৫ম সংশোধনীর পূর্বাবস্থা : প্রতিস্থাপনে সংবিধান সংশোধনের দরকার নেই : আইনমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
উচ্চ আদালতের রায় অনুসারে পঞ্চম সংশোধনীর আগের অবস্থা প্রতিস্থাপনে নতুন করে সংবিধান সংশোধনের দরকার নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। তিনি বলেন, আদালতে যখন রায় ঘোষণা হয়েছে তখনই সংবিধান আগের অবস্থানে চলে গেছে। এটার জন্য নতুন করে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নেই। অষ্টম সংশোধনীর একটা অংশ যখন বাতিল হয়েছে তখনও কোনো সংশোধনীর দরকার হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গতকাল সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আল-কুদস কমিটি আয়োজিত এক সেমিনারে আইনমন্ত্রী আরও জানান, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের দায়ে এরশাদের বিচার করা নিয়ে আপাতত ভাবছে না।
সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে যারা সামরিক শাসনকে বৈধতা দিয়েছিল তাদের পর্যায়ক্রমে বিচারের অধীনে নিয়ে আসার ইঙ্গিত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমার কথা হলো যে-ই কোনো অপরাধ করে থাকে, যে-ই কোনো অন্যায় করে থাকে যেটা দেশের আইনে অপরাধ তাদের বিচার হবে কারণ আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। এখানে কারও কিছু বক্তব্য দেয়াটা আইনের শাসনের বিপক্ষে কথা বলা।
মন্ত্রী বলেন, মার্শাল ল’ দিয়ে, সামরিক ফরমান দিয়ে সংবিধানের যেসব বিধান পরিবর্তন করা হয়েছিল পঞ্চম সংশোধনীর রায়ে আমাদের সর্বোচ্চ আদালত পরিষ্কারভাবে বলেছে যে এগুলো বাতিল। তার অর্থ হলো রায়ের মাধ্যমে আগের যে অবস্থান ছিল সংবিধানে সেটা প্রতিস্থাপিত হবে। এ সময় আইনমন্ত্রী গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ভবিষ্যতে যাতে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের ঘটনা না ঘটে তার জন্য রাজনীতিবিদসহ সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
আল-কুদস দিবসের সেমিনারে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ গণহত্যার শামিল। আর ইসরাইলিরা প্রতিনিয়ত এ অপরাধ করে যাচ্ছে। এ জন্য তাদের বিচার হওয়া উচিত।
এদিকে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে এদেশের রাজনীতিতে বিএনপির আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি, ’৭১-এর ঘাতক এবং বিএনপি এক ও অভিন্ন।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে গোলাম আযমসহ সব যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার, দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা এবং সমকালীন প্রেক্ষাপট শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে কোনো সময় তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিলেন। আর তার রেখে যাওয়া অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করেছেন খালেদা জিয়া। বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর প্যারোলে মুক্তি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্যারোলে মুক্তি নিয়ে কেউ আবহমান কাল পর্যন্ত বিদেশে কাটাবেন এটা কোনো বিধান হতে পারে না। প্যারোলে মুক্তি নিয়ে সর্বোচ্চ ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকা যায়। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিচারপতি গোলাম রব্বানী, অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস এমপি, আ’লীগের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন প্রমুখ।
গতকাল সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আল-কুদস কমিটি আয়োজিত এক সেমিনারে আইনমন্ত্রী আরও জানান, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের দায়ে এরশাদের বিচার করা নিয়ে আপাতত ভাবছে না।
সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে যারা সামরিক শাসনকে বৈধতা দিয়েছিল তাদের পর্যায়ক্রমে বিচারের অধীনে নিয়ে আসার ইঙ্গিত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমার কথা হলো যে-ই কোনো অপরাধ করে থাকে, যে-ই কোনো অন্যায় করে থাকে যেটা দেশের আইনে অপরাধ তাদের বিচার হবে কারণ আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। এখানে কারও কিছু বক্তব্য দেয়াটা আইনের শাসনের বিপক্ষে কথা বলা।
মন্ত্রী বলেন, মার্শাল ল’ দিয়ে, সামরিক ফরমান দিয়ে সংবিধানের যেসব বিধান পরিবর্তন করা হয়েছিল পঞ্চম সংশোধনীর রায়ে আমাদের সর্বোচ্চ আদালত পরিষ্কারভাবে বলেছে যে এগুলো বাতিল। তার অর্থ হলো রায়ের মাধ্যমে আগের যে অবস্থান ছিল সংবিধানে সেটা প্রতিস্থাপিত হবে। এ সময় আইনমন্ত্রী গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ভবিষ্যতে যাতে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের ঘটনা না ঘটে তার জন্য রাজনীতিবিদসহ সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
আল-কুদস দিবসের সেমিনারে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ গণহত্যার শামিল। আর ইসরাইলিরা প্রতিনিয়ত এ অপরাধ করে যাচ্ছে। এ জন্য তাদের বিচার হওয়া উচিত।
এদিকে বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে এদেশের রাজনীতিতে বিএনপির আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি, ’৭১-এর ঘাতক এবং বিএনপি এক ও অভিন্ন।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে গোলাম আযমসহ সব যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার, দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা এবং সমকালীন প্রেক্ষাপট শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে কোনো সময় তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছিলেন। আর তার রেখে যাওয়া অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করেছেন খালেদা জিয়া। বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর প্যারোলে মুক্তি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্যারোলে মুক্তি নিয়ে কেউ আবহমান কাল পর্যন্ত বিদেশে কাটাবেন এটা কোনো বিধান হতে পারে না। প্যারোলে মুক্তি নিয়ে সর্বোচ্চ ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকা যায়। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিচারপতি গোলাম রব্বানী, অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস এমপি, আ’লীগের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন প্রমুখ।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


