Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ২৪ নভেম্বর ২০১২, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪১৯, ৯ মহররম ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ইরাক ও কুর্দিস্তানের উত্তেজনা চরমে মুখোমুখি অবস্থানে সেনাবাহিনী

রয়টার্স, ইরনা
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
ইরাক ও স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। সীমান্তে ইরাকি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এবং পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে কুর্দিস্তান সরকারও সেনা মোতায়েন করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দু’পক্ষের কর্মকর্তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে এ বিষয়ে সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স খবর দিয়েছে। কুর্দি সরকারের প্রেসিডেন্ট মাসুদ বারজানি ইরাকের জাতীয় সংসদের স্পিকার উসামা আল-নুজাফির সঙ্গে সাক্ষাত্ করেছেন এবং আলোচনার দরজা খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সম্প্রতি কুর্দিস্তান সরকার তার নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্যকে কিরকুক অঞ্চলে পাঠায়। কিরকুক অঞ্চলকে কুর্দি সরকার ও ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার—দু’পক্ষই নিজের বলে দাবি করে থাকে। এর আগে ইরাকের নূরি আল-মালিকি সরকার দিলজা বাহিনীকে ওই অঞ্চলে মোতায়েন করে। কিরকুক, দিয়ালা ও সালাহউদ্দিন প্রদেশে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের জন্য নতুন এ বাহিনী গত জুন মাসে গঠন করা হয়েছে।
গত শুক্রবার কিরকুকে ইরাকি পুলিশ ও কুর্দি নিরাপত্তা বাহিনী পেশমার্গার মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন নিহত ও সাতজন আহত হয়। ইরাকি সংবিধান অনুযায়ী, একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার সেনাবাহিনী গঠন ও মোতায়েনের ক্ষমতা রাখে আর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের শাসকের পক্ষ থেকে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হলে জাতীয় সংসদের অনুমতি নেয়ার বিধান রয়েছে, কিন্তু মাসুদ বারজানি তা অনুসরণ করছেন না। এরই মধ্যে কিরকুক ও খানিকিন শহরের আশপাশে কুর্দি ও ইরাকি উভয় দেশের সৈন্যের সমাবেশ ঘটানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে এ কথা জানা গেছে। প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অব কুর্দিস্তান পার্টির (পিইউকে) মুখপাত্র বলেছেন, তাদের সেনাদের ইরাকি সেনাদের সঙ্গে সংঘাতে না জড়াতে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডারের মুখপাত্র বলেন, কুর্দি সেনারা তাদের উস্কানি দিচ্ছে। পরিস্থিতি শান্ত করার প্রাণপণ প্রয়াস সত্ত্বেও কুর্দি সেনাদের নিক্ষিপ্ত রকেট ও গোলা খানিকিন ও কিরকুকে এসে পড়েছে। এর আগেও ইরাকি ও কুর্দি সেনারা সংঘাতের একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে। তবে শেষ মুহূর্তে উভয়পক্ষ নিজ নিজ সেনা সরিয়ে নেয়। এর আগে আগস্টে এ ধরনের সংঘাতের ঝুঁকিপূর্ণ অচলাবস্থা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করে। উত্তেজনা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র আবারও নতুন করে ইরাকি ও কুর্দি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে। সদরি ব্লকের এক আইন প্রণেতা আলোচনাকে আন্তরিক নয় বলে উল্লেখ করে তা নাকচ করে দেন এবং এ ঘটনাকে লজ্জাজনক বলে বর্ণনা করেন। এই আইন প্রণেতা ইরাকি প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকির কঠোর সমালোচক।