নরসিংদীতে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজুকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
নরসিংদী প্রতিনিধি
নরসিংদীতে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা, জবর দখল ও বঙ্গবন্ধুর খুনি হাজী ছাত্তারকে লালন করার দায়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজুকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ। গতকাল শনিবার সকাল এগারোটায় নরসিংদী সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহ আলমের নেতৃত্বে প্রথমে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নরসিংদী প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিকাল সাড়ে ৪টায় পুনরায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মী, আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েক হাজার লোক জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে মিছিল নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি এসএম কাইয়ুম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক শামীম নেওয়াজ, শহর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মফিজুর রহমান সুমন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজুকে বঙ্গবন্ধুর খুনির আশ্রয়দাতা ও নারী কেলেঙ্কারির নায়ক উল্লেখ করে বলেন, তার নেতৃত্বে নরসিংদীতে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। তার এবং তার ভাইয়ের নানা অপকর্মের কারণে নরসিংদীতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
তার বিরুদ্ধে কথা বললেই মামলা-হামলা করে নির্যাতন চালাচ্ছে ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও জেলে আটক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা দেয়া হবে উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, রাজুর স্থান আর নরসিংদীতে হবে না। তাকে নরসিংদীতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো।
উল্লেখ্য, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে নরসিংদী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম লেলিনের ওপর হামলা চালায় জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক। এ ঘটনায় লেলিন বাদী হয়ে পরদিন ৬ জনের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে জেলা ছাত্রলীগ থেকে রেহানুল ইসলাম লেলিন ও সোহেবকে বহিষ্কার করা হয়।
পরে প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি এসএম কাইয়ুম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক শামীম নেওয়াজ, শহর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মফিজুর রহমান সুমন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজুকে বঙ্গবন্ধুর খুনির আশ্রয়দাতা ও নারী কেলেঙ্কারির নায়ক উল্লেখ করে বলেন, তার নেতৃত্বে নরসিংদীতে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। তার এবং তার ভাইয়ের নানা অপকর্মের কারণে নরসিংদীতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
তার বিরুদ্ধে কথা বললেই মামলা-হামলা করে নির্যাতন চালাচ্ছে ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও জেলে আটক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা দেয়া হবে উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, রাজুর স্থান আর নরসিংদীতে হবে না। তাকে নরসিংদীতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো।
উল্লেখ্য, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে নরসিংদী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম লেলিনের ওপর হামলা চালায় জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক। এ ঘটনায় লেলিন বাদী হয়ে পরদিন ৬ জনের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে জেলা ছাত্রলীগ থেকে রেহানুল ইসলাম লেলিন ও সোহেবকে বহিষ্কার করা হয়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

