ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানায় স্কুলছাত্রীকে গলাকেটে হত্যা : স্বর্ণালঙ্কারসহ ১০ লাখ টাকার মাল লুট
পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল ইউরিয়া সারকারখানায় আবাসিক এলাকার ই-২ ব্লকের তৃতীয় তলায় আদিবা (১৩) নামের এক স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কারসহ ১০ লক্ষাধিক টাকার মালা লুটে নিয়েছে ডাকাত দল। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আদিবা ইউরিয়া সারকারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল।
ওই এলাকার ই-২ ব্লকের তৃতীয় তলায় স্ত্রী ও মেয়ে আদিবাকে নিয়ে বাস করেন মো. আলমগীর হোসেন। ঘটনার সময় আলমগীর খানেপুর বাজারে তার ফার্মেসিতে ছিলেন। তার স্ত্রী রুটিন অনুযায়ী হাঁটাহাঁটি করতে বাসার বাইরে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাত দল এ সুযোগে আদিবাকে গলা কেটে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মাল লুটে নেয়। আদিবার মা বাসায় এসে মেয়ের এ অবস্থা থেকে চিত্কার করলে আশপাশের লোকজন ও পুলিশ ছুটে আসে।
এ বিষয়ে ওই এলাকার লোকজন জানান, ওই কারখানার আবাসিক এলাকায় প্রতিবছর ২-১ জন খুন হলেও কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা যায়নি। ফলে বের হচ্ছে না সেসব হত্যারহস্য। তবে এ সব খুনের সঙ্গে কারখানার ভেতরের একটি শক্তিশালী চক্র জড়িত থাকতে পারে ওই এলাকার বাসিন্দারের দাবি।
এ ব্যাপারে পলাশ থানার অফিসার ইনচার্জ
আতিকুর রহমান খান বলেন, এই কারখানার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দিষ্ট নিরাপত্তাকর্মী রয়েছে। তারাই এই কারখানার নিরাপত্তাটি দেখে থাকে। আর এই এলাকাটি সংরক্ষিত তার ফলে এখানে চাকরি সূত্রে, আত্মীয় সূত্রে বাইরে থেকে অনেক লোক বেড়াতে আসে আর একটি অপকর্ম করে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুস সালাম খান জানান, কারখানার নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তাকর্মী থাকার পরও এখানে বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সমাগম ঘটে। তাই সবাইকে শনাক্ত করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। এই ঘটনার সঙ্গে যদি কারখানার ভেতরের কোনো লোক জড়িত থাকে তাহলে প্রমাণ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এলাকাবাসী জানায়, এর আগে একই এলাকায় ইয়াছিন নামের এক যুবক ও মিনারা নামে অপর এক মহিলাকে হত্যা করা হলেও কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি। এ ব্যাপারে কারখানার সিবিএ’র সভাপতি সামসুল আলম মাস্টার জানান, এর ভেতরে যে খুনগুলো হচ্ছে তা প্রতিটি ভিন্ন রকম। তবে এর সঙ্গে পেশাদারি একটি খুনি চক্র কাজ করতে পারে বলে অনেকের সন্দেহ।
ওই এলাকার ই-২ ব্লকের তৃতীয় তলায় স্ত্রী ও মেয়ে আদিবাকে নিয়ে বাস করেন মো. আলমগীর হোসেন। ঘটনার সময় আলমগীর খানেপুর বাজারে তার ফার্মেসিতে ছিলেন। তার স্ত্রী রুটিন অনুযায়ী হাঁটাহাঁটি করতে বাসার বাইরে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাত দল এ সুযোগে আদিবাকে গলা কেটে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মাল লুটে নেয়। আদিবার মা বাসায় এসে মেয়ের এ অবস্থা থেকে চিত্কার করলে আশপাশের লোকজন ও পুলিশ ছুটে আসে।
এ বিষয়ে ওই এলাকার লোকজন জানান, ওই কারখানার আবাসিক এলাকায় প্রতিবছর ২-১ জন খুন হলেও কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা যায়নি। ফলে বের হচ্ছে না সেসব হত্যারহস্য। তবে এ সব খুনের সঙ্গে কারখানার ভেতরের একটি শক্তিশালী চক্র জড়িত থাকতে পারে ওই এলাকার বাসিন্দারের দাবি।
এ ব্যাপারে পলাশ থানার অফিসার ইনচার্জ
আতিকুর রহমান খান বলেন, এই কারখানার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দিষ্ট নিরাপত্তাকর্মী রয়েছে। তারাই এই কারখানার নিরাপত্তাটি দেখে থাকে। আর এই এলাকাটি সংরক্ষিত তার ফলে এখানে চাকরি সূত্রে, আত্মীয় সূত্রে বাইরে থেকে অনেক লোক বেড়াতে আসে আর একটি অপকর্ম করে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুস সালাম খান জানান, কারখানার নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তাকর্মী থাকার পরও এখানে বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সমাগম ঘটে। তাই সবাইকে শনাক্ত করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। এই ঘটনার সঙ্গে যদি কারখানার ভেতরের কোনো লোক জড়িত থাকে তাহলে প্রমাণ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এলাকাবাসী জানায়, এর আগে একই এলাকায় ইয়াছিন নামের এক যুবক ও মিনারা নামে অপর এক মহিলাকে হত্যা করা হলেও কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি। এ ব্যাপারে কারখানার সিবিএ’র সভাপতি সামসুল আলম মাস্টার জানান, এর ভেতরে যে খুনগুলো হচ্ছে তা প্রতিটি ভিন্ন রকম। তবে এর সঙ্গে পেশাদারি একটি খুনি চক্র কাজ করতে পারে বলে অনেকের সন্দেহ।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



