খোলা আকাশের নিচে থাকেন রিকশাচালক মুক্তিযোদ্ধা
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
স্বাধীনতার ৪০ বছর অতিবাহিত হলেও বিজয়ের কোনো সুফল পাননি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা মিয়া। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২৫ বছরের টগবগে তরুণ গোলাম মোস্তফা এখন ৬৫ বছরের বৃদ্ধ।
বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে পলিথিনের তৈরি ডেরায় প্রচণ্ড শীতের মধ্যে ৮ ছেলে-মেয়ে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন দেশপ্রেমিক এই মুক্তিযোদ্ধা। সহায়-সম্পত্তিহীন দরিদ্র এই মুক্তিযোদ্ধা পরিবার-পরিজন নিয়ে সোনারগাঁয়ের পানামনগরে একটি পুরনো জীর্ণ-শীর্ণ বিল্ডিংয়ে থাকতেন। সম্প্রতি সেখান থেকেও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের লোকজন এসে উচ্ছেদ করে দেয়।
কেমন আছেন, জানতে চাইলে বৃদ্ধ গোলাম মোস্তফা জানান, ‘সুবিধায় নাইরে বাজান। এই সরকার কইছে বাড়ি দিব, গাড়ি দিব, কই কিছুই তো দিল না। সরকারি জায়গায় থাকতাম, সেখান থেইকাও উচ্ছেদ কইরা দিছে। শীতের মধ্যেও বৃদ্ধ বয়সে পর্দা টানাইয়া এই খোলা আকাশের নিচে থাহি। অনেকের কাছে গেছি একটু জায়গার লইগা কোন কাম অয়নাই।’
নিজের জীবন বাজি রেখে দেশের টানে, মা-বোনের ইজ্জত রক্ষার তাগিদে নিজের রিকশা বিক্রি করা টাকায় মুক্তিযুদ্ধে ট্রেনিং নেয়ার জন্য পালিয়ে ভারতের আসাম লায়লাপুর ক্যাম্পে চলে যান গোলাম মোস্তফা। ট্রেনিং শেষে মেঘালয়ে মেজর হায়দারের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে আবার দেশে ফিরে আসেন। যুদ্ধ করেন ২ নং সেক্টরের নারায়ণগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন স্থানে।
সোনারগাঁ পৌরসভার অর্জুন্দী গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা দুঃখ করে বলেন, ‘স্বপ্ন! স্বপ্ন আর পূরণ হইলো কইরে বাবা। আইয়ুবের আমল থেইকা রিকশা চালাই। মাঝে-মধ্যে রিকশা-ভ্যানগাড়িতে কইরা বিভিন্ন রোগ-শোকের ওষুধ ফেরি কইরা বেচি। সামান্য সরকারি ভাতা ছাড়া হিসাব কইরা দেখছি, কিছুই পাইলাম না।’
বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে পলিথিনের তৈরি ডেরায় প্রচণ্ড শীতের মধ্যে ৮ ছেলে-মেয়ে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন দেশপ্রেমিক এই মুক্তিযোদ্ধা। সহায়-সম্পত্তিহীন দরিদ্র এই মুক্তিযোদ্ধা পরিবার-পরিজন নিয়ে সোনারগাঁয়ের পানামনগরে একটি পুরনো জীর্ণ-শীর্ণ বিল্ডিংয়ে থাকতেন। সম্প্রতি সেখান থেকেও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের লোকজন এসে উচ্ছেদ করে দেয়।
কেমন আছেন, জানতে চাইলে বৃদ্ধ গোলাম মোস্তফা জানান, ‘সুবিধায় নাইরে বাজান। এই সরকার কইছে বাড়ি দিব, গাড়ি দিব, কই কিছুই তো দিল না। সরকারি জায়গায় থাকতাম, সেখান থেইকাও উচ্ছেদ কইরা দিছে। শীতের মধ্যেও বৃদ্ধ বয়সে পর্দা টানাইয়া এই খোলা আকাশের নিচে থাহি। অনেকের কাছে গেছি একটু জায়গার লইগা কোন কাম অয়নাই।’
নিজের জীবন বাজি রেখে দেশের টানে, মা-বোনের ইজ্জত রক্ষার তাগিদে নিজের রিকশা বিক্রি করা টাকায় মুক্তিযুদ্ধে ট্রেনিং নেয়ার জন্য পালিয়ে ভারতের আসাম লায়লাপুর ক্যাম্পে চলে যান গোলাম মোস্তফা। ট্রেনিং শেষে মেঘালয়ে মেজর হায়দারের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে আবার দেশে ফিরে আসেন। যুদ্ধ করেন ২ নং সেক্টরের নারায়ণগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন স্থানে।
সোনারগাঁ পৌরসভার অর্জুন্দী গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা দুঃখ করে বলেন, ‘স্বপ্ন! স্বপ্ন আর পূরণ হইলো কইরে বাবা। আইয়ুবের আমল থেইকা রিকশা চালাই। মাঝে-মধ্যে রিকশা-ভ্যানগাড়িতে কইরা বিভিন্ন রোগ-শোকের ওষুধ ফেরি কইরা বেচি। সামান্য সরকারি ভাতা ছাড়া হিসাব কইরা দেখছি, কিছুই পাইলাম না।’
-
আমার বাংলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া



