মিরপুরে শাহ আলী মার্কেটে বোমা ফাটিয়ে সোনার দোকানে ডাকাতি
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর মিরপুরে শাহআলী শপিং কমপ্লেক্সে একটি জুয়েলারি দোকানে দিনে-দুপুরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। এ ঘটনায় ওই দোকানের দু’জন কর্মচারী আহত হয়েছে। গতকাল দুপুরে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো সুনীল ও কামাল হোসেন।
দারুসসালাম থানার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর এক নম্বরে শাহআলী শপিং কমপ্লেক্সের দোতলায় ইউরেকা জুয়েলার্সে ক্রেতাবেশে ৫/৬ জন যুবক ঢোকে। এ সময় তারা দোকানের ম্যানেজার কামাল হোসেনকে আংটি দেখানোর কথা বলে। কামাল হোসেন ছাড়াও সেখানে আরও দু’জন নারী ক্রেতা ছিলেন। আংটি দেখার একপর্যায়ে যুবকরা প্রথমে কামাল হোসেনকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। এরপর তাকে চাপাতি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে কামাল হোসেন তাদের দিকে বসার টুল ছুড়ে মারেন। এ সময় দুই নারী ক্রেতা বের হয়ে ডাকাত ডাকাত বলে চিত্কার করে।
এরপর যুবকরা মার্কেটের ভেতরে তিনটি বোমা ফাটায় এবং মার্কেট থেকে বের হয়ে আরও দুটি বোমা ফাটিয়ে চলে যায়। বোমার আঘাতে ইউরেকা জুয়েলার্সের ম্যানেজার কামাল ও পাশের দোকান বিক্রমপুর জুয়েলার্সের কর্মচারী সুনীল আহত হয়। এরপর শপিং কমপ্লেক্সের সব দোকান বন্ধ করে দেয় ক্ষুব্ধ মালিকরা।
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মফিজুল হক জানান, তিনি নিজ কার্যালয়ে দুপুরে খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ
সময় বোমার শব্দ ও ডাকাত ডাকাত চিত্কার শুনে এসে দেখেন আহত অবস্থায় একজন পড়ে আছে। এর পরে পুরো মার্কেট ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। পরে তিনি দোকানপাট বন্ধ করার ঘোষণা দেন। ইউরেকা জুয়েলার্সের কর্মকর্তা কামাল হোসেনের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, ওই যুবকরা দোকান থেকে কিছু সোনার গয়না নিয়ে গেছে। তবে কী পরিমাণ সোনা খোয়া গেছে, তা জানা যায়নি।
তবে দারুসসালাম থানার ওসি আবদুল মালেক ডাকাতির ঘটনা অস্বীকার করে জানান, শাহআলী মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন চলছিল। নির্বাচন চলাকালে দুপুর সোয়া ২টার দিকে মার্কেটের সামনে দু’টি এবং ভেতরে একটি পটকার বিস্ফোরণ ঘটে। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে কিনা তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এদিকে বিস্ফোরণের পরপরই ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। এ ঘটনার পর শাহআলী মার্কেটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দারুসসালাম থানার এসআই আবু সালাম মিয়া বলেন, এর সঙ্গে নির্বাচনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনে দুটি গ্রুপের মধ্যে কোনো একটি পক্ষ আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। সালাম জানান, বিস্ফোরণের পরপরই আশপাশের লোকজন ছুটাছুটি শুরু করে। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
দারুসসালাম থানার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর এক নম্বরে শাহআলী শপিং কমপ্লেক্সের দোতলায় ইউরেকা জুয়েলার্সে ক্রেতাবেশে ৫/৬ জন যুবক ঢোকে। এ সময় তারা দোকানের ম্যানেজার কামাল হোসেনকে আংটি দেখানোর কথা বলে। কামাল হোসেন ছাড়াও সেখানে আরও দু’জন নারী ক্রেতা ছিলেন। আংটি দেখার একপর্যায়ে যুবকরা প্রথমে কামাল হোসেনকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে। এরপর তাকে চাপাতি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে কামাল হোসেন তাদের দিকে বসার টুল ছুড়ে মারেন। এ সময় দুই নারী ক্রেতা বের হয়ে ডাকাত ডাকাত বলে চিত্কার করে।
এরপর যুবকরা মার্কেটের ভেতরে তিনটি বোমা ফাটায় এবং মার্কেট থেকে বের হয়ে আরও দুটি বোমা ফাটিয়ে চলে যায়। বোমার আঘাতে ইউরেকা জুয়েলার্সের ম্যানেজার কামাল ও পাশের দোকান বিক্রমপুর জুয়েলার্সের কর্মচারী সুনীল আহত হয়। এরপর শপিং কমপ্লেক্সের সব দোকান বন্ধ করে দেয় ক্ষুব্ধ মালিকরা।
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মফিজুল হক জানান, তিনি নিজ কার্যালয়ে দুপুরে খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ
সময় বোমার শব্দ ও ডাকাত ডাকাত চিত্কার শুনে এসে দেখেন আহত অবস্থায় একজন পড়ে আছে। এর পরে পুরো মার্কেট ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। পরে তিনি দোকানপাট বন্ধ করার ঘোষণা দেন। ইউরেকা জুয়েলার্সের কর্মকর্তা কামাল হোসেনের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, ওই যুবকরা দোকান থেকে কিছু সোনার গয়না নিয়ে গেছে। তবে কী পরিমাণ সোনা খোয়া গেছে, তা জানা যায়নি।
তবে দারুসসালাম থানার ওসি আবদুল মালেক ডাকাতির ঘটনা অস্বীকার করে জানান, শাহআলী মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন চলছিল। নির্বাচন চলাকালে দুপুর সোয়া ২টার দিকে মার্কেটের সামনে দু’টি এবং ভেতরে একটি পটকার বিস্ফোরণ ঘটে। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে কিনা তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এদিকে বিস্ফোরণের পরপরই ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। এ ঘটনার পর শাহআলী মার্কেটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দারুসসালাম থানার এসআই আবু সালাম মিয়া বলেন, এর সঙ্গে নির্বাচনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনে দুটি গ্রুপের মধ্যে কোনো একটি পক্ষ আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। সালাম জানান, বিস্ফোরণের পরপরই আশপাশের লোকজন ছুটাছুটি শুরু করে। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



