্যুনাল। পরে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মোহম্মদ আলী। আজ আবারও যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য আছে।