Amardesh
আজঃঢাকা, শুক্রবার ১৩ জানুয়ারি ২০১২, ৩০ পৌষ ১৪১৮, ১৮ সফর ১৪৩৩ হিজরী    আপডেট সময়ঃ রাত ১.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিকী
 হুদার কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

এম ইলিয়াস আলীর ওপর থেকে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বাংলাদেশ হাই কমিশন ঘেরাও

লন্ডন প্রতিনিধি
« আগের সংবাদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি, সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ, এম ইলিয়াস আলীর ওপর ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যানারে ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশ হাই কমিশন ঘেরাও, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপিপ্রদান ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রবাসী আলহাজ রইছ আলীর সভাপতিত্বে ও প্রবাসী আবদুুল গফুর, রফিক উল্লাহ ও মিছবাহ উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধের দাবিতে এম ইলিয়াস আলী যখন দেশবাসীকে নিয়ে সফলভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিক তখনই ভারতপ্রেমী বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার তার ওপর একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ঢাকায় অবস্থান করা সত্ত্বেও তার ওপর সিলেটের মর্মান্তিক গাড়ি পুড়ানো মামলায় জড়ানো হয়েছে। বক্তারা বলেন, জিয়া পরিবারের আস্তাভাজন নেতা এম ইলিয়াস আলীর নেতৃত্বে যখন বৃহত্তর সিলেটে ইউপি নির্বাচনে, পৌরসভা নির্বাচনে এবং হবিগঞ্জের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হচ্ছেন, ঠিক এমনি একপর্যায়ে সিলেটের আপোষহীন নেতা এম ইলিয়ার আলীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে গ্রেফতার করার ষড়যন্ত্র চলছে। বক্তারা বলেন, এম ইলিয়াস আলীর ওপর ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করেল যুক্তরাজ্য থেকে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ বন্ধ ও বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো বয়কট করা হবে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে।
সভায় বক্তারা খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের, ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তির মাধ্যমে ট্রানজিট প্রদান, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ, সীমান্তে প্রতিদিন মানুষ হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল, ঢাকাকে দু’ভাগ করা, সরকার দলীয় নেতাদের সন্ত্রাসী, দুর্নীতি, সরকারি বাহিনীর হাতে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে নির্যাতন, ক্রসফায়ার, গুম ও জিনিষপত্রে মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিয়া মনিরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এ সালাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম মালিক, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, বিএনপি নেতা হাজী গোলাম রব্বানী, আবুল কালাম আজাদ, আইনজীবী আবদুর রব মল্লিক, আছকির আলী, ড. মুজিবুর রহমান, আবদুুল ওয়াদুদ সাহেল, তোফায়েল আহমদ তোফা, আবুল কালাম সেতু, নিজাম মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, সাইস্তা চৌধুরী কুদ্দুছ, শাহ আক্তার হোসেন টুটুল, শাহ জামান নুরুল হুদা, আহমদ আলী, মনির উদ্দিন বশির, হাজী আবদুুর রব, আকলুছ মিয়া, কবির মিয়া, ইশতিয়াক হোসেন দুদু, ফয়েজ উদ্দিন এমবিই, আইনজীবী মো. আবদুস শহীদ, নাদের আহমদ, তাজুল ইসলাম, দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, আবদুল বাছিত বাদশা, এনামুল হক এনু, আবদুল কাইয়ূম, মঞ্জুরুস সামাদ চৌধুরী মামুন, আবদুুল হামিদ চৌধুরী, সোহেল আহমদ চৌধুরী, আফজাল হোসেন, আবেদ রাজা, আফজল হোসেন, আবদুুস সালাম, ময়ূর মিয়া, আলাউদ্দিন বাবুল, মিনহাজুর রহমান মিনহাজ, গৌছ আলী, সিরাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম হাজারী, মুজিবুর রহমান মুজিব, মদরিছ আলী বাদশা, আখলাকুর রহমান, আবদুল হাই, জসিম উদ্দিন সেলিম, তৈয়বুর রহমান, কদর উদ্দিন, তানবির আহম্মদ, আবদুস ছোবহান, আবদুুল হাসনাত, সেবুল মিয়া, কাওছার আহমদ, মদরিছ আলী মফজ্জুল, বদরুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান মুজিব, শাহ আলম, মুরাদ আহমদ, হেভেন খান, সুয়ালেহীন করিম চৌধুরী, জয়নাল আবেদিন, অ্যাডভোকেট চাঁন মিয়া, খালেদ খান, আলী আশরাফ, ইউনুছ আলী, তালহা চৌধুরী রাজা মিয়া প্রমুখ।