Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ২৪ নভেম্বর ২০১২, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪১৯, ৯ মহররম ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

নেট নিয়ন্ত্রণ বিতর্কে যোগ দিল গুগল

ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
ইন্টারনেটের ভবিষ্যত্ নির্ধারণে জাতিসংঘের উদ্যোগে পরিকল্পিত আসন্ন বৈঠকের সমালোচনা করেছে গুগল। বিশ্বের সবচেয়ে বড় খোঁজ-সেবাদাতা এ প্রতিষ্ঠানের মতে, ইন্টারনেটের ভবিষ্যত্ নির্ধারণের জন্য এটা উপযুক্ত জায়গা নয়।
ইন্টারনেটের কারণে আমাদের জীবন এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে—এটা স্বীকার করতেই হবে। বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে এখন প্রায় বিনাখরচে তথ্য আদান-প্রদান করা যায় মুহূর্তের মধ্যে। ইন্টারনেটের কারণে এমনটা সম্ভব হয়েছে। মানুষের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারকেও নিশ্চিত করছে এ বৈশ্বিক অন্তর্জাল।
কিন্তু বিশ্বের কিছু দেশ এ মুক্ত ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে শিকল পরাতে চাইছেন। এসব দেশের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা দিয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অন ইন্টারন্যাশনাল টেলি-কমিউনিকেশনস’ বা ডব্লিউ সিআইটি। জাতিসংঘের উদ্যোগে আগামী ৩ থেকে ১৪ ডিসেম্বর দুবাইয়ে
অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ সম্মেলন—যেখানে মূলত বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগ নীতিমালা হালনাগাদের বিষয়ে আলোচনা হবে। ১৯৮৮ সালে প্রথম এ নীতিমালা চালু হয়েছিল। জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) এসব বিষয় দেখভাল করে।
গুগল মনে করে, ইন্টারনেটের ভবিষ্যত্ নির্ধারণে আইটিইউ সঠিক জায়গা নয়; কেননা বিভিন্ন দেশের সরকার সেখানে শুধু মতামত দিতে পারে এবং এসব সরকারের কেউ কেউ অবাধ ও স্বাধীন ইন্টারনেট সমর্থন করে না।
গুগলের আনুষ্ঠানিক ব্লগে প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানটির বিবৃতিতে শঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, বর্তমান নীতিমালার পরিবর্তনে সেন্সরশিপ বেড়ে যেতে পারে এবং উদ্ভাবনের পথ রুদ্ধ হতে পারে।
গুগলের মত হচ্ছে, সরকারগুলো এককভাবে ইন্টারনেটের ভবিষ্যত্ নির্ধারণ করতে পারে না। এক্ষেত্রে বিশ্বের কোটি কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ও যেসব বিশেষজ্ঞ এ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন এবং বাঁচিয়ে রেখেছেন, তাদের মতামতকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, রাশিয়া তার ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা আইটিইউ’র কাছে পেশ করার এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে মুখ খুলল গুগল। প্রযুক্তি বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বেল মেসন গ্রুপের বিশ্লেষক ল্যারি ডোনেন্স মনে করেন, রাশিয়া কার্যত ইন্টারনেটের ওপর জাতিসংঘের এজেন্সির নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর পক্ষে। একই সঙ্গে ইন্টারনেট ঠিকানা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আইক্যানের ক্ষমতা অনেক কমানোর পক্ষে রাশিয়া।
উল্লেখ্য, চীন, রাশিয়া, ইরানসহ বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেটের ওপর এখনও কড়া বিধিনিষেধ চালু রয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকার এ বিধিনিষেধ আরও বাড়াতে চায়। ভবিষ্যতে জাতিসংঘের পরিবর্তিত নীতিমালা এক্ষেত্রে আরও ভূমিকা রাখতে পারে, যা চায় না গুগলসহ বিভিন্ন ইন্টারনেটে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্টারনেট অ্যাক্টিভিস্টরা। সূত্র : ডিডব্লিউ