Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ২৪ নভেম্বর ২০১২, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪১৯, ৯ মহররম ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ভোলা পাউবোর ২৩ কোটি টাকার দরপত্র ছিনতাই

ভোলা প্রতিনিধি
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
ভোলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর চার গ্রুপের প্রায় ২৩ কোটি টাকার টেন্ডার দাখিলে বাধা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে থেকে দরপত্র দাখিলের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ১২ কোটি টাকার দরপত্র ছিনতাই করা হয়। এ সময় ঢাকার এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে তুলে নিয়ে প্রায় ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। টেন্ডার দাখিলের সময় শেষ হওয়ার প্রায় ২ ঘণ্টা পর তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়াজ ট্রেডার্সের অভিযোগে জানা যায়, ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর অধীন শাহবাজপুর গ্যাস ফিল্ড রক্ষা প্রকল্পে পুনঃদরপত্র নম্বর ০৬/২০১১-১২ এর প্যাকেজ নং ইযড়ষধ ঝ১১-১৯ এবং ইযড়ষধ ঝ১১-২২ এর দরপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল গত বৃহস্পতিবার। নিয়াজ ট্রেডার্সের পক্ষে প্রতিনিধি রাসেল রহমান ১২ কোটি টাকার দরপত্র জমা দেয়ার জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এলে ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতাকর্মী তার কাছ থেকে দরপত্র শিডিউল ছিনতাই করে নিয়ে যায়। দরপত্র শিডিউলের সঙ্গে ওই ঠিকাদারের ২৬ লাখ টাকার (টঈই চঙ ঘঙ ২৭৭৭৩২৪, টঈই চঙ ঘঙ ২৭৭৭৩২৫) পেঅর্ডারও ছিনিয়ে নেয়। তাকে তুলে নিয়ে কালীবাড়ি রোডের একটি বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ ঘটনায় রাসেল পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ নীরব ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওইদিন ক্ষমতাসীন দলের নির্ধারিত ঠিকাদারের বাইরে যাতে কেউ দরপত্র জমা দিতে না পারে সেজন্য ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে ছিল বহু নেতাকর্মীর সশস্ত্র অবস্থান। এতে ভীতসন্তস্ত্র হয়ে সাধারণ ঠিকাদাররা টেন্ডারে অংশ নেননি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী তার অফিসে কোনো ঘটনা ঘটেনি উল্লেখ টেন্ডার প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হয়েছে বলে দাবি করেন। তবে তিনি অন্যান্য বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। পুলিশ সুপার ছুটিতে থাকায় রাসেল রহমানের আবেদনের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগেও এ কাজের দরপত্র দাখিলের দিন পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে আহত করা ও দরপত্র ছিনতাই করার অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা হয়। মামলার রায়ে ৩টি স্থানে দরপত্র দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।