Amardesh
আজঃঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৩ পৌষ ১৪১৯, ১৩ সফর ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২ টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

জমে উঠেছে এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী

স্টাফ রিপোর্টার
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
৩৩টি দেশের শিল্পীর চিত্রকর্ম নিয়ে ঢাকার শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালায় আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী জমে উঠেছে। বিভিন্ন দেশের বৈচিত্র্যময় চিত্রকর্ম মুগ্ধ করছে দর্শকদের। এ প্রদর্শনীতে আছে বাংলাদেশের ১০০ শিল্পীর ১৩৮টি শিল্পকর্ম। আর বিদেশি ১১৮ জন শিল্পীর বিভিন্ন মাধ্যমের ৩৩৭টি শিল্পকর্ম আছে। এবারের প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া সিরীয় শিল্পী নিসরাইন বোখারির ‘বালাদি’, প্যালেস্টাইনি শিল্পী বাশার আল রৌবের ‘আউট অব দি ফ্রেম’, জাপানি শিল্পী উজিনোর ‘স্থাপনাশিল্প’, দক্ষিণ কোরিয়ার জাং ঝিউনের ‘উই রান টু দ্য প্যাটার্ন’ ইত্যাদি শিরোনামে চিত্রকর্মগুলো দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে বেশি। এছাড়া চীনা শিল্পী লিউ হংওয়ের ‘ডান্স উইথ মাস্টার্স টু মার্গারেট’ শিরোনামের চিত্রকর্মও দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।
‘১৫তম এশীয় দ্বিবার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী’ শিরোনামে মাসব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করছে শিল্পকলা একাডেমী। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ প্রদর্শনী চলবে। প্রথম থেকে চৌদ্দতম এ দ্বিবার্ষিক প্রদর্শনীর ভেন্যু ঢাকার ওসমানী মিলনায়তন ও জাতীয় জাদুঘরে হলেও এবারই প্রথমবারের মতো শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালায় এর আয়োজন হচ্ছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য খোলা থাকছে।
এবারের প্রদর্শনীতে বাংলাদেশসহ যে ৩৩টি দেশের শিল্পী অংশগ্রহণ করছে, সেসব দেশের মধ্যে আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, বাহরাইন, ভুটান, ব্রুনাই, চীন, পূর্ব তিমুর, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, ইরান, জর্ডান, কুয়েত, কাজাখস্তান, লেবানন, মালদ্বীপ, মঙ্গোলিয়া, মিয়ানমার, নেপাল, ওমান, প্যালেস্টাইন, ফিলিপাইন, কাতার, কোরিয়া, রাশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, সিরিয়া, থাইল্যান্ড উল্লেখযোগ্য।
এবারের প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবারের মতো সেরা শিল্পকর্মের জন্য পাচ্ছেন পুরস্কার। এবার গ্র্যান্ড প্রাইজ পাচ্ছেন প্যালেস্টাইনি শিল্পী বাশার আল রৌব, জাপানি শিল্পী মেইরো কোইজুমি আর বাংলাদেশের শিল্পী কাজী সালাউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া এবার সম্মানসূচক পুরস্কার পাচ্ছেন বাংলাদেশের জিহান করিম, সিরিয়ার নিসরিন বোখারি, নেপালের রাজন কাফলি, অস্ট্রেলিয়ার টড ফুলার, বাংলাদেশের ইয়াসমিন জাহান নুপুর এবং ইরানের সাদেগ টিরাফকান। প্রদর্শনীর চিত্রকর্ম থেকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করতে গঠিত হয় জুরি বোর্ড। এতে ছিলেন জার্মানির ড. ডরোথি ব্রিল, দক্ষিণ কোরিয়ার জিন সাং ইও, ইরানের আবদুল মজিদ হুসাইনি এবং বাংলাদেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী আর শিল্প সমালোচক মইনুদ্দীন খালেদ।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথম এ প্রদর্শনীতে সবচেয়ে বেশি দেশের শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। ১৯৮১ সালে আয়োজিত প্রথম প্রদর্শনীতে ১৪টি দেশের শিল্পী অংশ নেন। সব শেষ ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত চৌদ্দতম দ্বিবার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনীতে অংশ নেন ২৭টি দেশের শিল্পী।
ছায়ানটে পাশ্চাত্যের মার্গ সঙ্গীত : প্রতিষ্ঠানটি বরাবরই দর্শক-শ্রোতাদের জন্য রুচিশীল ও ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় আজ প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে আয়োজন হচ্ছে পাশ্চাত্যের মার্গ সঙ্গীত এবং জাপানের ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত পরিবেশনার অনুষ্ঠান। ছায়ানটের এ আয়োজনে জাপানের স্বনামধন্য বেহালাবাদক মিডোরি গোটো এবং তার সহশিল্পীরা অংশ নিচ্ছেন। আজ সন্ধ্যা সাতটায় রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট ভবন মিলনায়তনে তারা পরিবেশন করবেন পাশ্চাত্যের মার্গ সঙ্গীত এবং জাপানের ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত। মিউজিক শেয়ারিংয়ের উদ্যোগে তারা বাংলাদেশ সফরে আসছেন।
উল্লেখ্য, মিডোরি গোটো জাতিসংঘের শান্তিদূত হিসেবে নিয়োজিত আছেন।