হোয়াইটওয়াশের পথে ভারত
স্পোর্টস ডেস্ক
ধবল-ধোলাই অথবা হোয়াইটওয়াশ যেভাবেই বলুন না কেন, এর দ্বারপ্রান্তেই দাঁড়িয়ে আছে ভারত। আরেকটি সিরিজে হোয়াইটওয়াশের তিক্ত স্বাদ পাওয়া ভারতের এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। বিশ্বকাপ জয়ের পর পরই ইংল্যান্ড সফরে চার টেস্ট ম্যাচ সিরিজে ভারতের ধবল-ধোলাইয়ের দুঃস্মৃতির ক্ষত মুছতে না মুছতেই অস্ট্রেলিয়ায়ও আরেকটি স্মরণীয় ব্যর্থতার চিত্রনাট্য প্রদর্শন করতে যাচ্ছে ভারত। চার টেস্ট ম্যাচ সিরিজ ৪-০ ব্যবধানে জয়ের মুখে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগেই ৩-০ তে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ভারতকে হোয়াইটওয়াশ করার পথ মসৃণ করে রাখে অজিরা। সিরিজের শেষ টেস্টে অ্যাডিলেডে প্রথম দিন থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয় মাইকেল ক্লার্ক বাহিনী। এখন জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে তারা। অ্যাডিলেড টেস্টে জয়ের জন্য মাত্র ৪ উইকেট দূরে অস্ট্রেলিয়া। আর জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন এখন ৩৩৪ রান। চতুর্থ দিনশেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১৬৬ রান সংগ্রহ করে ভারত। ৫ উইকেটে ১৬৭ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। এতে জয়ের জন্য ভারতের টার্গেট দাঁড়ায় ৫০০ রান। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ৭ উইকেটে ৬০৪ রান সংগ্রহ করে।
অ্যাডিলেট টেস্টে জয়ের জন্য ভারতের ৩৩৪ রান প্রয়োজন হাতে আছে ৪ উইকেট। চতুর্থ দিনশেষে ভারতের হারের আভাসই পাওয়া যাচ্ছে। আলৌকিক কোনো ঘটনা না ঘটলে হোয়াইটওয়াশই হচ্ছে ভারত! প্রথম ইনিংসের মতো নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটিংলাইনআপ। অস্ট্রেলিয়ার বিশাল রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৪ রানেই ওপেনার গৌতম গম্ভীরকে হারায় (৩) ভারত। পরে বীরেন্দ্রর শেবাগ ও রাহুল দ্রাবিড় জুটি ভারতকে টেনে তোলার কিছুটা চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা ৬৬ রান যোগ করেন। দলীয় রান যখন ৮০ তখন উইকেট হারান শেবাগও। টেস্ট নয়, মনে হয় ওয়ানডে খেলতেই নেমেছিলেন শেবাগ। প্রায় ওয়ানডে স্টাইলে ৫৩ বলে ১২টি চারে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন ভারতীয় এ হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। পরে দলীয় ১০০ রানে আউট হন রাহুল দ্রাবিড়ও। হ্যারিসের বলে মাইক হাসির হাতে ক্যাচ উঠিয়ে দেন তিনি। ২টি চারে তার ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। আবারও ভক্তদের শত রানের আপেক্ষায় রেখে দ্রুত সাজঘরে ফিরলেন শচীন টেন্ডুলকার (১৩)। লিয়নের বলে শর্ট লেগে কাওয়ানের হাতে সহজ ক্যাচ দেন তিনি। পরে পঞ্চম উইকেট জুটিতে লক্ষ্মণ ও বিরাট কোহলি ৫২ রান যোগ করেন। লক্ষ্মণ ৪টি চারে ৩৫ রান সংগ্রহ করে লিয়নের বলে ক্যাচ উঠিয়ে দেন। আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান কোহলি (২২) রানআউটের ফাঁদে পড়েন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে লিয়ন তিন উইকেট পান। দুটি উইকেট নেন রায়ান হ্যারিস।
গতকাল অ্যাডিলেডে দিনের শুরুতেই ৩ উইকেটে ৫০ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। সূচনাটা খারাপ করেননি অজি দুই ব্যাটসম্যান রিকি পন্টিং ও মাইকেল ক্লার্ক। এদিন ৬১ রানের জুটি গড়েন তারা। দলীয় ১১১ রানে যাদবের বলে আউট হন ক্লার্ক (৩৭)। ক্লার্ক আউট হলেও অস্ট্রেলিয়ার লিডকে টেনে লম্বা করতে দ্বিতীয় ইনিংসেও দারুণ ব্যাটিং করেন পন্টিং। মাইক হাসিকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৩৬ রান যোগ করেন। হাসি আউট হওয়ার পরই ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। আগের ইনিংসের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান পন্টিং শেষ পর্যন্ত ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন।
অ্যাডিলেট টেস্টে জয়ের জন্য ভারতের ৩৩৪ রান প্রয়োজন হাতে আছে ৪ উইকেট। চতুর্থ দিনশেষে ভারতের হারের আভাসই পাওয়া যাচ্ছে। আলৌকিক কোনো ঘটনা না ঘটলে হোয়াইটওয়াশই হচ্ছে ভারত! প্রথম ইনিংসের মতো নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটিংলাইনআপ। অস্ট্রেলিয়ার বিশাল রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৪ রানেই ওপেনার গৌতম গম্ভীরকে হারায় (৩) ভারত। পরে বীরেন্দ্রর শেবাগ ও রাহুল দ্রাবিড় জুটি ভারতকে টেনে তোলার কিছুটা চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা ৬৬ রান যোগ করেন। দলীয় রান যখন ৮০ তখন উইকেট হারান শেবাগও। টেস্ট নয়, মনে হয় ওয়ানডে খেলতেই নেমেছিলেন শেবাগ। প্রায় ওয়ানডে স্টাইলে ৫৩ বলে ১২টি চারে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন ভারতীয় এ হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। পরে দলীয় ১০০ রানে আউট হন রাহুল দ্রাবিড়ও। হ্যারিসের বলে মাইক হাসির হাতে ক্যাচ উঠিয়ে দেন তিনি। ২টি চারে তার ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। আবারও ভক্তদের শত রানের আপেক্ষায় রেখে দ্রুত সাজঘরে ফিরলেন শচীন টেন্ডুলকার (১৩)। লিয়নের বলে শর্ট লেগে কাওয়ানের হাতে সহজ ক্যাচ দেন তিনি। পরে পঞ্চম উইকেট জুটিতে লক্ষ্মণ ও বিরাট কোহলি ৫২ রান যোগ করেন। লক্ষ্মণ ৪টি চারে ৩৫ রান সংগ্রহ করে লিয়নের বলে ক্যাচ উঠিয়ে দেন। আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান কোহলি (২২) রানআউটের ফাঁদে পড়েন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে লিয়ন তিন উইকেট পান। দুটি উইকেট নেন রায়ান হ্যারিস।
গতকাল অ্যাডিলেডে দিনের শুরুতেই ৩ উইকেটে ৫০ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। সূচনাটা খারাপ করেননি অজি দুই ব্যাটসম্যান রিকি পন্টিং ও মাইকেল ক্লার্ক। এদিন ৬১ রানের জুটি গড়েন তারা। দলীয় ১১১ রানে যাদবের বলে আউট হন ক্লার্ক (৩৭)। ক্লার্ক আউট হলেও অস্ট্রেলিয়ার লিডকে টেনে লম্বা করতে দ্বিতীয় ইনিংসেও দারুণ ব্যাটিং করেন পন্টিং। মাইক হাসিকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৩৬ রান যোগ করেন। হাসি আউট হওয়ার পরই ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। আগের ইনিংসের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান পন্টিং শেষ পর্যন্ত ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



