গালফ নিউজে কুলদিপ নায়ার : বাংলাদেশে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের নেতাদের ভারত থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে
ইলিয়াস হোসেন
ভারতের খ্যাতনামা সাংবাদিক কুলদিপ নায়ার গতকাল এক নিবন্ধে বলেছেন, বাংলাদেশের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের নায়কদের ভারত থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে।
গতরাতে মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় সংবাদপত্র গালফ নিউজে ‘বাংলাদেশ ক্যু বিড অর কন্সপিরেসি’ শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, ‘আমার কাছে তথ্য আছে এবারকার অভ্যুত্থানের নায়কেরা ভারতীয় গোষ্ঠীর সহযোগিতা পেয়েছেন। উলফার একাংশ এবং বৈরী নাগারা এতে (জড়িত) ছিল। ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছিল মনিপুরী বিদ্রোহীরাও।’
এরপর কুলদিপ নায়ার লিখেন, ‘আজব ব্যাপার হলো যেখানে বাংলাদেশ তার মাটিতে কোনো ভারতীয় শক্তিকে (বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে) অনুমতি দিচ্ছে না, সেখানে ভারত নিশ্চেষ্ট ও নিষ্ক্রিয়।’
কুলদিপ নায়ার লিখেছেন, ‘আরও বড় করে দেখলে এর দায় অবশ্যই দিল্লিকে নিতে হবে। দিল্লি ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। বাণিজ্য, বিদ্যুত্ এবং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ভারত যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা পূরণ করা হয়নি। শেখ হাসিনা ভালো সম্পর্ক রক্ষার জন্য একপক্ষীয়ভাবে অনেক কিছু করেছেন। এতে বাংলাদেশের অনেক লোকই ক্ষুব্ধ।’
নায়ার লিখেছেন, ‘মনমোহন সিংহ আসামের কিছু ভূমি (ছিটমহল) বাংলাদেশকে দিয়েছেন। এটার হকদারও বাংলাদেশ। মনমোহনের উচিত সংসদের আগামী অধিবেশনে সংবিধানে সংশোধনী এনে বাংলাদেশের মালিকানাধীন
এসব ভূমি হস্তান্তর করা। আসাম ও বিজেপির মতো ভারতের কিছু গোষ্ঠী এ হস্তান্তরের বিরোধিতা করলেও তাদের উপলব্ধি করা উচিত এসব ভূখণ্ড বাংলাদেশের মালিকানাধীন এবং গত ৪০ বছর ধরে অন্যায়ভাবে তা ভারতের দখলে ছিল।’
কুলদিপ নায়ার লিখেছেন, এটা নিশ্চিত যে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে এ ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাই ঢাকার শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের হুশিয়ার করে দেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার আগেও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা শেখ মুজিবের ওপর হামলার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিল।
গতরাতে মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় সংবাদপত্র গালফ নিউজে ‘বাংলাদেশ ক্যু বিড অর কন্সপিরেসি’ শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, ‘আমার কাছে তথ্য আছে এবারকার অভ্যুত্থানের নায়কেরা ভারতীয় গোষ্ঠীর সহযোগিতা পেয়েছেন। উলফার একাংশ এবং বৈরী নাগারা এতে (জড়িত) ছিল। ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছিল মনিপুরী বিদ্রোহীরাও।’
এরপর কুলদিপ নায়ার লিখেন, ‘আজব ব্যাপার হলো যেখানে বাংলাদেশ তার মাটিতে কোনো ভারতীয় শক্তিকে (বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে) অনুমতি দিচ্ছে না, সেখানে ভারত নিশ্চেষ্ট ও নিষ্ক্রিয়।’
কুলদিপ নায়ার লিখেছেন, ‘আরও বড় করে দেখলে এর দায় অবশ্যই দিল্লিকে নিতে হবে। দিল্লি ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। বাণিজ্য, বিদ্যুত্ এবং ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ভারত যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা পূরণ করা হয়নি। শেখ হাসিনা ভালো সম্পর্ক রক্ষার জন্য একপক্ষীয়ভাবে অনেক কিছু করেছেন। এতে বাংলাদেশের অনেক লোকই ক্ষুব্ধ।’
নায়ার লিখেছেন, ‘মনমোহন সিংহ আসামের কিছু ভূমি (ছিটমহল) বাংলাদেশকে দিয়েছেন। এটার হকদারও বাংলাদেশ। মনমোহনের উচিত সংসদের আগামী অধিবেশনে সংবিধানে সংশোধনী এনে বাংলাদেশের মালিকানাধীন
এসব ভূমি হস্তান্তর করা। আসাম ও বিজেপির মতো ভারতের কিছু গোষ্ঠী এ হস্তান্তরের বিরোধিতা করলেও তাদের উপলব্ধি করা উচিত এসব ভূখণ্ড বাংলাদেশের মালিকানাধীন এবং গত ৪০ বছর ধরে অন্যায়ভাবে তা ভারতের দখলে ছিল।’
কুলদিপ নায়ার লিখেছেন, এটা নিশ্চিত যে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে এ ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাই ঢাকার শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের হুশিয়ার করে দেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার আগেও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা শেখ মুজিবের ওপর হামলার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিল।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



