হাড় শক্ত করার ওষুধে ক্যান্সার হতে পারে
ডেস্ক রিপোর্ট
হাড় শক্ত করা কিংবা ভাঙা বা ফাটা হাড় জোড়া দেয়ার যেমন ওষুধের দরকার হয়, তেমনি হাড় মজবুত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ খেলে অন্ননালীর ক্যান্সারও হতে পারে। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলেছেন একথা। সূত্র বিবিসি।
তিন হাজার লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, একনাগাড়ে পাঁচ বছর বিসফসফনেট নামের হাড় শক্তকারক ওষুধ খেয়ে এক হাজারের মধ্যে একজন থেকে অন্ননালীর ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারে দু’জনে গিয়ে পৌঁছেছে। এদের বয়স অবশ্য ৬০ থেকে ৭৯ বছরের মধ্যে।
গবেষকরা বলেছেন, ‘ঝুঁকির পরিমাণটা খুব বেশি মনে হচ্ছে না। তবে ঝুঁকি যে আছে, সেটা সত্যি এবং সে সত্যিটাই আমাদের জানা দরকার ছিল।’
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণা পত্রটি তৈরি হয়েছে জিপি রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে। বর্তমান আবিষ্কারটি অবশ্য এর আগের তথ্য থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আগের তথ্যে বলা হয়েছিল, হাড় শক্ত করার ওষুধে বাড়তি কোনো ঝুঁকি নেই।
বিসফসফনেট খেলে অন্ননালী উত্তেজিত হয়। তবে সেটা কেন ঘটে, তা এখনও জানা যায়নি। এদিকে হাজার হাজার পাকস্থলীর ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে, কিন্তু কোনোরকম ঝুঁকির চিহ্ন অবশ্য পাওয়া যায়নি। গবেষক দলের প্রধান ড. জেন গ্রিন বলেন, আমাদের গবেষণার ফলাফলকে অবশ্য আরও ব্যাপক গবেষণাকর্মের সূত্রপাত হিসেবে ধরে নেয়া যেতে পারে। হাড়ের অসুখে বিসফসফনেট এখন চিকিত্সকদের প্রিয় প্রেসক্রিপশন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে এর ক্ষতিকর দিকটি নিয়ে এর আগে আর খতিয়ে দেখা হয়নি।’
যুক্তরাজ্যে এখন প্রায় ৬ লাখ মানুষ বিসফসফনেট ওষুধ সেবন করে থাকে। এদের ৭০ বছরের ওপরের বয়সী মহিলার অনুপাত ১০ ভাগ। যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার ইনসটিটিউটের ড. লরা বেল বলেন, নতুন গবেষণার বিষয়ে আরো সাবধানে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে দেখতে হবে। বিসফসফনেট সেবনে যে ঝুঁকির কথা বলা হচ্ছে, তা খুব বেশি কিছু নয়। তবে কেউ যদি এই ওষুধ খেয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন বলে ভয় পেয়ে থাকেন, তাহলে তার উচিত নিজের ডাক্তারের সঙ্গে আলাপ করে নেয়া।’
তিন হাজার লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, একনাগাড়ে পাঁচ বছর বিসফসফনেট নামের হাড় শক্তকারক ওষুধ খেয়ে এক হাজারের মধ্যে একজন থেকে অন্ননালীর ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারে দু’জনে গিয়ে পৌঁছেছে। এদের বয়স অবশ্য ৬০ থেকে ৭৯ বছরের মধ্যে।
গবেষকরা বলেছেন, ‘ঝুঁকির পরিমাণটা খুব বেশি মনে হচ্ছে না। তবে ঝুঁকি যে আছে, সেটা সত্যি এবং সে সত্যিটাই আমাদের জানা দরকার ছিল।’
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণা পত্রটি তৈরি হয়েছে জিপি রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে। বর্তমান আবিষ্কারটি অবশ্য এর আগের তথ্য থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আগের তথ্যে বলা হয়েছিল, হাড় শক্ত করার ওষুধে বাড়তি কোনো ঝুঁকি নেই।
বিসফসফনেট খেলে অন্ননালী উত্তেজিত হয়। তবে সেটা কেন ঘটে, তা এখনও জানা যায়নি। এদিকে হাজার হাজার পাকস্থলীর ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে, কিন্তু কোনোরকম ঝুঁকির চিহ্ন অবশ্য পাওয়া যায়নি। গবেষক দলের প্রধান ড. জেন গ্রিন বলেন, আমাদের গবেষণার ফলাফলকে অবশ্য আরও ব্যাপক গবেষণাকর্মের সূত্রপাত হিসেবে ধরে নেয়া যেতে পারে। হাড়ের অসুখে বিসফসফনেট এখন চিকিত্সকদের প্রিয় প্রেসক্রিপশন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে এর ক্ষতিকর দিকটি নিয়ে এর আগে আর খতিয়ে দেখা হয়নি।’
যুক্তরাজ্যে এখন প্রায় ৬ লাখ মানুষ বিসফসফনেট ওষুধ সেবন করে থাকে। এদের ৭০ বছরের ওপরের বয়সী মহিলার অনুপাত ১০ ভাগ। যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার ইনসটিটিউটের ড. লরা বেল বলেন, নতুন গবেষণার বিষয়ে আরো সাবধানে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে দেখতে হবে। বিসফসফনেট সেবনে যে ঝুঁকির কথা বলা হচ্ছে, তা খুব বেশি কিছু নয়। তবে কেউ যদি এই ওষুধ খেয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন বলে ভয় পেয়ে থাকেন, তাহলে তার উচিত নিজের ডাক্তারের সঙ্গে আলাপ করে নেয়া।’
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


