Amardesh
আজঃ ঢাকা, বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, ২৪ ভাদ্র ১৪১৭, ২৮ রমজান ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ রাত ১.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 বিশেষ সংখ্যা
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ঘরমুখো মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার : ঈদে ঘরে ফেরা

কাজী জেবেল
চরম ভোগান্তির শিকার ঈদে ঘরমুখো মানুষ। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে থেমে থেমে দীর্ঘ যানজট। ডুবোচর ও নাব্য সঙ্কটের কারণে ফেরি পারাপারে বিলম্ব হওয়ায় যাত্রীরা অসহনীয় দুর্ভোগের শিকার। মাওয়া-চরজানাজাত বা কাওড়াকান্দি পার হতে প্রতিটি ফেরির সময় লাগছে সাড়ে তিন ঘণ্টা বা তারচেয়ে বেশি সময়। এর সঙ্গে ফেরিঘাটে বাসের দীর্ঘ লাইন যোগ করেছে দুর্ভোগের নতুন মাত্রা। গ্যাস সঙ্কটসহ নানা কারণ দেখিয়ে ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়ে অনেক বাস ছেড়ে যায়নি। লঞ্চ মালিকদের দৌরাত্ম্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খোলা আকাশে নিচে রোদের প্রচণ্ড গরম সহ্য করে গাদাগাদি করে গেছেন দক্ষিণাঞ্চলগামী অনেক মানুষ। এদিকে নিম্ন আয়ের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনের ছাদে, বাম্পারে ও ট্রাকে করে গন্তব্যে ছুটছে। এর সঙ্গে বাস ও রেলস্টেশনে পকেটমার, অজ্ঞান ও মলম পার্টি, থুথু পার্টি, ছিনতাইকারীর উপদ্রব তো আছেই। পথে পথে চলছে নীরব-সরব চাঁদাবাজি। সব মিলিয়ে ঈদের আগে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষ এক তিক্ত অভিজ্ঞতা সঞ্চার করেছেন। ঈদ উপলক্ষে যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও এসব উদ্যোগ যেন হার মেনেছে। এসব ঝক্কি-ঝামেলা সত্ত্বেও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে গতকাল অসংখ্য মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন।
রাজধানীর বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টশনে ছিল উপচেপড়া ভিড়। মাথায়, কাঁধে, হাতে ব্যাগ, লাগেজ ইত্যাদি নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে ছুটছেন তারা। কোনোদিকে তাকানোর ফুরসত নেই এসব যাত্রীর। পবিত্র শবেকদরের ছুটির সঙ্গে বুধ ও বৃহস্পতিবারের ছুটির আবেদন জানিয়েই অনেকে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন। বিশেষ করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঝুট-ঝামেলা এড়িয়ে আগেভাগে বাড়ি পৌঁছতেই দূর-দূরান্তের যাত্রীরা নির্দিষ্ট যানবাহনে চড়েন। কোনো বাধাই যেন তাদের আটকাতে পারেনি। এদিকে গত বছরের মতো এবারও ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো চট্টগ্রামে পৌঁছতে ১০ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লেগেছে। পরিবহন শ্রমিকরা জানান, চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে শনির আখড়া, কাঁচপুর ব্রিজ, সোনারগাঁও, মদনগঞ্জ, গৌরিপুর, বাড়ৈয়ারহাট, মিরসরাই ও সীতাকুণ্ডে পৃথক যানজট সৃষ্টি হয়। এরমধ্যে বেশিরভাগ স্থানে লোকাল বাসের যাত্রী ওঠানামা, স্কুটার, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন পার্কিংয়ের কারণে যানজট সৃষ্টি হয়। কয়েকটি স্থানে রাস্তা খারাপ থাকায় গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। সুপারভাইজররা জানান, সাধারণত ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে ৫ থেকে সাড়ে ৫ ঘণ্টা সময় লাগে। কিন্তু গতকাল ৯ থেকে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সময় লেগেছে। দীর্ঘ সময় যানজট থাকায় যাত্রীরা হাঁপিয়ে ওঠেন। এ প্রসঙ্গে সোহাগ বাসের মালিক মো. ফারুক তালুকদার সোহেল বলেন, রাস্তার ফুটপাত দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, অবৈধ পার্কিং ও অব্যবস্থাপনার কারণে এসব সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য হাইওয়েতে যানজটের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে মাওয়া ঘাটসংলগ্ন স্থানে ডুবোচর ওঠা, হাজরা ও নাওডোব চ্যানেলে পলি জমায় মাওয়া-চরজানাজাত বা কাওড়াকান্দি রুটে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এর আগেও কয়েকটি ফেরি চরে আটকে যাওয়ায় চালকদের মনে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) আবদুল মতিন আমার দেশকে জানান, ডুবোচর ও নাব্য সঙ্কটের কারণে ফেরিগুলো প্রায় ৬ কিলোমিটার বেশি ঘুরে পার হচ্ছে। ফলে প্রতিটি ফেরিকে ২০ থেকে ২১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এতে সময় লাগছে সাড়ে ৩ ঘণ্টা বা তার বেশি। বিআইডব্লিউটিসি জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে এ রুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩টি ফেরি চলছে। ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব কম হওয়ার সুবাদে বরিশাল, খুলনাসহ ২১ জেলার অনেক গাড়ি এ রুটে চলাচল করে। কিন্তু ফেরি পারাপারে বেশি সময় লাগা ও গাড়ির বাড়তি চাপ থাকায় মাওয়ায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা। এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে স্থানীয় একটি চক্র চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটের ফেরিতে ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় সেখানে যানজট কম বলে জানা গেছে।
গতকাল ভোর থেকে রাজধানীর আসাদগেট, শ্যামলী, গাবতলী, মহাখালী, উত্তরাসহ বিভিন্ন বাস কাউন্টার এবং এর আশপাশ এলাকায় যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। তবে সকাল ১০টা বাজতেই ফাঁকা হয়ে যায় গাবতলী বাস টার্মিনাল। গতকালও বিভিন্ন রুটের বাসের টিকিট বিক্রি করতে দেখা গেছে। কাউন্টার মাস্টাররা জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার যাত্রীদের চাপ কিছুটা কম। তবে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের কোনো টিকিট নেই। ঈগল পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার মো. হাসান বলেন, সকাল ১১টা পর্যন্ত এসি, ননএসি চেয়ার বাসের টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। এর পরের বাসের টিকিট রয়েছে। তবে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের টিকিট অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার বাদল বলেন, আমাদের কিছু বাস ৩৬ আসন, আবার কিছু বাস ৪০ আসনবিশিষ্ট। আগাম টিকিট হিসেবে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের প্রতিটি বাসের ৩৬ আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু যেসব বাস ৪০ আসনের তার বাকি ৪টি আসনের টিকিট বিক্রি চলছে।
এদিকে নিম্নআয়ের মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস ও খোলা ট্রাকে চড়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। আইন অমান্য করে পুলিশের সামনে এভাবে যাত্রী বহন করা হলেও তাদের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। গতকাল সকাল ১১টা ১০ মিনিটে গাবতলী ব্রিজের ওপর পাবনাগামী রাজ রোড কিং পরিবহনের (নম্বর ঢাকা মেট্রো জ-১১-১৬৬৫) একটি বাসের ছাদে নারী ও পুরুষকে সমানতালে উঠতে দেখা যায়। বাসের হেলপার, সুপারভাইজার ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের ছাদে উঠতে সহযোগিতা করেন। বাসের ভেতরেও অনেক যাত্রী দাঁড়িয়ে যান। সুপারভাইজার মো. আফজাল হোসেন আমার দেশকে বলেন, বাসে ৪৫টি আসনের যাত্রীদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা ভাড়া নেয়া হবে। ছাদে আরও ৩০ থেকে ৫০ জন এবং বাসের ভেতরে দাঁড় করিয়ে আরও ২০ থেকে ৩০ জন যাত্রী নেয়া হবে। এদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫০ টাকা ভাড়া নেয়া হবে। একই সময়ে রাজশাহীগামী তুহিন পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-২৭২০) একটি বাসে একইভাবে ছাদে যাত্রী ওঠাতে দেখা যায়। একইভাবে ঢাকা থেকে আরিচা-পাটুরিয়াগামী জনসেবা পরিবহন, রংপুর-সৈয়দপুরগামী লামইয়া এন্টারপ্রাইজ, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী গাংচিল পরিবহন, পাবনাগামী কোহিনুর পরিবহনসহ বেশ কয়েকটি বাসের ছাদে হুমড়ি খেয়ে যাত্রীদের উঠতে দেখা যায়। আইনের তোয়াক্কা না করে যখন বাসের ছাদে যাত্রীদের ওঠানো হচ্ছিল ঠিক তখন একজন এএসআইসহ কয়েকজন কনস্টেবল তাদের প্রহরা দিচ্ছিলেন। বিনিময়ে তারা তাত্ক্ষণিকভাবে বাসপ্রতি ১০০ টাকা চাঁদা পান। এমনকি গাবতলী পুলিশ ফাঁড়ির ভবনের ঠিক পেছনে ছাদে যাত্রী ওঠানো হলেও মাত্র ১০-১৫ গজ দূরে থাকা পুলিশ সদস্যরা কিছুই যেন দেখেননি। বাসের যাত্রীদের ছাদে নেয়া প্রসঙ্গে গাবতলী পুলিশ ফাঁড়িতে অবস্থানরত মিরপুর জোনের এডিসি মো. ইলিয়াছ শরীফ আমার দেশকে বলেন, ‘আমরা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স করার চেষ্টা করছি। অনেককিছু দেখি, আবার অনেককিছু না দেখার ভান (ওভার লুক) করি। কারণ সবাইকে বাড়ি যেতে হবে।’
এদিকে পথে পথে চাঁদাবাজির মহোত্সব চলছে। পরিবহন ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকা থেকে পাবনা যেতে সাভার, বাইপাল, চান্দুরা, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল, বেড়া, পাবনাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় এক হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়। এছাড়া ঢাকা-চিটাগং ও ঢাকা-খুলনা রুটসহ প্রায় প্রতিটি রুটেই প্রতি বাস থেকে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা নেয় পুলিশ ও ক্ষমতাসীন নেতারা। কোনো মালিক পুলিশকে চাঁদা না দিলে তার বাস আটক করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নৌপথে দেশের দক্ষিণাঞ্চল যাওয়ার অন্যতম পথ ঢাকা নৌবন্দরে (সদরঘাট) গতকাল ছিল যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। দুপুর গড়াতেই প্রতিটি লঞ্চ ভরে টইটমু্বর। কিন্তু তারপরও ক্ষমতাসীন মালিকদের কারণে লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আবুল বাশার মো. ফকরুজ্জামান সকালে সৈকত-২, নাজমা খান ও গ্লোরি অব শ্রীনগর নামের তিনটি লঞ্চকে ছাড়তে নির্দেশ দেন। এর মধ্যে দুটি লঞ্চ ছেড়ে গেলেও ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ লঙ্ঘন করে সৈকত-২ আবারও ঘাটে ফিরে আসে। পরে লঞ্চের চালককে ধরে আনার নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া সুন্দরবন-৫ লঞ্চের চালক নুরুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এরপরই মালিকপক্ষ ক্ষেপে যায়। এ সময় মালিক সমিতিতে বসে থাকায় মহাজোটের এমপি গোলাম কিবরিয়া টিপুসহ বেশ কয়েকজন মালিক মোবাইলে বিআইডব্লিউটিএ ও সমুদ্র অধিদফতরের কর্মকর্তাদের বিভিন্নভাবে কটাক্ষ করেন। তারা লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়ারও হুমকি দেন। গতকাল বিভিন্ন রুটে ৭০টিরও বেশি লঞ্চ ছেড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে গতকালও ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। একতা এবং সুন্দরবন এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক ঘণ্টা দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায় ও ছেড়ে যায়। দুপুর পর্যন্ত ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটায় চরম দুর্ভোগে পড়ে মানুষ। ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে ঈদে ঘরমুখী মানুষকে পোহাতে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনা। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুরা বেশি ভোগান্তির শিকার হন।
গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া উপজেলার মেঘনা সেতুতে গতকাল ট্রাক ও কভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে দুটি যানই দুমড়ে-মুচড়ে গেলে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। রেকার দিয়ে প্রথমে দুর্ঘটনাকবলিত কভার্ড ভ্যান ও ট্রাক সরিয়ে নিলে ৯টার দিকে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। যানজট নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে মুন্সীগঞ্জের ভবেরচর পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার এলাকা ছড়িয়ে পড়ে। ভবেরচর হাইওয়ে ফাঁড়ির সার্জেন্ট ফরাজী বুলবুল জানান, কুমিল্লাগামী খালি ট্রাক ও ঢাকাগামী কভার্ড ভ্যানের সঙ্গে এই সংঘর্ষে কভার্ড ভ্যানচালক ড্রাইভার রহমান আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি সরিয়ে নেয়ার পর যানজট এখন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তবে ঈদের কারণে মহাসড়কটি বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ায় যানজট কমতে বিলম্ব হচ্ছে।
মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, বরিশাল, খুলনাসহ ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব কম হওয়ায় গতকাল সকাল থেকেই মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। যান ও জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মাওয়া ও কাওড়াকান্দি নৌরুট। ডুবোচর ও নাব্য সঙ্কটের কারণে ফেরি পারাপারে দীর্ঘ সময় লাগায় লঞ্চ ও স্পিডবোটে সকাল থেকেই উপচেপড়া ভিড় রয়েছে। লঞ্চে পার হতে ১ ঘণ্টা ও স্পিডবোটে পার হতে মাত্র ২০ মিনিট সময় লাগছে। আর এ সুযোগে নৌযানসহ সব যানবাহনেই ভাড়া বাড়ানোর অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। এদিকে ঘরমুখো মানুষের চাপে মাওয়া-কাওড়াকান্দি ঘাট জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। দুই পারে প্রায় ৬ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?