দুই বছরেও মংলা বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প শুরু হয়নি : আইএমইডির অভিযোগ প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মংলা পোর্টের উন্নয়নে গৃহীত ‘নেভিগেশন এইডস টু মংলা পোর্ট’ প্রকল্পের দুই বছর পার হলেও এখনও কাজ শুরু করতে পারেনি। প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের পরস্পরের বিরোধিতায় এটা এখন সমস্যাসঙ্কুল প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আইএমইডি এ প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুললে পরিচালক পাল্টা অভিযোগ করেন নৌ-মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) তদন্তে গেলে তদন্ত কর্মকর্তাকে উল্টো শাসিয়ে বিদায় করেন প্রকল্প পরিচালক।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে দুই বছর মেয়াদে অনুমোদন পাওয়া ‘নেভিগেশন এইডস টু মংলা পোর্ট’ নামক এ প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও এ পর্যন্ত প্রকল্পটির কাজ শুরুই করেননি প্রকল্প পরিচালক। এমনকি প্রকল্পটির টেন্ডারিং পর্যন্ত সম্পন্ন করা হয়নি। তিনবার টেন্ডারিং করেও নিজের পছন্দের লোক কাজ না পেলে তিনি তা বাতিল করেন বলে জানা যায়। পরিচালক ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতাহীন এক পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কাজ করানো নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় প্রকল্পটি এখন একটি সমস্যাসঙ্কুল প্রকল্পের তালিকাভুক্ত হওয়ার দিকেই এগোচ্ছে। আইএমইডির অভিযোগ, মহাপ্রতাপশালী এ প্রকল্প পরিচালক একাই প্রকল্পটিকে সমস্যায় ফেললেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন তদারকি প্রতিষ্ঠান আইএমইডির পক্ষ থেকে দেশের আমদানি-রফতানির জন্য অতিগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পটি প্রয়োজনে এ পরিচালককে সরিয়ে মেয়াদ বাড়িয়ে আবার নতুন করে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করা হবে বলে জানা গেছে। তবে প্রকল্প পরিচালকের মতে, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণেই প্রকল্পটি সমস্যায় পড়েছে।
সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের জুলাই থেকে ২০১০ সালের জুন পর্যন্ত এই দুই বছর মেয়াদে ‘নেভিগেশন এইডস টু মংলা পোর্ট’ নামের এ প্রকল্প তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনুমোদন দেয়। মংলা পোর্টের পশুর চ্যানেলে দিন-রাত সব সময় সুষ্ঠু ও নিরাপদ নাব্যতায় জাহাজ চলাচলে বয়া স্থাপনের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। বিশেষ করে রাতের বেলায় জাহাজগুলোকে ফেয়ারওয়ে বয়াতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে এ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিল। তখন প্রকল্পটির ২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আর ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে জোগান দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন দেয়া হয়।
সূত্র জানায়, মংলা বন্দরটি ফেয়ারওয়ে বয়া থেকে প্রায় ১৩১ কিলোমিটার উজানে পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। এ দীর্ঘ চ্যানেলের কোথাও সরু, নাব্য কম, আবার বিভিন্ন জায়গার বাঁকে চ্যানেলে দিক-নির্দেশনার জন্য পর্যাপ্ত বয়া না থাকায় জাহাজ চলাচল যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে রাতের বেলায় কোনো জাহাজ চলতেই পারে না। যার কারণে দিনের বেলায় কোনো জাহাজ জেটিতে নোঙর করতে না পারলে ওই জাহাজটিকে পরের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এসব কারণে মংলা বন্দরে কোনো জাহাজ যেতে অনীহা প্রকাশ করে। ফলে বন্দরের সার্বিক কর্মকাণ্ড দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। এমতাবস্থায় দেশের অন্যতম এ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দরকে আরও গতিশীল করে দেশের আমদানি-রফতানিকে গতিশীল করার পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। ২০০৮ সালের ১৩ মে তত্কালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা প্রকল্পটি অনুমোদন দেন।
সূত্র জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়া পরিচালক প্রকল্পটির জন্য ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো দরপত্র আহ্বান করে কিন্তু টেন্ডার কমিটির স্বাক্ষর ছাড়া টেন্ডার চূড়ান্ত করায় ওই টেন্ডার বাতিল করা হয়। তাছাড়াও ওই টেন্ডারে প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত নীতিমালার (পিপিআর) স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটানোর কারণে টেন্ডারটি বাতিল করতে কমিটি বাধ্য হয় বলে কমিটির একজন সদস্য আইএমইডিকে জানিয়েছেন বলে জানা যায়।
পরে ২০০৯ সালের ১ জুলাই প্রকল্পটির জন্য দ্বিতীয় টেন্ডারের টিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অরূপ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে বাছাই করার পাশাপাশি ওই কোম্পানিকে কাজ দেয়ার সুপারিশ করে কমিটি কিন্তু প্রকল্প পরিচালক; ছোট কিছু জটিলতা দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটির দরপত্র বাতিল করেন। এরপর রুবেল ব্রাদার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে বাচাই করেন প্রকল্প পরিচালক; কিন্তু দরপত্র বাছাই কমিটি ওই কোম্পানির লাইসেন্স, অভিজ্ঞতা এবং আর্থিক লেনদেনের দলিল দেখতে চাইলে পরিচালক তা দেখাতে অস্বীকার করেন।
পরে দ্বিতীয় দরপত্র বাতিল না করে প্রকল্প পরিচালক গোপনে গত ১৩ মার্চ আবারও দরপত্র আহ্বান করেন। এ দরপত্রটি সম্পর্কে দরপত্র বাছাই কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে কিছুই জানানো হয়নি।
এদিকে দ্বিতীয় দরপত্র কমিটির বাছাই হওয়া অরূপ এন্টারপ্রাইজ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করে, টেন্ডার বাছাই কমিটি ওই কোম্পানিকে বাছাই করার পরও প্রকল্প পরিচালক তাকে কাজ না দিয়ে রুবেল ব্রাদার্সকে দিয়ে কাজ করাচ্ছে। তৃতীয় দরপত্র আহ্বান স্থগিত না করে গত ১ এপ্রিল দরপত্র খোলা কমিটি দিয়ে দরপত্র উন্মুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মেয়াদ গত জুন মাসে শেষ করার জন্য নির্ধারিত থাকায় সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প তদন্তকারী প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন, পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সহকারী পরিচালক সরেজমিন পরিদর্শনে যান। গত ২৬ মে তিনি মংলা বন্দরের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে কিছুই দেখতে না পেয়ে প্রকল্প পরিচালকের কাছে যান। পরিচালকের কাছে প্রকল্প সম্পর্কে তদন্ত কর্মকর্তা জানতে চাইলে তিনি তদন্ত কর্মকর্তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকায় ফিরে বিভাগীয় প্রধানের কাছে এ ঘটনা খুলে বললে আইএমইডির পক্ষ থেকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ে ওই প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়। এরই মধ্যে ওই পরিচালকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হবে না তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে দুই বছর মেয়াদে অনুমোদন পাওয়া ‘নেভিগেশন এইডস টু মংলা পোর্ট’ নামক এ প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও এ পর্যন্ত প্রকল্পটির কাজ শুরুই করেননি প্রকল্প পরিচালক। এমনকি প্রকল্পটির টেন্ডারিং পর্যন্ত সম্পন্ন করা হয়নি। তিনবার টেন্ডারিং করেও নিজের পছন্দের লোক কাজ না পেলে তিনি তা বাতিল করেন বলে জানা যায়। পরিচালক ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতাহীন এক পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কাজ করানো নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় প্রকল্পটি এখন একটি সমস্যাসঙ্কুল প্রকল্পের তালিকাভুক্ত হওয়ার দিকেই এগোচ্ছে। আইএমইডির অভিযোগ, মহাপ্রতাপশালী এ প্রকল্প পরিচালক একাই প্রকল্পটিকে সমস্যায় ফেললেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন তদারকি প্রতিষ্ঠান আইএমইডির পক্ষ থেকে দেশের আমদানি-রফতানির জন্য অতিগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পটি প্রয়োজনে এ পরিচালককে সরিয়ে মেয়াদ বাড়িয়ে আবার নতুন করে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করা হবে বলে জানা গেছে। তবে প্রকল্প পরিচালকের মতে, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণেই প্রকল্পটি সমস্যায় পড়েছে।
সূত্র জানায়, ২০০৮ সালের জুলাই থেকে ২০১০ সালের জুন পর্যন্ত এই দুই বছর মেয়াদে ‘নেভিগেশন এইডস টু মংলা পোর্ট’ নামের এ প্রকল্প তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনুমোদন দেয়। মংলা পোর্টের পশুর চ্যানেলে দিন-রাত সব সময় সুষ্ঠু ও নিরাপদ নাব্যতায় জাহাজ চলাচলে বয়া স্থাপনের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। বিশেষ করে রাতের বেলায় জাহাজগুলোকে ফেয়ারওয়ে বয়াতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে এ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিল। তখন প্রকল্পটির ২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আর ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে জোগান দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন দেয়া হয়।
সূত্র জানায়, মংলা বন্দরটি ফেয়ারওয়ে বয়া থেকে প্রায় ১৩১ কিলোমিটার উজানে পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। এ দীর্ঘ চ্যানেলের কোথাও সরু, নাব্য কম, আবার বিভিন্ন জায়গার বাঁকে চ্যানেলে দিক-নির্দেশনার জন্য পর্যাপ্ত বয়া না থাকায় জাহাজ চলাচল যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে রাতের বেলায় কোনো জাহাজ চলতেই পারে না। যার কারণে দিনের বেলায় কোনো জাহাজ জেটিতে নোঙর করতে না পারলে ওই জাহাজটিকে পরের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এসব কারণে মংলা বন্দরে কোনো জাহাজ যেতে অনীহা প্রকাশ করে। ফলে বন্দরের সার্বিক কর্মকাণ্ড দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। এমতাবস্থায় দেশের অন্যতম এ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দরকে আরও গতিশীল করে দেশের আমদানি-রফতানিকে গতিশীল করার পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। ২০০৮ সালের ১৩ মে তত্কালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা প্রকল্পটি অনুমোদন দেন।
সূত্র জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়া পরিচালক প্রকল্পটির জন্য ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো দরপত্র আহ্বান করে কিন্তু টেন্ডার কমিটির স্বাক্ষর ছাড়া টেন্ডার চূড়ান্ত করায় ওই টেন্ডার বাতিল করা হয়। তাছাড়াও ওই টেন্ডারে প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত নীতিমালার (পিপিআর) স্পষ্ট ব্যত্যয় ঘটানোর কারণে টেন্ডারটি বাতিল করতে কমিটি বাধ্য হয় বলে কমিটির একজন সদস্য আইএমইডিকে জানিয়েছেন বলে জানা যায়।
পরে ২০০৯ সালের ১ জুলাই প্রকল্পটির জন্য দ্বিতীয় টেন্ডারের টিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অরূপ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে বাছাই করার পাশাপাশি ওই কোম্পানিকে কাজ দেয়ার সুপারিশ করে কমিটি কিন্তু প্রকল্প পরিচালক; ছোট কিছু জটিলতা দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটির দরপত্র বাতিল করেন। এরপর রুবেল ব্রাদার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে বাচাই করেন প্রকল্প পরিচালক; কিন্তু দরপত্র বাছাই কমিটি ওই কোম্পানির লাইসেন্স, অভিজ্ঞতা এবং আর্থিক লেনদেনের দলিল দেখতে চাইলে পরিচালক তা দেখাতে অস্বীকার করেন।
পরে দ্বিতীয় দরপত্র বাতিল না করে প্রকল্প পরিচালক গোপনে গত ১৩ মার্চ আবারও দরপত্র আহ্বান করেন। এ দরপত্রটি সম্পর্কে দরপত্র বাছাই কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে কিছুই জানানো হয়নি।
এদিকে দ্বিতীয় দরপত্র কমিটির বাছাই হওয়া অরূপ এন্টারপ্রাইজ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করে, টেন্ডার বাছাই কমিটি ওই কোম্পানিকে বাছাই করার পরও প্রকল্প পরিচালক তাকে কাজ না দিয়ে রুবেল ব্রাদার্সকে দিয়ে কাজ করাচ্ছে। তৃতীয় দরপত্র আহ্বান স্থগিত না করে গত ১ এপ্রিল দরপত্র খোলা কমিটি দিয়ে দরপত্র উন্মুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মেয়াদ গত জুন মাসে শেষ করার জন্য নির্ধারিত থাকায় সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প তদন্তকারী প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন, পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সহকারী পরিচালক সরেজমিন পরিদর্শনে যান। গত ২৬ মে তিনি মংলা বন্দরের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে কিছুই দেখতে না পেয়ে প্রকল্প পরিচালকের কাছে যান। পরিচালকের কাছে প্রকল্প সম্পর্কে তদন্ত কর্মকর্তা জানতে চাইলে তিনি তদন্ত কর্মকর্তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকায় ফিরে বিভাগীয় প্রধানের কাছে এ ঘটনা খুলে বললে আইএমইডির পক্ষ থেকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ে ওই প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়। এরই মধ্যে ওই পরিচালকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হবে না তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


