কেরানীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ ও দোহার রাস্তার বেহালদশা
রাকিব হোসেন
ভেঙেচুরে বেহালদশায় রূপ নিয়েছে কেরানীগঞ্জ-নবাবগঞ্জ ও দোহারের রাস্তাঘাট। প্রধান সড়কগুলোর মতো খানাখন্দক দৃশ্যমান তিনটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভেতর দিয়ে নির্মিত সংযোগ সড়ক। দীর্ঘদিনেও মেরামত না হওয়ায় সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো রাস্তার খানখন্দের পরিমাণ এতই বেশি যে, মাঝে মাঝে বর্ষাকালে পদ্মার ঢেউয়ের ভয়াবহতাকেও হা্র মানায়। রাস্তাগুলো মেরামতের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর। এর মধ্যে অর্ধেক গলিপথের রাস্তার অবস্থা করুণ। ৫ বছরের বেশি সময় ধরে রাস্তা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই সড়ক ও জনপথ বিভাগের। তিনটি উপজেলার রাস্তাগুলো ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৬৭ বর্গকিলোমিটার আয়তন কেরানীগঞ্জের। সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী সড়ক ও জনপথ বিভাগকে একাধিকবার লিখিত আবেদন করেও কোনো ফল পায়নি। এ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জের মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। জিনজিরা ফেরিঘাট থেকে রুহিতপুর বাজার পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পথ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সারা পথ খানাখন্দকে ভরা। বন্দ ছাটগাঁও, মনু বেপারীর ঢাল, কুশিয়ারবাগ, কালীন্দি, নেকরোজবাগ, মদিনানগর, ডায়মন্ড মেলামাইন, কোণাখোলা, রামেরকান্দা ও রুহিপুর পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাছাড়া কদমতলী গোলচত্বর থেকে জনী টাওয়ার পর্যন্ত রাস্তাটির চিত্র আরও করুণ। এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানরা সড়ক ও জনপথকে লিখিত আবেদন করলেও তাদের টনক নড়েনি। প্রায়ই এ পথে যানবাহন উল্টে প্রাণহানি ঘটছে। জিনজিরা থেকে রুহিতপুর বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি মেরামতের জন্য কারও মাথাব্যথা নেই। সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তারা বলছেন, জিনজিরা ফেরিঘাট থেকে রুহিতপুর বাজার পর্যন্ত আড়াই কোটি টাকার টেন্ডার দেয়া হয়েছে। অপরদিকে কদমতলী গোলচত্বর থেকে জনী টাওয়ার পর্যন্ত রাস্তার সংস্কারের জন্য ৬৫ লাখ টাকার আরও একটি টেন্ডার দেয়া হয়েছে। রুহিতপুর বাজার থেকে সোনাকান্দা হয়ে বেড়িবাঁধ রাস্তাটি ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ হয়েছে। দূরত্ব মাত্র ৬ কিলোমিটার। রাস্তাটি নিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগের শেষ নেই। তারা বলেন, রাস্তাটি কেরানীগঞ্জের ভেতর অবস্থিত। কিন্তু ওই রাস্তার তদারকি করে মুন্সীগঞ্জ জেলার সড়ক ও জনপথের প্রকৌশলীরা। তাই এ রাস্তাটি পড়েছে দোটানায়। ঢাকা জেলা ও মুন্সীগঞ্জ প্রকৌশলীরা কেউই নজর দিচ্ছে না এ রাস্তাটি সংস্কারের জন্য। বিএনপি সরকারের শাসনামলে রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও গত ৫ বছরে রাস্তাটি বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। এব্যাপারে ঢাকা সড়ক বিভাগে যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তারা বলছেন, বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু থেকে ঢাকা-মাওয়া সংযোগ সড়ক পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া কদমতলী গোল চত্বর থেকে জনী টাওয়ার পর্যন্ত ৩ কোটি টাকার কাজ দেয়া হয়েছিল এর আগে পূবালী কনস্ট্রাকশনকে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, তারা রাস্তার কাজ মোটামুটি করেছে। কিন্তু ড্রেনেজের কাজে অসততার আশ্রয় নিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নর্দমার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা জলাবদ্ধতায় রূপ নেয়। যে কারণে স্থানীয়রা ঠিকাদারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকদফা কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। তাছাড়া কদমতলী ও বন্দ ডাকপাড়া এলাকায় নর্দমার জন্য মাটি খুঁড়ে কাজ না করে চলে গেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের রাস্তাঘাটগুলোর দিকে সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের কোনো খেয়াল নেই। বারবার তাদের বলার পরও সড়ক সংস্কারের কাজগুলো করছে না। জনসাধারণের চলাচলের সমস্যা হচ্ছে। অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার মো. ফকরুজ্জামান বলেন, একাধিকবার সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। জিনজিরা ফেরিঘাট থেকে রুহিতপুর পর্যন্ত রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। শিগগিরই মেরামত না করলে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ভাঙা সড়ক ও জলাবদ্ধতার ব্যাপারে সড়ক ও জনপথের (বনানী, ঢাকা) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল আমার দেশ প্রতিনিধিকে বলেন, ভাঙাচোরা সড়কগুলোতে ইট, বালু, খোয়া দিয়ে সংস্কার করছি। তবে বছরখানেক সময় লাগবে রাস্তাগুলো সম্পূর্ণ ঠিক হতে। তিনি আরও বলেন, এর আগে ২/১টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার কাজ পেলেও তারা এখনও কাজে হাত দেয়নি। যে কারণে রাস্তার এ দশা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৬৭ বর্গকিলোমিটার আয়তন কেরানীগঞ্জের। সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী সড়ক ও জনপথ বিভাগকে একাধিকবার লিখিত আবেদন করেও কোনো ফল পায়নি। এ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জের মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। জিনজিরা ফেরিঘাট থেকে রুহিতপুর বাজার পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পথ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সারা পথ খানাখন্দকে ভরা। বন্দ ছাটগাঁও, মনু বেপারীর ঢাল, কুশিয়ারবাগ, কালীন্দি, নেকরোজবাগ, মদিনানগর, ডায়মন্ড মেলামাইন, কোণাখোলা, রামেরকান্দা ও রুহিপুর পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাছাড়া কদমতলী গোলচত্বর থেকে জনী টাওয়ার পর্যন্ত রাস্তাটির চিত্র আরও করুণ। এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানরা সড়ক ও জনপথকে লিখিত আবেদন করলেও তাদের টনক নড়েনি। প্রায়ই এ পথে যানবাহন উল্টে প্রাণহানি ঘটছে। জিনজিরা থেকে রুহিতপুর বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি মেরামতের জন্য কারও মাথাব্যথা নেই। সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তারা বলছেন, জিনজিরা ফেরিঘাট থেকে রুহিতপুর বাজার পর্যন্ত আড়াই কোটি টাকার টেন্ডার দেয়া হয়েছে। অপরদিকে কদমতলী গোলচত্বর থেকে জনী টাওয়ার পর্যন্ত রাস্তার সংস্কারের জন্য ৬৫ লাখ টাকার আরও একটি টেন্ডার দেয়া হয়েছে। রুহিতপুর বাজার থেকে সোনাকান্দা হয়ে বেড়িবাঁধ রাস্তাটি ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ হয়েছে। দূরত্ব মাত্র ৬ কিলোমিটার। রাস্তাটি নিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগের শেষ নেই। তারা বলেন, রাস্তাটি কেরানীগঞ্জের ভেতর অবস্থিত। কিন্তু ওই রাস্তার তদারকি করে মুন্সীগঞ্জ জেলার সড়ক ও জনপথের প্রকৌশলীরা। তাই এ রাস্তাটি পড়েছে দোটানায়। ঢাকা জেলা ও মুন্সীগঞ্জ প্রকৌশলীরা কেউই নজর দিচ্ছে না এ রাস্তাটি সংস্কারের জন্য। বিএনপি সরকারের শাসনামলে রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও গত ৫ বছরে রাস্তাটি বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। এব্যাপারে ঢাকা সড়ক বিভাগে যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তারা বলছেন, বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু থেকে ঢাকা-মাওয়া সংযোগ সড়ক পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া কদমতলী গোল চত্বর থেকে জনী টাওয়ার পর্যন্ত ৩ কোটি টাকার কাজ দেয়া হয়েছিল এর আগে পূবালী কনস্ট্রাকশনকে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, তারা রাস্তার কাজ মোটামুটি করেছে। কিন্তু ড্রেনেজের কাজে অসততার আশ্রয় নিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নর্দমার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা জলাবদ্ধতায় রূপ নেয়। যে কারণে স্থানীয়রা ঠিকাদারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকদফা কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। তাছাড়া কদমতলী ও বন্দ ডাকপাড়া এলাকায় নর্দমার জন্য মাটি খুঁড়ে কাজ না করে চলে গেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের রাস্তাঘাটগুলোর দিকে সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের কোনো খেয়াল নেই। বারবার তাদের বলার পরও সড়ক সংস্কারের কাজগুলো করছে না। জনসাধারণের চলাচলের সমস্যা হচ্ছে। অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাশার মো. ফকরুজ্জামান বলেন, একাধিকবার সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। জিনজিরা ফেরিঘাট থেকে রুহিতপুর পর্যন্ত রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। শিগগিরই মেরামত না করলে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। ভাঙা সড়ক ও জলাবদ্ধতার ব্যাপারে সড়ক ও জনপথের (বনানী, ঢাকা) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল আমার দেশ প্রতিনিধিকে বলেন, ভাঙাচোরা সড়কগুলোতে ইট, বালু, খোয়া দিয়ে সংস্কার করছি। তবে বছরখানেক সময় লাগবে রাস্তাগুলো সম্পূর্ণ ঠিক হতে। তিনি আরও বলেন, এর আগে ২/১টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তার কাজ পেলেও তারা এখনও কাজে হাত দেয়নি। যে কারণে রাস্তার এ দশা।
-
আমার ঢাকা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



