ধামরাইয়ে এনজিওর কাণ্ড : কিস্তির টাকা না পেয়ে নিয়ে গেছে দুটি দুধেল গাভী
সাভার প্রতিনিধি
ধামরাইয়ে পোলট্রি খামারি ছেলের ঋণের একটি কিস্তির ৯ হাজার ২০০ টাকা না পেয়ে বৃদ্ধ বাবার ২টি দুধেল গাভী বাছুরসহ নিয়ে গেছে এনজিও কর্মীরা। সমাজ ও জাতি গঠন (সজাগ) নামের এ এনজিওর কর্মীরা রোববার হোন্ডা মহড়া দিয়ে গাভী দুটি নিয়ে যায়। যার দাম প্রায় দুই লাখ টাকা। গাভী মালিক গত ৬ দিনে সমাজপতি, থানা পুলিশ, এনজিও কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ফিরলেও দুধ বিক্রি করে সংসার চালানোর গাভী দুটি ও বাছুর ফেরত পাননি।
অভিযোগে জানা যায়, ধামরাইয়ের নান্নার ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বৃদ্ধ লাবু মিয়া (৭৫) দীর্ঘদিন ধরে গাভী পালন করে সংসার পরিচালনা করে আসছেন। তার সংসার থেকে পৃথক আতোয়ার রহমান সমাজ ও জাতি গঠন নামের একটি এনজিও থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে এক বছর মেয়াদে ৯ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করার শর্তে পোলট্রি খামার গড়ে তোলেন। বেশ কয়েক মাস ঋণের কিস্তি যথারীতি পরিশোধ করার পর আগস্ট মাসে কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন। এনজিও কর্মীরা দফায় দফায় তার কিস্তির টাকা চেয়ে না পেয়ে ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তারা আতোয়ার রহমানের বাবা লাবু মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ২টি দুধেল গাভী, ২টি বাছুরসহ নিয়ে যায়।
বৃদ্ধ লাবু মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, আমার সংসার পরিচালনার একমাত্র উত্স গাভী দুটি নিয়ে যাওয়ার সময় এনজিও কর্মকর্তাদের হাতে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করে অনুরোধ করেছি। তারা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে গাভী নিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ছেলে আতোয়ার সংসার থেকে ভিন্ন। তার ব্যবসা সে নিজ দায়িত্বে করছে।
বৃদ্ধ লাবু মিয়া জানান, তিনি বিষয়টি থানা পুলিশ, স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ সমাজপতিদের জানিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম আলমগীর হোসেন জানান, তিনি বিষয়টি জানতে পেরে এনজিও কর্মকর্তাদের গাভী ফেরত দেয়ার অনুরোধ করেছেন। এ ব্যাপারে জানতে এনজিও সজাগের প্রধান নির্বাহী আবদুল মতিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে এনজিও কর্মকর্তা মুর্তুজা হোসেন বলেন, গাভী দুটি বিক্রি করে ঋণের টাকা সমন্বয় করা হবে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগে জানা যায়, ধামরাইয়ের নান্নার ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বৃদ্ধ লাবু মিয়া (৭৫) দীর্ঘদিন ধরে গাভী পালন করে সংসার পরিচালনা করে আসছেন। তার সংসার থেকে পৃথক আতোয়ার রহমান সমাজ ও জাতি গঠন নামের একটি এনজিও থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে এক বছর মেয়াদে ৯ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করার শর্তে পোলট্রি খামার গড়ে তোলেন। বেশ কয়েক মাস ঋণের কিস্তি যথারীতি পরিশোধ করার পর আগস্ট মাসে কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন। এনজিও কর্মীরা দফায় দফায় তার কিস্তির টাকা চেয়ে না পেয়ে ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তারা আতোয়ার রহমানের বাবা লাবু মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ২টি দুধেল গাভী, ২টি বাছুরসহ নিয়ে যায়।
বৃদ্ধ লাবু মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, আমার সংসার পরিচালনার একমাত্র উত্স গাভী দুটি নিয়ে যাওয়ার সময় এনজিও কর্মকর্তাদের হাতে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করে অনুরোধ করেছি। তারা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে গাভী নিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ছেলে আতোয়ার সংসার থেকে ভিন্ন। তার ব্যবসা সে নিজ দায়িত্বে করছে।
বৃদ্ধ লাবু মিয়া জানান, তিনি বিষয়টি থানা পুলিশ, স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ সমাজপতিদের জানিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম আলমগীর হোসেন জানান, তিনি বিষয়টি জানতে পেরে এনজিও কর্মকর্তাদের গাভী ফেরত দেয়ার অনুরোধ করেছেন। এ ব্যাপারে জানতে এনজিও সজাগের প্রধান নির্বাহী আবদুল মতিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে এনজিও কর্মকর্তা মুর্তুজা হোসেন বলেন, গাভী দুটি বিক্রি করে ঋণের টাকা সমন্বয় করা হবে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


