সোনারগাঁওয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৩৫
সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁওয়ের মঙ্গলেরগাঁও বাজারে বৃহস্পতিবার রাতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দু’গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় পুলিশ ও পথচারীসহ উভয় গ্রামের ৩৫ জন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন মালামালের ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করাসহ ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল দুপুরে সোনারগাঁও থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের রাজমিস্ত্রি দিন ইসলাম ও সোহরাবের মধ্যে কাজের টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মঙ্গলেরগাঁও বাজারে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় একই গ্রামের জিয়াউল হক তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এলে পার্শ্ববর্তী দুধঘাটা গ্রামের রোমান মিয়া পূর্বশত্রুতার রেশ ধরে তাতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে রোমান মিয়া ও তার সহযোগী সাদেক মিয়া উত্তেজিত হয়ে জিয়াউল হককে মারধর করে। এ নিয়ে দু’গ্রামের লোকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুধঘাটা গ্রামের রোমান, সাদেক, নজরুল, খোকন, ছানা, আসাদুল, হাফেজের নেতৃত্বে এক-দেড়শ’জনের একটি দল মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাঠিসোটা, দা, বল্লম ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মঙ্গলেরগাঁও বাজার ও গ্রামে হামলা চালায়। হামলায় ব্যবসায়ী মোস্তফা, রফিক, আবদুল জলিল, তার স্ত্রী হালিমা বেগম, মামুন, মনির হোসেন, খাইরুন নেছা, সিরাজ, শহিদুল, সুরুজ, আল আমিন, জুয়েলসহ ৩০ জন আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা বাজারের মোশাররফের রড-সিমেন্টের দোকান, আবু সিদ্দিকের ভাই ভাই স্টোর, আমির হোসেন, সাদেক, সালাউদ্দিন, সিরাজের ভ্যারাইটিজ স্টোরসহ ১৫-২০টি বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। একই সময় হামলাকারীরা সুরুজ ও সিরাজ মিয়ার ৩টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের লোকজনও সংগঠিত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে পাল্টা হামলা চালায়। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে রাত ১২টার দিকে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে এবং ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এসময় দু’গ্রামবাসী ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক এসআই শাহ আলম, কনস্টেবল আবদুল হাই, মাসুদ, আমিনুল, হাবিলদার ওমর মারাত্মকভাবে আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতাল, সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলেরগাঁও বাজারের মার্কেট মালিক আবদুল জলিল মিয়া, ব্যবসায়ী মোশাররফ, সালাউদ্দিন জানান, দুধঘাটা গ্রামের লোকজন মঙ্গলেরগাঁও বাজারের ১৫-২০টি দোকানে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। এতে তাদের প্রায় ৪০ লাখ টাকার বিভিন্ন মালামালের ক্ষতি হয়েছে। দু’গ্রামবাসীর মধ্যে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় দুধঘাটা গ্রামের আমির হোসেন ভূঁইয়া ও মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের জিয়াউল হক বাদী হয়ে থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানার ওসি ইউনুস আলী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করাসহ ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের রাজমিস্ত্রি দিন ইসলাম ও সোহরাবের মধ্যে কাজের টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মঙ্গলেরগাঁও বাজারে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় একই গ্রামের জিয়াউল হক তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এলে পার্শ্ববর্তী দুধঘাটা গ্রামের রোমান মিয়া পূর্বশত্রুতার রেশ ধরে তাতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে রোমান মিয়া ও তার সহযোগী সাদেক মিয়া উত্তেজিত হয়ে জিয়াউল হককে মারধর করে। এ নিয়ে দু’গ্রামের লোকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুধঘাটা গ্রামের রোমান, সাদেক, নজরুল, খোকন, ছানা, আসাদুল, হাফেজের নেতৃত্বে এক-দেড়শ’জনের একটি দল মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাঠিসোটা, দা, বল্লম ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মঙ্গলেরগাঁও বাজার ও গ্রামে হামলা চালায়। হামলায় ব্যবসায়ী মোস্তফা, রফিক, আবদুল জলিল, তার স্ত্রী হালিমা বেগম, মামুন, মনির হোসেন, খাইরুন নেছা, সিরাজ, শহিদুল, সুরুজ, আল আমিন, জুয়েলসহ ৩০ জন আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা বাজারের মোশাররফের রড-সিমেন্টের দোকান, আবু সিদ্দিকের ভাই ভাই স্টোর, আমির হোসেন, সাদেক, সালাউদ্দিন, সিরাজের ভ্যারাইটিজ স্টোরসহ ১৫-২০টি বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। একই সময় হামলাকারীরা সুরুজ ও সিরাজ মিয়ার ৩টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের লোকজনও সংগঠিত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে পাল্টা হামলা চালায়। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে রাত ১২টার দিকে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে এবং ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এসময় দু’গ্রামবাসী ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে সোনারগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক এসআই শাহ আলম, কনস্টেবল আবদুল হাই, মাসুদ, আমিনুল, হাবিলদার ওমর মারাত্মকভাবে আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতাল, সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলেরগাঁও বাজারের মার্কেট মালিক আবদুল জলিল মিয়া, ব্যবসায়ী মোশাররফ, সালাউদ্দিন জানান, দুধঘাটা গ্রামের লোকজন মঙ্গলেরগাঁও বাজারের ১৫-২০টি দোকানে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। এতে তাদের প্রায় ৪০ লাখ টাকার বিভিন্ন মালামালের ক্ষতি হয়েছে। দু’গ্রামবাসীর মধ্যে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় দুধঘাটা গ্রামের আমির হোসেন ভূঁইয়া ও মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের জিয়াউল হক বাদী হয়ে থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানার ওসি ইউনুস আলী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করাসহ ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


