স্বরূপকাঠিতে আ’লীগ নেতাদের ৩ কোটি টাকার টেন্ডার ভাগাভাগি
স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি
পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৩ কোটি ১২ লাখ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ আওয়ামী লীগ নেতারা গুছ প্রক্রিয়ায় ভাগাভাগি করে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রকাশ্যে ৩০ গ্রুপ ও গোপনে ৯ গ্রুপসহ ৩৯ গ্রুপের কাজ ভাগবাটোয়ারার মাধ্যমে ১৩ লাখ টাকার ভিট মানি আদায় করে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। ৩১ আগস্ট দরপত্র দাখিলের দিনে ভাগ বণ্টন সম্পন্ন করে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে স্বরূপকাঠি পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, পৌর মেয়র মাহবুব আহসান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ. হামিদ, সম্পাদক এসএম ফুয়াদের নেতৃত্বে গুছ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে গুছ প্রক্রিয়ারকরণে পর্যাপ্ত শিডিউল বিক্রির রাজস্ব থেকে সরকার বঞ্চিত রয়েছে। সমদরে কাজ দেয়ায় সরকার ২৫/৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। জানা গেছে, স্বরূপকাঠি পৌরসভা ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তাঘাট, কালভার্ট, স্টলঘর, কলেজছাত্রাবাসসহ উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে ২০১০-১১ অর্থবছরে ৩৯ গ্রুপে দরপত্র আহ্বান করে আগস্টে। ৩১ আগস্ট ছিল দরপত্র জমা দেয়ার শেষদিন। ২৪ আগস্ট থেকে দরপত্র বিক্রি করলেও গুছ প্রক্রিয়ায় জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাদের কারণে ৩০ গ্রুপের বিপরীতে মাত্র ১২০টি শিডিউল বিক্রি হয়। গোপনে থাকা ৯ গ্রুপের কাজ পৌর মেয়রসহ কমিশনারদের মধ্যে ভাগ করে নেয়ার বিনিময়ে ৩০ গ্রুপের কাজ আওয়ামী লীগ দলীয় ঠিকাদারদের ছাড়ার শর্তে ঐকমত্যে পৌঁছেন উভয়পক্ষ। বণ্টনকৃত কাজের ঠিকাদারদের কাছ থেকে ৫ ভাগ কমিশন আদায়ের মাধ্যমে দরপত্র জমা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।
কাজ ভাগিয়ে নেয়ার মধ্যে ভাগ্যবান ব্যক্তি হলেন পায়েল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সিরাজুল ইসলাম ফায়েজ। তিনি পৌর ভবন নির্মাণের জন্য এককভাবে ১ কোটি টাকার কাজ ভাগিয়ে নিতে সক্ষম হন। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক এসএম ফুয়াদ জানান, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল হামিদ জানান। আমি জীবনে কোনো দিন ঠিকাদারি করিনি এবং এ গুছ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী কাজী মো. ফজরুল হক বলেন, অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু করা হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই।
কাজ ভাগিয়ে নেয়ার মধ্যে ভাগ্যবান ব্যক্তি হলেন পায়েল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সিরাজুল ইসলাম ফায়েজ। তিনি পৌর ভবন নির্মাণের জন্য এককভাবে ১ কোটি টাকার কাজ ভাগিয়ে নিতে সক্ষম হন। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক এসএম ফুয়াদ জানান, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল হামিদ জানান। আমি জীবনে কোনো দিন ঠিকাদারি করিনি এবং এ গুছ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী কাজী মো. ফজরুল হক বলেন, অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু করা হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


