ভূমিদস্যুদের কব্জায় উখিয়ার সাড়ে ৩শ’ একর বনভূমি
উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়ার পাগলির বিল বনবিটের সাড়ে ৩শ’ একর বনভূমি ভূমিদস্যুদের কব্জায়।। সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কোটি টাকার সেগুন কাঠ কর্তন করে ওই সব বনভূমি জোরপূর্বক জবর-দখল করে নিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যু চক্র। এতে বনবিভাগের রহস্যজনক ভূমিকা সচেতন মহলে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জবর-দখলকারীদের উচ্ছেদ করে সরকারি বনভূমি উদ্ধারের দাবি জানিয়ে বন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করেছে এলাকাবাসী।
সরেজমিন দেখা গেছে, উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পাগলির বনবিটের আওতাধীন উত্তর বড়বিল এলাকার চিতলখোলা নামক স্থানের উত্তর পার্শ্বে বিশাল বনভূমির কোটি টাকার সেগুন, গামারি, গর্জন কাঠ সাবাড় করে সাড়ে ৩শ’ একর বনভূমি জবর-দখল করে নেন স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যু মকতুল হোছন ওরফে মতু। দখলকারী চক্র ওই জায়গা বর্তমানে প্লট আকারে ১০-১৫ লাখ টাকা করে বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করে আসছে। এছাড়া দখলকারী চক্র ওইসব জায়গায় আম, কাঁঠাল, কুলের বাগানসহ গরু, ছাগল ও মহিষের খামার স্থাপন করেছে।
স্থানীয় হতদরিদ্র জাফর আলম, কবির আহাম্মদ, নুর আহাম্মদ, সিরাজুল ইসলাম, মতিউর রহমান জানিয়েছেন—১৯৩৫ সালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কশিনার বনবিভাগের বনায়ন সৃজন করার জন্য ৩২৫ একর খাস জমি বরাদ্দ দেয়। সে সময়ে ওই জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বনায়ন করা হলে ভরপুর হয়ে যায় গাছগাছালিতে। যা দিন দিন ওই ভূমিগ্রাসীরা বনজসম্পদ উজাড় করে ফেলেছে।
রাজারকুল রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরকারি বনভূমি দখলের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই জায়গাগুলো পরিদর্শন করে দেখেছি এবং এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত আকারে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পাগলির বনবিটের আওতাধীন উত্তর বড়বিল এলাকার চিতলখোলা নামক স্থানের উত্তর পার্শ্বে বিশাল বনভূমির কোটি টাকার সেগুন, গামারি, গর্জন কাঠ সাবাড় করে সাড়ে ৩শ’ একর বনভূমি জবর-দখল করে নেন স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যু মকতুল হোছন ওরফে মতু। দখলকারী চক্র ওই জায়গা বর্তমানে প্লট আকারে ১০-১৫ লাখ টাকা করে বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করে আসছে। এছাড়া দখলকারী চক্র ওইসব জায়গায় আম, কাঁঠাল, কুলের বাগানসহ গরু, ছাগল ও মহিষের খামার স্থাপন করেছে।
স্থানীয় হতদরিদ্র জাফর আলম, কবির আহাম্মদ, নুর আহাম্মদ, সিরাজুল ইসলাম, মতিউর রহমান জানিয়েছেন—১৯৩৫ সালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কশিনার বনবিভাগের বনায়ন সৃজন করার জন্য ৩২৫ একর খাস জমি বরাদ্দ দেয়। সে সময়ে ওই জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বনায়ন করা হলে ভরপুর হয়ে যায় গাছগাছালিতে। যা দিন দিন ওই ভূমিগ্রাসীরা বনজসম্পদ উজাড় করে ফেলেছে।
রাজারকুল রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরকারি বনভূমি দখলের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই জায়গাগুলো পরিদর্শন করে দেখেছি এবং এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত আকারে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
-
আমার চট্টগ্রাম


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



