মাতামুহুরী রেঞ্জ থেকে অবৈধভাবে পাথর আহরণ চলছে
আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি
পাথর দস্যুতার শিকারে পরিণত হয়েছে লামা বন বিভাগের মাতামুহুরী রেঞ্জ। সব বিধি-বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ক্ষমতাসীন প্রভাবশালী ঠিকাদার-ব্যবসায়ী চক্র সরকারি সংরক্ষিত বনভূমি থেকে পাথর আহরণ করছে। এতে বন বিভাগ লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে বন বিভাগের কর্তাব্যক্তিরা কুম্ভকর্ণের ভূমিকায়। জানা গেছে, এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রিজার্ভ ফরেস্ট হচ্ছে লামা বন বিভাগের মাতামুহুরী রেঞ্জ। এই রিজার্ভে রয়েছে শত শত ঝিরি ও খাল। এসব ঝিরি ও খালে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হাজার হাজার ঘনফুট প্রাকৃতিক পাথরের ওপর ক্ষমতাসীন প্রভাবশালী মহলের শকুন দৃষ্টি পড়েছে এবার। সরেজমিন দেখা গেছে, মাতামুহুরী রিজার্ভের ধুমচি খাল থেকে বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়া রাস্তা তৈরি করে মাটি খুঁড়ে পাথর আহরণ করছে একটি প্রভাবশালী মহল। এ স্বার্থান্বেষী মহলটি তথ্য গোপন করে সরকারি রিজার্ভ ফরেস্টের পাহাড়ি খাল ও ঝিরি থেকে ‘খাস কালেকশানের নামে’ জেলা প্রশাসন থেকে পাথর আহরণের অনুমতি নিয়েছে বলে দাবি করছে। কিন্তু বন বিভাগ বলছে জেলা প্রশাসন এ অনুমতি দিতে পারে না। বন বিভাগ বিধিবদ্ধ আইন অনুযায়ী সরকারের আলাদা প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে মাতামুহুরী রিজার্ভের ধুমচি খাল থেকে অবৈধভাবে পাথর আহরণ করছে ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীরা। এক্ষেত্রে বন আইনকেও আমলে নিচ্ছে না শক্তিশালী এ চক্রটি। অবৈধভাবে পাথর আহরণ অব্যাহত থাকায় বন বিভাগ রাজস্ব আয় থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, আলীকদম উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যবহারের নামে কার্যত পাথর আহরণের নামে দস্যুতা চলছে। স্থানীয় সচেতন জনগণের অভিযোগ বন বিভাগ প্রথমে বাধা-নিষেধ করলেও বর্তমানে অজ্ঞাত কারণে নীরব। নির্বিচারের পাথর আহরণের কারণে পাহাড়ি ঝিরি ও খালগুলিতে পানির উত্স হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে পাহাড়ি এলাকার জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন ঝিরি ও খালের পানি ব্যবহার করতে পারছে না। মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা কুশ কুমার বৈদ্য জানান, বন বিভাগ কাউকে পাথর আহরণের অনুমতি দেয়নি। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল মাঝে-মধ্যে গোপনে পাথর আহরণের চেষ্টা করছে। তাদের জনবল সঙ্কট রয়েছে। তারপরও বন বিভাগ সাধ্যমত বাধা দিতে চেষ্টা করছে।
বর্তমানে মাতামুহুরী রিজার্ভের ধুমচি খাল থেকে অবৈধভাবে পাথর আহরণ করছে ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীরা। এক্ষেত্রে বন আইনকেও আমলে নিচ্ছে না শক্তিশালী এ চক্রটি। অবৈধভাবে পাথর আহরণ অব্যাহত থাকায় বন বিভাগ রাজস্ব আয় থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, আলীকদম উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যবহারের নামে কার্যত পাথর আহরণের নামে দস্যুতা চলছে। স্থানীয় সচেতন জনগণের অভিযোগ বন বিভাগ প্রথমে বাধা-নিষেধ করলেও বর্তমানে অজ্ঞাত কারণে নীরব। নির্বিচারের পাথর আহরণের কারণে পাহাড়ি ঝিরি ও খালগুলিতে পানির উত্স হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে পাহাড়ি এলাকার জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন ঝিরি ও খালের পানি ব্যবহার করতে পারছে না। মাতামুহুরী রেঞ্জ কর্মকর্তা কুশ কুমার বৈদ্য জানান, বন বিভাগ কাউকে পাথর আহরণের অনুমতি দেয়নি। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল মাঝে-মধ্যে গোপনে পাথর আহরণের চেষ্টা করছে। তাদের জনবল সঙ্কট রয়েছে। তারপরও বন বিভাগ সাধ্যমত বাধা দিতে চেষ্টা করছে।
-
আমার চট্টগ্রাম


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



