Amardesh
আজঃঢাকা, শনিবার ২৪ নভেম্বর ২০১২, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪১৯, ৯ মহররম ১৪৩৪ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইন মাল্টিমিডিয়া টেকনোলজি

আনোয়ার হাবিব
« আগের সংবাদ
পরের সংবাদ»
বর্ণ, শব্দ এবং ছবি—এ তিনের সমন্বয়ে যে মাধ্যম তাকেই আমরা মাল্টিমিডিয়া বলে সংজ্ঞায়িত করতে পারি। আর কল্পিত কাহিনীর শৈল্পিক প্রকাশই হচ্ছে এনিমেশন। প্রযুক্তির উত্কর্ষ এনিমেশন নির্মাণকে করেছে সহজ। পাশপাশি নান্দনিকতা এবং বৈচিত্র্যও এনেছে। এই মাল্টিমিডিয়া ও এনিমেশন প্রযুক্তির সম্ভাবনা আকাশের মতোই অসীম। কোথায় নেই এর অবদান? সংবাদপত্রের পাতা থেকে রেডিও, টিভি, কম্পিউটার গেম, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, চলচ্চিত্র ও স্পেশাল এফেক্ট—সব জায়গায় আছে এর ব্যবহার। এই শাখাগুলোয় কাজ করেন হাজার হাজার মানুষ।
মাল্টিমিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্ম পরিবেশ অত্যন্ত চমত্কার এবং কাজের সুযোগও অনেক বেশি। এর মধ্যে আছে বিজ্ঞাপনী সংস্থা, পোস্ট প্রোডাকশন হাউস, টিভি চ্যানেল, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি, আর্কিটেকচারাল ভিজ্যুয়ালাইজেশন, ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন ফার্ম, এনিমেশন এবং কার্টুন ইন্ডাস্ট্রি, সিমুলেশন ইন্ডাস্ট্রি এবং সফটওয়্যার ফার্ম ইত্যাদি।
দেশে একসময় একটি বাংলা চ্যানেলই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু এখন ১৭টি বাংলা টিভি চ্যানেল থাকলেও এখানেই কি থেমে থাকবে। বিদেশি চ্যানেলের কথা না হয় বাদই দিলাম। কম্পিউটার সফটওয়্যার আউটসোর্সিংয়ের একটি বাজার এরই মধ্যে এদেশে তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে আমাদের সফট পণ্যের চাহিদাও প্রচুর। এর মানে দিন দিন প্রয়োজন হবে অনেক দক্ষ কর্মীর, যারা প্রযুক্তি শিক্ষার পাশাপাশি হবে সৃষ্টিশীল।
দেশে মাল্টিমিডিয়া বা এনিমেশনের মতো বিষয়গুলো সরাসরি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় গতানুগতিক কিছু বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া করতে হয়। ভবিষ্যতে এই সেক্টরে পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করতে হলে সৃষ্টিশীলতার পাশাপাশি প্রয়োজন হবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। ভারতে মাল্টিমিডিয়া এনিমেশন ও ক্রিয়েটিভ আর্টর্সের তিন বছরের একটি কোর্সে প্রায় ৯-১০ লাখ রুপি খরচ হয়। অথচ এখন মাত্র ৫-৬ লাখ টাকা খরচ করে ঘরে বসেই এ ডিগ্রি অর্জন করা সম্ভব। বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির অযুত সম্ভাবনা থাকলেও তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থা এখনও তেমন সুপ্রতিষ্ঠিত নয়। ডাটা এন্ট্রি সফটওয়্যার, কল সেন্টার, আইপি কলিং, মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি ও এনিমেশন ইত্যাদি প্রযুক্তি বাজারে মাইলফলক হলেও দক্ষ প্রফেশনালের অভাবে বাংলাদেশ এখনও সফল ব্যবসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পায়নি। দিন দিন তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্ববাজারে আসছে পরিবর্তন, উন্মোচিত হচ্ছে নিত্যনতুন সম্ভাবনাময় খাত।
আর এ বিষয়টিকে মাথায় রেখেই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ স্প্রিং সেমিস্টার-২০১২ থেকে মাল্টিমিডিয়া টেকনোলজি ও ক্রিয়েটিভ আর্টস বিষয়ে চার বছরমেয়াদি সর্বপ্রথম ও একমাত্র অনার্স কোর্স চালু করেছে।
মাল্টিমিডিয়া ভুবনের অসীম সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে দীর্ঘ দেড় বছর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, এনিমেশন ইন্ডাস্ট্রি, মাল্টিমিডিয়া, সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তি খাত ও সংবাদ মাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে চার বছরমেয়াদি ‘বিএসসি ইন মাল্টিমিডিয়া টেকনোলজি অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ আর্টস কোর্স’ প্রোগ্রাম শুরু করেছে। বিস্তারিত ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমন্ডি ও উত্তরা অফিসে জানা যাবে। ফোন : ০১৭১৩৪৯৩০৫০, ০১৭১৩৪৯৩২৫১