Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ২৪ নভেম্বর ২০১২, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪১৯, ৯ মহররম ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

স্বার্থান্বেষী মহলের অপকর্মের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর এত ব্যয়বহুল : চট্টগ্রাম চেম্বার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এম এ লতিফ ও চট্টগ্রাম চেম্বারের বর্তমান সভাপতি মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিমের বিরোধ দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে সম্প্রতি চেম্বারের প্রার্থিতা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। এ বিরোধের উত্তাপ গড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত।
বন্দরকে জিম্মি করে কোনো ব্যক্তিবিশেষের রাজনৈতিক অভিলাষ ও ইন্ধনকে নস্যাত্ করে বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চেম্বার সভাপতি মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম। গত বুধবার তিনি প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ বিবৃতি পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বার্থান্বেষী মহলের অপকর্মের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর অতীতে বহুবার অচল থাকার প্রেক্ষিতে অর্থনীতির অপূরণীয় ক্ষতিসহ দেশে-বিদেশে ব্যয়বহুল বন্দর হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বাধীন বর্তমান ব্যবসাবান্ধব সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও বন্দর প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও উত্পাদনশীলতা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে সন্তোষজনক। এতে বন্দর ব্যবহারকারীসহ সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে প্রশংসিত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহখ্যাত এ বন্দরের সুনাম বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়েছে। এম এ লতিফের দিকে ইঙ্গিত করে মুরাদ ইব্রাহিম আরও বলেন, কিন্তু কিছুদিন ধরে একজন রাজনীতিবিদ তার স্বার্থ হাসিলের জন্য বন্দরকে নিয়ে রাজনীতিতে মেতে উঠেছেন। বেতন কাঠামো নির্ধারণসহ শ্রমিকদের কল্যাণমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা সত্ত্বেও একজন রাজনীতিবিদ হঠাত্ করে শ্রমিকদের পারিশ্রমিক ২৫ ভাগ বৃদ্ধিসহ কিছু অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার কৌশল অবলম্বন করে আসছেন বিধায় বন্দরে অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অথচ শ্রমিকদের পারিশ্রমিক নির্ধারণের ব্যাপারে তার কোনো ভূমিকা বা বক্তব্য রাখার অবকাশ নেই।
বিবৃতিতে চেম্বার সভাপতি আরও বলেন, বন্দর শ্রমিকদের মজুরিসহ যে কোনো সমস্যা সমাধানে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সর্বদা সচেষ্ট বিধায় দীর্ঘদিন ধরে এ বন্দর নির্বিঘ্নে ব্যবহারকারীদের সেবা দিয়ে আসছে। শ্রমিকদের যে কোনো দাবি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণপূর্বক সুরাহা করবেন। এটি সবার প্রত্যাশা। এক্ষেত্রে অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের কোনরূপ হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই বলে চেম্বার সভাপতি মন্তব্য করেন।
তিনি পারিশ্রমিক যুগোপযোগী করে শ্রমিকদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকারের বিষয়টিও সুবিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তিনি আবেদন জানান।