এসিসিএতে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার
আশাতরু দেবনাথ
বর্তমানে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ক্যারিয়ার সচেতন। মানসম্মত শিক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাছাই নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দুশ্চিন্তার শেষ নেই। পাশাপাশি গতানুগতিক শিক্ষার ধারাও পাল্টে যাচ্ছে। একটা সময় ছিল যখন মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দের ছিল মেডিকেল অথবা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চশিক্ষা নেয়া। পরবর্তী সময়ে মেধাবীরা ঝুঁকেছে বিবিএ ডিগ্রির দিকে। কিন্তু সেটিও এখন আর নেই, কারণ এসব ডিগ্রি নেয়ার পর গতানুগতিক চাকরির পেছনেই দৌড়াতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। মেধাবীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী সবার কাছেই এখন এমন ডিগ্রির গুরুত্ব রয়েছে, যেখানে ডিগ্রির পাশাপাশি চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আমাদের দেশেই এখন বিশ্বমানের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রদান করা হয়। বিশ্বমানের এই শিক্ষার মধ্যে এসিসিএ (অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেম্লট) ও সিএটি অন্যতম।
প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং কী? : আমাদের দেশে যেমন সিএ ডিগ্রি আছে, তেমনি যুক্তরাজ্য কর্তৃক প্রদত্ত ডিগ্রি এসিসিএ। এই এসিসিএ এমন একটি প্রফেশনাল ডিগ্রি, যেখানে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আন্ডার আইএএস, ম্যানেজমেন্ট ডিসিশন মেকিং, ফিন্যান্সিয়াল স্টাটেজিস এবং অর্গানাইজেশনাল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্টাটেজিস পড়ানো হয়। প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কোনো দেশে সমান গ্রহণযোগ্যতা ও অন্যদিকে এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউকে ডিগ্রি।
যাদের জন্য প্রযোজ্য : এসিসিএ একটি প্রফেশনাল কোর্স, তাই একজন শিক্ষার্থী এসএসসি, এইচএসসি এবং ও লেভেল শেষ করার এফআইএ/সিএটি কোর্স করতে পারবে এবং এ লেভেল/ডিগ্রি/অনার্স শেষ হলে এসিসিএ কোর্স করতে পারবেন। এসিসিএ’র অধীনে বিভিন্ন কোর্স পরিচালিত হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউনটেন্সি বা এফআইএ, সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান বা সিএটি এবং চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং বা এসিসিএ।
কেন এসিসিএ/সিআইএমএ পড়বেন? বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্ প্রফেশনাল বডি এসিসিএ ফিন্যান্স/একাউন্টিং প্রফেশনাল ডিগ্রি বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য। এসিসিএ/সিআইএমএ জাতিসংঘ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আইএমএফ কর্তৃক স্বীকৃত প্রফেশনাল শিক্ষা। বৈশ্বিক চাকরি বাজারে এসিসিএ/সিআইএমএ ডিগ্রিধারীদের রয়েছে বিপুল চাহিদা। ব্যাংকিং খাতে এসিসিএ/সিআইএমএ কোয়ালিফাইডদের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোতে এসিসিএ /সিআইএমএ ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার।
বাংলাদেশেই এখন বিশ্বমানের এসিসিএ/সিএটি এবং শিক্ষা পাওয়া সম্ভব। আমাদের দেশে যে ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসিসিএ পড়াচ্ছে, তাদের মধ্যে প্রতিশ্রুতিশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে থেমস্ প্রফেশনাল একাডেমী।
কলেজটির বৈশিষ্ট্য : মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা আর যুগোপযোগী কারিকুলামের জন্য অল্প সময়ের মধ্যেই থেমস্ প্রফেশনাল একাডেমী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্জন করে নিয়েছে আস্থা। যেসব বৈশিষ্ট্যের জন্য কলেজটি শিক্ষার্থীদের কাছে অনন্য তা হলো : দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী কর্তৃক কোর্স পরিচালনা করা হয়। যাদের রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্স পরিচালনার অভিজ্ঞতা। থেমসে একজন ছাত্রের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো ছাড়াও রয়েছে ছাত্রবৃত্তি এবং ইন্টার্নশিপ সুবিধা। সুপরিসর নিজস্ব ক্যাম্পাস। ওয়াই ফাই জোন সম্পৃক্ত কম্পিউটার ল্যাব। দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণীকক্ষ ও হোস্টেলের সুব্যবস্থা। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
আরও জানতে : ৭৫৪ সাত মসজিদ রোড (স্টার কাবাব বিল্ডিং), ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন # ৯১২১৫১৭, ০১৯৩৬৯০১৬০৫
প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং কী? : আমাদের দেশে যেমন সিএ ডিগ্রি আছে, তেমনি যুক্তরাজ্য কর্তৃক প্রদত্ত ডিগ্রি এসিসিএ। এই এসিসিএ এমন একটি প্রফেশনাল ডিগ্রি, যেখানে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আন্ডার আইএএস, ম্যানেজমেন্ট ডিসিশন মেকিং, ফিন্যান্সিয়াল স্টাটেজিস এবং অর্গানাইজেশনাল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্টাটেজিস পড়ানো হয়। প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কোনো দেশে সমান গ্রহণযোগ্যতা ও অন্যদিকে এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউকে ডিগ্রি।
যাদের জন্য প্রযোজ্য : এসিসিএ একটি প্রফেশনাল কোর্স, তাই একজন শিক্ষার্থী এসএসসি, এইচএসসি এবং ও লেভেল শেষ করার এফআইএ/সিএটি কোর্স করতে পারবে এবং এ লেভেল/ডিগ্রি/অনার্স শেষ হলে এসিসিএ কোর্স করতে পারবেন। এসিসিএ’র অধীনে বিভিন্ন কোর্স পরিচালিত হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউনটেন্সি বা এফআইএ, সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান বা সিএটি এবং চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং বা এসিসিএ।
কেন এসিসিএ/সিআইএমএ পড়বেন? বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্ প্রফেশনাল বডি এসিসিএ ফিন্যান্স/একাউন্টিং প্রফেশনাল ডিগ্রি বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য। এসিসিএ/সিআইএমএ জাতিসংঘ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আইএমএফ কর্তৃক স্বীকৃত প্রফেশনাল শিক্ষা। বৈশ্বিক চাকরি বাজারে এসিসিএ/সিআইএমএ ডিগ্রিধারীদের রয়েছে বিপুল চাহিদা। ব্যাংকিং খাতে এসিসিএ/সিআইএমএ কোয়ালিফাইডদের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোতে এসিসিএ /সিআইএমএ ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার।
বাংলাদেশেই এখন বিশ্বমানের এসিসিএ/সিএটি এবং শিক্ষা পাওয়া সম্ভব। আমাদের দেশে যে ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এসিসিএ পড়াচ্ছে, তাদের মধ্যে প্রতিশ্রুতিশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে থেমস্ প্রফেশনাল একাডেমী।
কলেজটির বৈশিষ্ট্য : মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা আর যুগোপযোগী কারিকুলামের জন্য অল্প সময়ের মধ্যেই থেমস্ প্রফেশনাল একাডেমী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্জন করে নিয়েছে আস্থা। যেসব বৈশিষ্ট্যের জন্য কলেজটি শিক্ষার্থীদের কাছে অনন্য তা হলো : দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী কর্তৃক কোর্স পরিচালনা করা হয়। যাদের রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্স পরিচালনার অভিজ্ঞতা। থেমসে একজন ছাত্রের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো ছাড়াও রয়েছে ছাত্রবৃত্তি এবং ইন্টার্নশিপ সুবিধা। সুপরিসর নিজস্ব ক্যাম্পাস। ওয়াই ফাই জোন সম্পৃক্ত কম্পিউটার ল্যাব। দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণীকক্ষ ও হোস্টেলের সুব্যবস্থা। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
আরও জানতে : ৭৫৪ সাত মসজিদ রোড (স্টার কাবাব বিল্ডিং), ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন # ৯১২১৫১৭, ০১৯৩৬৯০১৬০৫
-
ক্যাম্পাস


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



