অধ্যাপক গোলাম আযমের শারীরিক অবস্থার অবনতি
স্টাফ রিপোর্টার
কারাবন্দি অধ্যাপক গোলাম আযমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। বাথরুমে পড়ে গিয়ে হাঁটুর ওপর ভর করে উঠতে গিয়ে দুই হাঁটুতেই ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। চাহিদানুযায়ী তাকে খাবারও দিচ্ছেন না কারা কর্তৃপক্ষ। এমনকি তার স্বজনদেরও খাবার দিতে দিচ্ছেন না। অধ্যাপক গোলাম আযম অনেক শুকিয়ে গেছেন। গতকাল গোলাম আযমের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে তার ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আযমী সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।
গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী, গোলাম আযমের স্ত্রী আফিফা আযম (৮০) এবং বড় ছেলের এক মেয়ে অধ্যাপক গোলাম আযমের সঙ্গে দেখা করতে যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী অভিযোগ করে বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডেপুটি জেলার তাকে ফোন করে বলেন, ঠিক সাড়ে ৩টার দিকে প্রিজন সেলে উপস্থিত হতে। কিন্তু সেখানে সাড়ে ৩টায় উপস্থিত হলেও সাক্ষাত্ করতে দেয়া হয় ৫৫ মিনিট পর। এর আগ পর্যন্ত বৃদ্ধা মাকে নিয়ে তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। শুধু প্রিজন সেলেই হয়রানি নয়, বাবার সঙ্গে দেখা করতে আসার জন্য আবেদনপত্র জমা দিতেও তাকে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। জেলারদের কথায় এবং সময়ের সঙ্গে কোনো মিল নেই।
বিকাল ৪টা ৭ মিনিটে কারা কর্তৃপক্ষ কারারক্ষীকে দিয়ে দেখা করার অনুমতিপত্রটি দিয়ে প্রিজন সেলে পাঠান। ৪টা ২৫ মিনিটে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় অধ্যাপক গোলাম আযমের কাছে। সাক্ষাতের ৩০ মিনিট পর তারা ফিরে আসেন।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী সাংবাদিকদের জানান, বাবা অধ্যাপক গোলাম আযম অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তার জীবন নিয়ে আমরা শঙ্কিত। তিনি অনেক শুকিয়ে গেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে ভালো আচরণ করছেন না। গত বুধবার বিকালে গোলাম আযম বাথরুমে যান। কিন্তু তার দুর্বলতার কারণে তিনি বাথরুমের মেঝেতে বসে পড়েন। দাঁড়াতে পারছিলেন না। এক পর্যায়ে দুই পায়ের হাঁটুতে ভর করে কল ধরে ওঠার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাও পারলেন না। এরই মধ্যে তার দুই পায়ের হাঁটুতে ক্ষত হয়ে যায়। উপায়ান্তর না পেয়ে তিনি চিত্কার করে কারারক্ষীকে ডাকেন। পরে কারারক্ষীরা তাকে উদ্ধার করে বিছানায় নিয়ে যান। অধ্যাপক গোলাম আযম তার ছেলেকে জানিয়েছেন, বাথরুমের এই ঘটনাটি ছিল তার জীবনের এক কঠিন সময়।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, তার বাবার বয়স ৯০ বছর। অসুস্থ একজন মানুষ। নানা রোগে ভুগছেন তিনি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, একজন রোগীকে যেভাবে চিকিত্সা সেবা দেয়া হয় এবং যে রকম খাবার-দাবার দেয়া হয় তার বাবাকে তা দেয়া হচ্ছে না। গোলাম আযম যে সব খাবার খান কারা কর্তৃপক্ষ তার বিপরীত খাবার দেন। গোলাম আযম ছোট মাছ ছাড়া খাবার খেতে পারেন না। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ তাকে দেন বড় মাছ। খাবারের সঙ্গে মিষ্টি আচার খান। কিন্তু তাকে প্রথমে দেয়া হয়েছে টক আচার। এ কারণে তিনি ৩ বেলা পেট পুরে খেতে পারছেন না। বিগত ১৭ দিনে তার কয়েক কেজি ওজন কমে গেছে।
তিনি আরও বলেন, তার বাবাকে হাদিস, বঙ্গানুবাদ কুরআন শরীফও দেয়া হচ্ছে না। গতকালও কিছু হাদিস, বঙ্গানুবাদ কুরআন শরীফসহ কিছু কিতাব নিয়ে আসা হয়েছিল। অধ্যাপক গোলাম আযমের যে সব পরীক্ষা করানো হয়েছিল, সেই পরীক্ষার রিপোর্টগুলোও জানানো হয়নি। এছাড়া তার চোখ ও কানে সমস্যা রয়েছে। এসবও চিকিত্সককে দেখানো হয়েছে কিনা তাও তারা জানেন না। তার কোমরে ব্যথা রয়েছে। ফিজিও থেরাপি নিতে হয়। তাকে থেরাপি দেয়া হচ্ছে কিনা তিনি তা জানেন না।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, আইন কি সবার জন্য সমান নয়। আমার বাবা কি ভয়ঙ্কর অপরাধী, যে কারণে তার পুরো পরিবারের সঙ্গেই অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে?
গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী, গোলাম আযমের স্ত্রী আফিফা আযম (৮০) এবং বড় ছেলের এক মেয়ে অধ্যাপক গোলাম আযমের সঙ্গে দেখা করতে যান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী অভিযোগ করে বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডেপুটি জেলার তাকে ফোন করে বলেন, ঠিক সাড়ে ৩টার দিকে প্রিজন সেলে উপস্থিত হতে। কিন্তু সেখানে সাড়ে ৩টায় উপস্থিত হলেও সাক্ষাত্ করতে দেয়া হয় ৫৫ মিনিট পর। এর আগ পর্যন্ত বৃদ্ধা মাকে নিয়ে তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। শুধু প্রিজন সেলেই হয়রানি নয়, বাবার সঙ্গে দেখা করতে আসার জন্য আবেদনপত্র জমা দিতেও তাকে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। জেলারদের কথায় এবং সময়ের সঙ্গে কোনো মিল নেই।
বিকাল ৪টা ৭ মিনিটে কারা কর্তৃপক্ষ কারারক্ষীকে দিয়ে দেখা করার অনুমতিপত্রটি দিয়ে প্রিজন সেলে পাঠান। ৪টা ২৫ মিনিটে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় অধ্যাপক গোলাম আযমের কাছে। সাক্ষাতের ৩০ মিনিট পর তারা ফিরে আসেন।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী সাংবাদিকদের জানান, বাবা অধ্যাপক গোলাম আযম অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তার জীবন নিয়ে আমরা শঙ্কিত। তিনি অনেক শুকিয়ে গেছেন। কারা কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে ভালো আচরণ করছেন না। গত বুধবার বিকালে গোলাম আযম বাথরুমে যান। কিন্তু তার দুর্বলতার কারণে তিনি বাথরুমের মেঝেতে বসে পড়েন। দাঁড়াতে পারছিলেন না। এক পর্যায়ে দুই পায়ের হাঁটুতে ভর করে কল ধরে ওঠার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাও পারলেন না। এরই মধ্যে তার দুই পায়ের হাঁটুতে ক্ষত হয়ে যায়। উপায়ান্তর না পেয়ে তিনি চিত্কার করে কারারক্ষীকে ডাকেন। পরে কারারক্ষীরা তাকে উদ্ধার করে বিছানায় নিয়ে যান। অধ্যাপক গোলাম আযম তার ছেলেকে জানিয়েছেন, বাথরুমের এই ঘটনাটি ছিল তার জীবনের এক কঠিন সময়।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, তার বাবার বয়স ৯০ বছর। অসুস্থ একজন মানুষ। নানা রোগে ভুগছেন তিনি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, একজন রোগীকে যেভাবে চিকিত্সা সেবা দেয়া হয় এবং যে রকম খাবার-দাবার দেয়া হয় তার বাবাকে তা দেয়া হচ্ছে না। গোলাম আযম যে সব খাবার খান কারা কর্তৃপক্ষ তার বিপরীত খাবার দেন। গোলাম আযম ছোট মাছ ছাড়া খাবার খেতে পারেন না। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ তাকে দেন বড় মাছ। খাবারের সঙ্গে মিষ্টি আচার খান। কিন্তু তাকে প্রথমে দেয়া হয়েছে টক আচার। এ কারণে তিনি ৩ বেলা পেট পুরে খেতে পারছেন না। বিগত ১৭ দিনে তার কয়েক কেজি ওজন কমে গেছে।
তিনি আরও বলেন, তার বাবাকে হাদিস, বঙ্গানুবাদ কুরআন শরীফও দেয়া হচ্ছে না। গতকালও কিছু হাদিস, বঙ্গানুবাদ কুরআন শরীফসহ কিছু কিতাব নিয়ে আসা হয়েছিল। অধ্যাপক গোলাম আযমের যে সব পরীক্ষা করানো হয়েছিল, সেই পরীক্ষার রিপোর্টগুলোও জানানো হয়নি। এছাড়া তার চোখ ও কানে সমস্যা রয়েছে। এসবও চিকিত্সককে দেখানো হয়েছে কিনা তাও তারা জানেন না। তার কোমরে ব্যথা রয়েছে। ফিজিও থেরাপি নিতে হয়। তাকে থেরাপি দেয়া হচ্ছে কিনা তিনি তা জানেন না।
আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, আইন কি সবার জন্য সমান নয়। আমার বাবা কি ভয়ঙ্কর অপরাধী, যে কারণে তার পুরো পরিবারের সঙ্গেই অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে?
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



