আদালতও এখন বিভক্ত হয়ে গেছে : ওবায়দুল কাদের
যশোর অফিস
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোথা থেকে কীভাবে টাকা আসবে, তা জানার দরকার নেই। আগামী দেড় বছরের মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হবে। মন্ত্রী শুক্রবার দুপুরে যশোর সার্কিট হাউসে মহাজোটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
পরে তিনি স্থানীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের
সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দু’ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। এমনকি কোর্টও এখন দুই ভাগে বিভক্ত। মানুষ বলে, ওমুক কোর্ট আওয়ামী লীগের, অমুক কোর্ট বিএনপির। ওই কোর্টে গেলে জামিন পাওয়া যাবে, ওই কোর্টে গেলে জামিন পাওয়া যাবে না।
সাগরদাঁড়িতে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত স্মরণে আয়োজিত মধুমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের জন্য গতকাল দুপুরে সড়কপথে ওবায়দুল কাদের যশোরে আসেন। মধুমেলায় যাওয়ার আগে দুপুরে সার্কিট হাউসে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী দেশের বেহাল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্বন্ধে বলেন, নতুন করে কোনো কিছু করার স্বপ্ন দেখছি না। ভাঙাচোরা রাস্তা আর সেতু মেরামত করে জনগণের দুর্ভোগ কমিয়ে যাতে একটু স্বস্তি আনা যায়, সেই কাজ করছি। তিনি বলেন, সাধ আছে অনেক, কিন্তু সাধ্য খুবই কম। আমি জনগণের সামনে এমন কোনো ওয়াদা করতে চাই না, যা এই স্বল্প সময়ে পূরণ অসম্ভব। চলমান প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করাই আমার প্রধান কাজ।
সড়কে দুর্ঘটনা আর যানজটের বিষয় উত্থাপন করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মহাসড়কে এখন চলাচল-নিষিদ্ধ নসিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইক আর রাস্তাজুড়ে নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকতে দেখা যায়। তিনি যশোরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে আগামী সাতদিনের মধ্যে মহাসড়ক থেকে অবৈধ যানবাহন, নির্মাণসামগ্রী, বিলবোর্ড ও অন্যান্য প্রচারসামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।
সার্কিট হাউসে উপস্থিত নেতাকর্মীদের দলীয় কোন্দল মিটিয়ে ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিবিশেষের পক্ষে স্লোগান নয়, সাধারণ মানুষের অন্তরে স্থান নেয়ার চেষ্টা করুন। তাতে আখেরে লাভ হবে। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ভয়াবহতা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, যশোর-খুলনা অঞ্চলে রাস্তার অনেক কাজ হচ্ছে। কিন্তু আপনারা যদি সেই রাস্তার ওপর অস্ত্র-লাঠিহাতে পরস্পরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে নামেন, তাহলে সব অর্জনই বিফলে যাবে।
মতবিনিময় সভায় যশোর সদর আসনের সংসদ সদস্য খালেদুর রহমান টিটো, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলী রেজা রাজু, সেক্রেটারি শাহীন চাকলাদার, ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এনামুল হক, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রবিউল আলম, জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমানসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি যশোর প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, যা দেখবেন তা-ই লিখবেন। সব রিপোর্ট যে সরকারের পক্ষেই যাবে, এমন কোনো কথা নেই। তিনি বলেন, জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিভক্ত হয়ে পড়ায় নীতি-নৈতিকতা বলে কিছু থাকছে না। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে প্রেস ক্লাব সভাপতি একরাম-উদ-দ্দৌলা, সম্পাদক আহসান কবীর বক্তৃতা করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়কালে মন্ত্রী প্রেস ক্লাব উন্নয়নে সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দেন। প্রেস ক্লাব থেকে মন্ত্রী রওনা হন অভয়নগরের প্রেমবাগের উদ্দেশে। সেখানে রাস্তার কাজ উদ্বোধন শেষে তিনি সাগরদাঁড়িতে মধুমেলায় যান।
পরে তিনি স্থানীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের
সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দু’ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। এমনকি কোর্টও এখন দুই ভাগে বিভক্ত। মানুষ বলে, ওমুক কোর্ট আওয়ামী লীগের, অমুক কোর্ট বিএনপির। ওই কোর্টে গেলে জামিন পাওয়া যাবে, ওই কোর্টে গেলে জামিন পাওয়া যাবে না।
সাগরদাঁড়িতে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত স্মরণে আয়োজিত মধুমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের জন্য গতকাল দুপুরে সড়কপথে ওবায়দুল কাদের যশোরে আসেন। মধুমেলায় যাওয়ার আগে দুপুরে সার্কিট হাউসে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী দেশের বেহাল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্বন্ধে বলেন, নতুন করে কোনো কিছু করার স্বপ্ন দেখছি না। ভাঙাচোরা রাস্তা আর সেতু মেরামত করে জনগণের দুর্ভোগ কমিয়ে যাতে একটু স্বস্তি আনা যায়, সেই কাজ করছি। তিনি বলেন, সাধ আছে অনেক, কিন্তু সাধ্য খুবই কম। আমি জনগণের সামনে এমন কোনো ওয়াদা করতে চাই না, যা এই স্বল্প সময়ে পূরণ অসম্ভব। চলমান প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করাই আমার প্রধান কাজ।
সড়কে দুর্ঘটনা আর যানজটের বিষয় উত্থাপন করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মহাসড়কে এখন চলাচল-নিষিদ্ধ নসিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইক আর রাস্তাজুড়ে নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকতে দেখা যায়। তিনি যশোরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে আগামী সাতদিনের মধ্যে মহাসড়ক থেকে অবৈধ যানবাহন, নির্মাণসামগ্রী, বিলবোর্ড ও অন্যান্য প্রচারসামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।
সার্কিট হাউসে উপস্থিত নেতাকর্মীদের দলীয় কোন্দল মিটিয়ে ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিবিশেষের পক্ষে স্লোগান নয়, সাধারণ মানুষের অন্তরে স্থান নেয়ার চেষ্টা করুন। তাতে আখেরে লাভ হবে। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ভয়াবহতা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, যশোর-খুলনা অঞ্চলে রাস্তার অনেক কাজ হচ্ছে। কিন্তু আপনারা যদি সেই রাস্তার ওপর অস্ত্র-লাঠিহাতে পরস্পরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে নামেন, তাহলে সব অর্জনই বিফলে যাবে।
মতবিনিময় সভায় যশোর সদর আসনের সংসদ সদস্য খালেদুর রহমান টিটো, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলী রেজা রাজু, সেক্রেটারি শাহীন চাকলাদার, ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এনামুল হক, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রবিউল আলম, জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমানসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি যশোর প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, যা দেখবেন তা-ই লিখবেন। সব রিপোর্ট যে সরকারের পক্ষেই যাবে, এমন কোনো কথা নেই। তিনি বলেন, জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিভক্ত হয়ে পড়ায় নীতি-নৈতিকতা বলে কিছু থাকছে না। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে প্রেস ক্লাব সভাপতি একরাম-উদ-দ্দৌলা, সম্পাদক আহসান কবীর বক্তৃতা করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়কালে মন্ত্রী প্রেস ক্লাব উন্নয়নে সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দেন। প্রেস ক্লাব থেকে মন্ত্রী রওনা হন অভয়নগরের প্রেমবাগের উদ্দেশে। সেখানে রাস্তার কাজ উদ্বোধন শেষে তিনি সাগরদাঁড়িতে মধুমেলায় যান।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



