খুলনা নরসিংদীতে জামায়াত শিবিরের অফিসে ছাত্রলীগের অগ্নিসংযোগ : যশোরে পুড়ে গেছে ২শ’ শিক্ষার্থীর ভর্তি ফরম, সারাদেশে আটক ৩৮

ডেস্ক রিপোর্ট « আগের সংবাদ
পরের সংবাদ» ২১ জুন ২০১৫, ২:৫৮ অপরাহ্ন

যশোর, খুলনা ও নরসিংদীতে জামায়াত-শিবিরের অফিসসহ বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করেছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই বিভিন্ন স্থানে গতকাল ও বৃহস্পতিবার রাতে এসব ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে নরসিংদীতে পুলিশের সামনে বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এস এম কাইয়ুমের নেতৃত্বে জেলা জামায়াত কার্যালয় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যশোরে শিবির পরিচালিত ফোকাস ও রাডার নামে দুটি কোচিং সেন্টারে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে ছাত্রলীগ। এ সময় রাডার কোচিং সেন্টারে থাকা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু প্রায় দু-শ’ শিক্ষার্থীর ভর্তি ফরম ও প্রবেশপত্র আগুনে পুড়ে গেছে। এছাড়া খুলনায় জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আরাফাত হোসেন পল্টুর মিছিল থেকে মহানগর জামায়াত অফিস এবং শিবির পরিচালিত ফোকাস ও মেডিকেল ভর্তি কোচিং রেটিনায় ভাংচুর এবং লুটপাট চালানো হয়েছে। মিছিল থেকে মহানগর জামায়াত অফিসে অগ্নিসংযোগও করা হয় এ সময়।
এদিকে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে পুলিশের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে গতকাল পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে আরও ৩৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিস্তারিত আমার দেশ-এর স্টাফ রিপোর্টার, স্থানীয় অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
খুলনায় দুটি কোচিং সেন্টারে হামলা ভাংচুর অগ্নিসংযোগ : খুলনার মহানগরীর খানজাহান আলী রোডে জামায়াতে ইসলামীর অফিস, সিটি কলেজ সংলগ্ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের অফিস এবং দুটি কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনা
ঘটেছে। গতকাল মাগরিবের আগে ছাত্রলীগ খুলনা জেলা শাখার একটি
বিক্ষোভ মিছিল থেকে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সামনেই ছাত্রলীগ ওই ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায় বলে জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, ছাত্রলীগ খুলনা জেলা শাখা গতকাল বিকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ এবং নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আরাফাত হোসেন পল্টু সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। মিছিলটি খানজাহান আলী রোডে পৌঁছলে শিবির অফিস, শিবির পরিচালিত রেটিনা কোচিং এবং আহসান আহমেদ রোডের ফোকাস কোচিংয়ে হামলা চালায়। এ সময় এসব অফিসের সাইনবোর্ড ও জানালার কাচ ভেঙে যায়। হামলাকারীরা জামায়াত অফিসের নিচে একটি চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। তাদের ইটের আঘাতে একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে ছাত্রলীগের মিছিলটি আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে বারবার হামলা হচ্ছে, অথচ এদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি একে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসে স্বৈরাচারী সরকারের নীল নকশা হিসেবে অভিহিত করেন।
খুলনা জেলা ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক তসলিম হোসাইন তাজ জানান, মিছিল চলাকালে কিছু উত্তেজিত ছাত্র এসব অফিসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এর সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয়।
যশোরে দুটি কোচিং সেন্টার ও এমপির ছেলের চেম্বারে হামলা, আটক ১২ : যশোর শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মোড়ে গতকাল দুপুরে ইসলামী ছাত্রশিবির পরিচালিত ফোকাস ও রাডার কোচিং সেন্টারে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। এ সময় হামলাকারীরা পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে তিনজনকে আহত করে। তাদের যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীরা রাডার কোচিং সেন্টারের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু ২০০ শিক্ষার্থীর ফরম ও প্রবেশপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রশিবিরের এমএম কলেজ শাখার ১২ কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১২টার দিকে ২০-২২ জন ছাত্রলীগ কর্মী রাডার কোচিং সেন্টরে যায়। তারা প্রথমে কোচিং সেন্টারটির পরিচালক হাফিজুর রহমানের কাছ থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে সেখানে থাকা টাকা বের করে নেয়। বাধা দিলে পরিচালক এমএম কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হাফিজুর রহমানকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করে। এরপর সেখানে তারা ভাংচুর চালায় ও কাগজপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার ব্রিগেডের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নেভায়।
পরে হামলাকারীরা পাশেই ফোকাস কোচিং সেন্টারে ঢুকে সেখানকার কম্পিউটার অপারেটর সরকারি এমএম কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র শাহাদত হোসেনকে ছুরি মারে। কোচিং সেন্টার দুটির পাশেই সদর আসনের সংসদ সদস্য খালেদুর রহমান টিটোর ছেলে আইনজীবী খালিদ হাসান জিউসের চেম্বার। হামলাকারীরা সেখানেও ভাংচুর করে এবং জিউসের সহকারী সুজিতকে পেটায়। আহত তিনজনকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রাডার কোচিং সেন্টারের পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, তাদের অফিসে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম ও প্রবেশপত্র ছিল। সেগুলো আগুনে পুড়ে গেছে। তাছাড়া অফিসে রাখা দুটি ল্যাপটপ ও নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা সন্ত্রাসীরা লুটপাট করে নিয়েছে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের শহর শাখার সভাপতি শফিকুল ইসলাম দাবি করেছেন, ছাত্রলীগের জেলা সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন বিপুলের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। শিবির এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে শিবির সভাপতি জানান।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ বলেছেন, শিবির কর্মীরা নিজেরাই এ হামলার ঘটনা ঘটিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
কোতোয়ালি থানার ওসি গোলাম রহমান বলেন, হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। হামলাকারী কাউকে আটক করা যায়নি। আইনজীবী খালিদ হাসান জিউসের চেম্বার ভাংচুর ও সহকারীকে মারপিটের ঘটনায় নিন্দা ও হামলাকারীদের আটকের দাবি জানিয়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল আলী।
সংসদ সদস্যের ছেলে অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান জিউস বলেছেন, পুলিশকে বলা হয়েছে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
১২ শিবির নেতাকর্মী আটক : এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ যশোর সরকারি এমএম কলেজ ছাত্রশিবিরের ১২ নেতাকর্মীকে আটক করেছে। শহরের খড়কি এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো—যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাজীপুরের আমজাদ হোসেনের ছেলে শাজাহান, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার রাজু আহম্মেদ ও বাহারুল, কেশবপুরের হাবিবুর রহমান, মনিরামপুরের নারায়ণপুর গ্রামের মেহেদী হাসান, সুমন, রুহুল আমিন, শার্শা উপজেলার পদ্মপুকুর গ্রামের রকিব উদ্দিন, ঝিনাইদহের ইমরান হোসেন, মহেশপুরের ইকরামুল হক এবং শার্শার আবদুল হালিম।
নরসিংদীতে জামায়াত কার্যালয়ে আগুন : নরসিংদী জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। অফিসে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ছাত্রলীগ শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত সোয়া দশটার দিকে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এসএম কাইয়ুমের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা জামায়াত-শিবিরবিরোধী ঝটিকা মিছিল বের করে। পরে শহরের ব্রাহ্মন্দী এলাকায় মিছিল থেকে জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় ব্যাপক ভাংচুর ও জামায়াত কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। এ সময় পুলিশকে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
সদর থানা জামায়াত আমির জামায়াত নেতা মাওলানা শামসুল ইসলাম এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়মী লীগ দেশে এ কেমন ধ্বংসের রাজনীতি চালু করল। কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ প্রহরায় একটি বৃহত্ রাজনৈতিক দলের অফিসে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আবার পুলিশ প্রটেকশনে মিছিল করতে করতে চলে যায়।
এদিকে এ ঘটনা সম্পর্কে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি এস এম কাইয়ুম জানান, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় রাজাকার-আলবদর এই জামায়াতের আর ঠাঁই নেই। যখন যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই তাদের ওপর আক্রমণ করা হবে।
পুলিশ প্রহরায় এ ন্যক্কারজনক ঘটনা কীভাবে ঘটল এ সম্পর্কে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
যাত্রাবাড়ীতে ৬ শিবির কর্মী গ্রেফতার : রাজধানীর যাত্রবাড়ী এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ৬ শিবির কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পপতিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, যাত্রাবাড়ীর নয়ানগর নর্দান ইউনিভার্সিটি নামের একটি কোচিং সেন্টারে রাত সোয়া ১০টায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার্থী। তাদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও পুলিশি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাজবাড়ীতে ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার : রাজবাড়ী ও পাংশা থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে জামায়াতের ৭ নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন, বানিবহ ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সেখ, একই এলাকার বশির উল্লাহ মিজি ও আবদুর রব খাঁ, ফরিদ উদ্দিন, সাত্তার মণ্ডল, এনামুল ও মজিবর রহমান।
সাভারে গ্রেফতার ৩ : সাভারে গতকাল ঢাকা জেলা উত্তরের আমীরসহ জামায়াতের দুই নেতা ও শিবিরের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-ঢাকা জেলা উত্তরের আমির অধ্যক্ষ আমির হোসাইন ও সাভার ইউনিয়ন শাখার নেতা কাউসার সিদ্দিকি। এ ছাড়া তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন শিবির নেতা রেদওয়ানুল্লাহ রেফাতকে হেমায়েতপুরের যাদুরচর থেকে গ্রেফতার করেছে।
গোবিন্দগঞ্জে পৌর জামায়াত সেক্রেটারি গ্রেফতার : গোবিন্দগঞ্জের থানা পুলিশ কোনো অভিযোগ ছাড়াই গোবিন্দগঞ্জ পৌর জামায়াতের সেক্রেটারিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীসহ সাধারণ জনগণ তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
নড়াইলে ৩ নেতাকর্মী আটক : নড়াইলে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির জাকির হোসেন, নড়াইল সদর উপজেলার ভাণ্ডারিপাড়ার জামায়াত কর্মী মুজিবর রহামান এবং ছাত্র শিবিরের নড়াইল সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের সভাপতি আবদুল ওয়াহাব।
মুন্সীগঞ্জে গ্রেফতার ৪ : মুন্সীগঞ্জ পৌর সভাধীন ইসলামবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রশিবিরের ৪ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হলেন সাইদুর রহমান, খাইরুল ইসলাম, জুলফিকার আলী ও রহমত উল্লাহ।
কোটালীপাড়ায় শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেফতার ২ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় শিবির সন্দেহে ছাত্রলীগ নেতাসহ দু’যুবককে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কোটালীপাড়া শেখ লুত্ফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রলীগ নেতা আক্তার দাড়িয়া ও জাতীয় পার্টি (এরশাদ) কোটালীপাড়া উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফায়েকুজ্জামান হাওলাদারের ভাতিজা রাছেল হাওলাদারকে শিবির সন্দেহে পুলিশ গ্রেফতার করে।

প্রথম পাতা এর আরও সংবাদ

সাপ্তাহিকী


উপরে