সর্ববৃহত্ যাত্রীবাহী লঞ্চ : বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে আসছে কীর্তনখোলা-২
জি.এম বাবর আলী, বরিশাল
বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ যাত্রীবাহী নৌযান এমভি কীর্তনখোলা-২ নামের লঞ্চটির নির্মাণ কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। বাংলা নববর্ষের দিন পরীক্ষামূলকভাবে নদীতে নামানো হবে লঞ্চটি। যা জুন থেকে নিয়মিত বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে যাত্রী পরিবহনে চলাচল করবে। অত্যাধুনিক ও সর্ববৃহত্ এ লঞ্চটি ঢাকা ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বাগেরহাট শিপবিল্ডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছে। বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে বর্তমানে ১০/১২টি যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করে। এর মধ্যে সুন্দরবন-৭ ও ৮ এবং সুরভী-৭ ও ৮ অত্যাধুনিক লঞ্চ হিসেবে পরিচিত। আর চলাচলরত লঞ্চগুলোর মধ্যে সুন্দরবন-৭ এখনও পর্যন্ত দেশের সর্ববৃহত্ যাত্রীবাহী নৌযান। এ লঞ্চটি লম্বায় ২৮৮ ফুট এবং প্রস্থে ৪৭ ফুট আকারের। লঞ্চটিতে প্রথম শ্রেণীর ৪৮টি ডাবল, ৪৭টি সিঙ্গেল, ২টি শৌখিন ও ৪টি ভিআইপি কেবিনের পাশাপাশি ৬৫টি সোফা রয়েছে। তৃতীয় শ্রেণীতে ৯ শতাধিক যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া যাত্রীসেবায় রয়েছে নামাজের ঘর, ওষুধের দোকান, অত্যাধুনিক হেয়ার কাটিং সেলুন ও উন্নতমানের ক্যান্টিন।
নির্মাণাধীন কীর্তনখোলা-২ লঞ্চটি দৈর্ঘ্যে ৩২৫ ফুট ও প্রস্থে ৫০ ফুট। এ লঞ্চে প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য ৮৫টি ডাবল ও ৫০টি সিঙ্গেল কেবিনের পাশাপাশি অর্ধশত সোফার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য লঞ্চে সাধারণত ৪টি ভিআইপি কেবিন থাকলেও এ লঞ্চটিতে ১০টি ভিআইপি ও একটি ভিভিআইপি কেবিন রয়েছে। তৃতীয় শ্রেণীর ১১শ’ যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন লঞ্চটিতে নামাজের স্থান, খাবার ঘর ও পর্যাপ্ত টয়লেট ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীসেবায় প্রতি কেবিনে রঙিন টেলিভিশনের পাশাপাশি সোফা ও তৃতীয় শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য বড় পর্দার টিভি ছাড়াও অত্যাধুনিক সাউন্ড সিস্টেম ব্যবস্থা রয়েছে।
এমভি কীর্তনখোলা-২ নামের এ লঞ্চটির মালিক মঞ্জুরুল আহসান ফেরদাউস জানান, বাংলাদেশে এ লঞ্চটিতেই সর্বপ্রথম চালু করা হচ্ছে ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এছাড়া স্বয়ংক্রিয় চলতি সিঁড়ি এবং ২ পার্টের তলদেশ রয়েছে। ফলে দুর্ঘটনায় তলদেশ ফেটে লঞ্চডুবির আশঙ্কা নেই। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানির ডিজাইনে এ লঞ্চটি নির্মাণ করছে বাগেরহাট শিপবিল্ডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বরিশাল নগরীর বেলতলা এলাকায় কীর্তনখোলা নদীর তীরে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে লঞ্চটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। যা এখন শেষপর্যায়ে। ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের দিন লঞ্চটি পরীক্ষামূলকভাবে নদীতে নামানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। জুন মাস থেকে বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে যাত্রী পরিবহনে নিয়মিত চলাচল করবে লঞ্চটি। ফেরদাউস আরও জানান, লঞ্চটি নির্মাণে প্রাথমিকভাবে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প থাকলেও সবমিলিয়ে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। আর ব্যয়কৃত অর্থের মধ্যে ঢাকা ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার ঋণ নেয়া হয়েছে।
নির্মাণাধীন কীর্তনখোলা-২ লঞ্চটি দৈর্ঘ্যে ৩২৫ ফুট ও প্রস্থে ৫০ ফুট। এ লঞ্চে প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য ৮৫টি ডাবল ও ৫০টি সিঙ্গেল কেবিনের পাশাপাশি অর্ধশত সোফার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য লঞ্চে সাধারণত ৪টি ভিআইপি কেবিন থাকলেও এ লঞ্চটিতে ১০টি ভিআইপি ও একটি ভিভিআইপি কেবিন রয়েছে। তৃতীয় শ্রেণীর ১১শ’ যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন লঞ্চটিতে নামাজের স্থান, খাবার ঘর ও পর্যাপ্ত টয়লেট ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীসেবায় প্রতি কেবিনে রঙিন টেলিভিশনের পাশাপাশি সোফা ও তৃতীয় শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য বড় পর্দার টিভি ছাড়াও অত্যাধুনিক সাউন্ড সিস্টেম ব্যবস্থা রয়েছে।
এমভি কীর্তনখোলা-২ নামের এ লঞ্চটির মালিক মঞ্জুরুল আহসান ফেরদাউস জানান, বাংলাদেশে এ লঞ্চটিতেই সর্বপ্রথম চালু করা হচ্ছে ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এছাড়া স্বয়ংক্রিয় চলতি সিঁড়ি এবং ২ পার্টের তলদেশ রয়েছে। ফলে দুর্ঘটনায় তলদেশ ফেটে লঞ্চডুবির আশঙ্কা নেই। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানির ডিজাইনে এ লঞ্চটি নির্মাণ করছে বাগেরহাট শিপবিল্ডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বরিশাল নগরীর বেলতলা এলাকায় কীর্তনখোলা নদীর তীরে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে লঞ্চটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। যা এখন শেষপর্যায়ে। ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের দিন লঞ্চটি পরীক্ষামূলকভাবে নদীতে নামানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। জুন মাস থেকে বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে যাত্রী পরিবহনে নিয়মিত চলাচল করবে লঞ্চটি। ফেরদাউস আরও জানান, লঞ্চটি নির্মাণে প্রাথমিকভাবে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প থাকলেও সবমিলিয়ে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। আর ব্যয়কৃত অর্থের মধ্যে ঢাকা ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার ঋণ নেয়া হয়েছে।
-
আমার বাংলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



