দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন ও সর্বগ্রাসী দুর্নীতি চলছে : রাজধানীতে সিপিবির বিশাল সমাবেশ
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মনজুরুল আহসান খান বলেছেন, দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন এবং সর্বগ্রাসী লুটপাট চলছে। ক্ষমতাসীনদের ক্ষুধার কোনো শেষ নেই। বিদ্যুত্ সঙ্কট সমাধানের কথা বলে ‘কুইক রেন্টাল’-এর নামে ‘কুইক’ পকেট ভরা হচ্ছে। গত তিন বছরে জনজীবনের সঙ্কট নিরসনে আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তিনি ক্রসফায়ার এবং গুম খুন বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, সব হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে। দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। তা না হলে সরকারের বিচার হবে গণআদালতে। জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই আদালত গড়ে উঠবে।
গতকাল বিকালে রাজধানীর মত্স্য ভবনের সামনের সড়কে সিপিবি আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি সঙ্কটের মৌলিক সমাধানের জন্য বাম, গণতান্ত্রিক এবং দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন সিপিবি সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। আরও বক্তব্য রাখেন প্রবীণ বাম নেতা জসিম উদ্দিন মণ্ডল, পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সহিদুল্লাহ চৌধুরী, হায়দার আকবর খান রনো, শামছুজ্জামান সেলিম, সাজ্জাদ জহির চন্দন, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব লাভলু, যুবনেতা কাফি রতন এবং ছাত্রনেতা ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল। সমাবেশ পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয়
নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স।
দীর্ঘ ১১ বছর পর ১১ দফা দাবিতে এ জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পার্টির কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক লাল পতাকা, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সমাবেশে যোগদান করেন। সমাবেশ শেষে লাল পতাকার মিছিল শাহবাগ-নিউমার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এর আগে ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে সিপিবি’র লাল পতাকার মহাসমাবেশ করেছিল।
সমাবেশে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, বর্তমান দুঃশাসন থেকে মানুষ মুক্তি চায়। মহাজোট সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে নেই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে ডলারের দাম বেড়েছে, টাকার দাম কমেছে। ব্যাংকে নগদ টাকা কমে গেছে। তারল্য সঙ্কট চলছে। ব্যাংক ঋণের বেশিরভাগ টাকা নিয়েছে সরকার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেছে। অর্থনীতিতে ভয়াবহ মন্দার পদধ্বনি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একটি বড় বিপদ আমাদের সমানে। কিন্তু বিপদকে স্বীকার না করে সরকার বলছে ‘সব ঠিক আছে’। বিপদের ‘লাল বাতিকে’ অস্বীকার করাটা আরও বড় বিপদের একটি বিষয়।
তিনি বলেন, পুঁজি বাজারে গভীর সঙ্কট চলছে। সূচক অর্ধেকে নেমে এসেছে। লুট করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। সরকার এ লুটেরাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো লুটপাটকারীদের শেয়ারবাজারের পরিচালক বানিয়ে লুটপাটের রাজত্ব বহাল রাখা হয়েছে।
হায়দার আকবর খান রনো বলেন, জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে যারা তেল গ্যাস বিদেশিদের হাতে তুলে দেয় সেই সরকার দেশপ্রেমিক হতে পারে না, বরং তারা দেশদ্রোহী।
গতকাল বিকালে রাজধানীর মত্স্য ভবনের সামনের সড়কে সিপিবি আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি সঙ্কটের মৌলিক সমাধানের জন্য বাম, গণতান্ত্রিক এবং দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন সিপিবি সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। আরও বক্তব্য রাখেন প্রবীণ বাম নেতা জসিম উদ্দিন মণ্ডল, পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সহিদুল্লাহ চৌধুরী, হায়দার আকবর খান রনো, শামছুজ্জামান সেলিম, সাজ্জাদ জহির চন্দন, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব লাভলু, যুবনেতা কাফি রতন এবং ছাত্রনেতা ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল। সমাবেশ পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয়
নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স।
দীর্ঘ ১১ বছর পর ১১ দফা দাবিতে এ জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পার্টির কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক লাল পতাকা, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সমাবেশে যোগদান করেন। সমাবেশ শেষে লাল পতাকার মিছিল শাহবাগ-নিউমার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এর আগে ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে সিপিবি’র লাল পতাকার মহাসমাবেশ করেছিল।
সমাবেশে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, বর্তমান দুঃশাসন থেকে মানুষ মুক্তি চায়। মহাজোট সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে নেই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে ডলারের দাম বেড়েছে, টাকার দাম কমেছে। ব্যাংকে নগদ টাকা কমে গেছে। তারল্য সঙ্কট চলছে। ব্যাংক ঋণের বেশিরভাগ টাকা নিয়েছে সরকার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেছে। অর্থনীতিতে ভয়াবহ মন্দার পদধ্বনি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একটি বড় বিপদ আমাদের সমানে। কিন্তু বিপদকে স্বীকার না করে সরকার বলছে ‘সব ঠিক আছে’। বিপদের ‘লাল বাতিকে’ অস্বীকার করাটা আরও বড় বিপদের একটি বিষয়।
তিনি বলেন, পুঁজি বাজারে গভীর সঙ্কট চলছে। সূচক অর্ধেকে নেমে এসেছে। লুট করা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। সরকার এ লুটেরাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো লুটপাটকারীদের শেয়ারবাজারের পরিচালক বানিয়ে লুটপাটের রাজত্ব বহাল রাখা হয়েছে।
হায়দার আকবর খান রনো বলেন, জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে যারা তেল গ্যাস বিদেশিদের হাতে তুলে দেয় সেই সরকার দেশপ্রেমিক হতে পারে না, বরং তারা দেশদ্রোহী।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



