কানাডার ফেডারেল কোর্টের রায় : আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরও সংখ্যালঘু নিপীড়ন অব্যাহত আছে
ডেস্ক রিপোর্ট
২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরও বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন অব্যাহত আছে বলে রায় দিয়েছেন ফেডারেল কোর্ট অব কানাডা।
গতকাল এই রায়ে বিচারপতি মাইকেল এমজে শোর বলেন, ‘সংখ্যাগুরু এবং আওয়ামী লীগ সরকারের গণ্ডমূর্খদের হাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এখনও নিপীড়নের শিকার হন। পুলিশ এক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।’
চট্টগ্রামের বৌদ্ধমন্দিরের সাধারণ সম্পাদক রূপতনু বড়ুয়ার কানাডার মন্ট্রিলে আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) চেয়ে দায়ের করা এক মামলার রায়ে আদালত এই মন্তব্য করেন। আদালত রূপতনু বডুয়াকে সেদেশে থাকারও অনুমতি প্রদান করেন। গতকাল কানাডীয় দৈনিক ন্যাশনাল পোস্টে ‘লেট বুদ্ধিস্ট ম্যান রিমেইন ইন কানাডা, কোর্ট রুলস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আদালতের রায় প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রামে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় থাকার কারণে তিনি নিপীড়নের শিকার হন। এরপর তিনি মন্ট্রিলে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। বাংলাদেশে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
তিনি কানাডায় আশ্রয় প্রার্থনা করলে দেশটির ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি বোর্ড (আইআরবি)’ তার আবেদন নাকচ করে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চাইলে তিনি কানাডার ফেডারেল কোর্টে আপিল করেন। এই কোর্ট তার আবেদন মঞ্জুর করেন এবং তাকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়ায় আইআরবির কড়া সমালোচনা করেন।
কানাডার সুপ্রিমকোর্টের পরই ফেডারেল কোর্টের মর্যাদা। গতকাল আদালত তার রায়ে বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে অবস্থার সত্যকার উন্নতি হয়নি।
রায়ে বলা হয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগের কারণে দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি দিতে সরকার প্রায়ই ব্যর্থ হয়। বিশেষ করে এর জন্য দায়ী স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতি, ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।
বিচারপতি শোর তার রায়ে বলেন, এই মামলায় বোর্ডের সামনে উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন অব্যাহত রয়েছে। দেশে ফেরত যাওয়ার ব্যাপারে আবেদনকারীর ভীতসন্ত্রন্ত হওয়ার যথার্থ ও যুক্তসঙ্গত কারণ রয়েছে।
রূপতনু বড়ুয়াকে বাংলাদেশে পাঠাতে হলে নতুন একজন বিচারক দিয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়নেরও নির্দেশ দেন বিচারপতি শোর।
গতকাল এই রায়ে বিচারপতি মাইকেল এমজে শোর বলেন, ‘সংখ্যাগুরু এবং আওয়ামী লীগ সরকারের গণ্ডমূর্খদের হাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এখনও নিপীড়নের শিকার হন। পুলিশ এক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।’
চট্টগ্রামের বৌদ্ধমন্দিরের সাধারণ সম্পাদক রূপতনু বড়ুয়ার কানাডার মন্ট্রিলে আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) চেয়ে দায়ের করা এক মামলার রায়ে আদালত এই মন্তব্য করেন। আদালত রূপতনু বডুয়াকে সেদেশে থাকারও অনুমতি প্রদান করেন। গতকাল কানাডীয় দৈনিক ন্যাশনাল পোস্টে ‘লেট বুদ্ধিস্ট ম্যান রিমেইন ইন কানাডা, কোর্ট রুলস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আদালতের রায় প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রামে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় থাকার কারণে তিনি নিপীড়নের শিকার হন। এরপর তিনি মন্ট্রিলে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। বাংলাদেশে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
তিনি কানাডায় আশ্রয় প্রার্থনা করলে দেশটির ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি বোর্ড (আইআরবি)’ তার আবেদন নাকচ করে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চাইলে তিনি কানাডার ফেডারেল কোর্টে আপিল করেন। এই কোর্ট তার আবেদন মঞ্জুর করেন এবং তাকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়ায় আইআরবির কড়া সমালোচনা করেন।
কানাডার সুপ্রিমকোর্টের পরই ফেডারেল কোর্টের মর্যাদা। গতকাল আদালত তার রায়ে বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে অবস্থার সত্যকার উন্নতি হয়নি।
রায়ে বলা হয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগের কারণে দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি দিতে সরকার প্রায়ই ব্যর্থ হয়। বিশেষ করে এর জন্য দায়ী স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতি, ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ।
বিচারপতি শোর তার রায়ে বলেন, এই মামলায় বোর্ডের সামনে উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন অব্যাহত রয়েছে। দেশে ফেরত যাওয়ার ব্যাপারে আবেদনকারীর ভীতসন্ত্রন্ত হওয়ার যথার্থ ও যুক্তসঙ্গত কারণ রয়েছে।
রূপতনু বড়ুয়াকে বাংলাদেশে পাঠাতে হলে নতুন একজন বিচারক দিয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়নেরও নির্দেশ দেন বিচারপতি শোর।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



