Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ৪ সেপ্টেম্বর ২০১০, ২০ ভাদ্র ১৪১৭, ২৪ রমজান ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ রাত ১.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

দুই যুবলীগ নেতার দাপটে তটস্থ : চট্টগ্রামের একাংশের মানুষ

চট্টগ্রাম ব্যুরো
যুবলীগ নেতা মাছ কাদের আর মেহেদীর ভয়ে তটস্থ চট্টগ্রামের একাংশের মানুষ। মেহেদীর নিয়ন্ত্রণ নাসিরাবাদ বায়েজিদ এলাকায়। মাছ কাদেরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মোগলটুলী ও আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা।
দীর্ঘদিন জেল খেটে কারাগার থেকে বেরিয়ে গত বছরের রমজান মাসে আবারও র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল মাছ কাদের। কিছুদিন কারাগারে আটক থাকার পর সে ফের জামিনে বেরিয়ে আসে। গত রোববার চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান বাদল। গ্রেফতারের পর দিনই সে জামিনে মুক্তি পেয়ে যায়। মুক্তির পর সে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে বারবার হুমকি দিচ্ছে। এ ব্যাপারে বায়েজিদ থানায় মেহেদী হাসান বাদলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা জিডি করেছেন।
উল্লেখ্য, চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলশী থানা পুলিশ বায়েজিদ থানাধীন শেরশাহ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে মেহেদীকে। সে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের সাবেক ছাত্রলীগ ও বর্তমানে নগর যুবলীগ নেতা।
এদিকে মেহেদীকে গ্রেফতারের পর যুবলীগের একদল কর্মী পলিটেকনিক শেরশাহ কলোনি এলাকায় সড়ক অবরোধ করে। পুলিশের হাত থেকে মেহেদীকে ছিনিয়ে নেয়ারও চেষ্টা চালায়। এ অবস্থায় ভয়ে তাকে খুলশী থানায় না রেখে কোতোয়ালি থানায় স্থানান্তর করে পুলিশ। খুলশী থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত মেহেদীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। খুলশী থানার ওসি ইফতেখার হোসেন জানান, চলতি মাসে শেরশাহ এলাকায় গোল্ডেন হরাইজন গার্মেন্টের সামনে ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
স্থানীয় জনতা জানায়, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মেহেদী পলিটেকনিক, শেরশাহ ও আশপাশের এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়। তার বিশাল ক্যাডার বাহিনী এ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, মেহেদী নগর আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছির বাহিনীর ক্যাডার। অপর যুবলীগ নেতা মাছ কাদের গত সোমবার ভয়ভীতি দেখিয়ে চট্টগ্রাম শহরের পাঠানটুলী এলাকায় নালা পরিষ্কারের দুটি কাজ জোরপূর্বক অনুমোদন করিয়ে নেয়। সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে হুমকি দেয়ার পর মাছ কাদেরের ১০ লাখ টাকার দরপত্র দুটি ছেড়ে দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাজ পাওয়া ও বিল আদায়ের জন্য মাছ কাদের প্রতিনিয়ত ফোন করে। মাছ কাদের সরকারি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকায় তার ভয়ে কর্মকর্তারা তটস্থ থাকেন।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?