সারাক্ষণ ব্যস্ত গাউছিয়া চাঁদনিচক
এমরানা আহমেদ
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী মার্কেট গাউছিয়া, চাঁদনী চক এবং নিউমার্কেট ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। মার্কেটগুলোর বিক্রেতারা এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গজ কাপড় থেকে শুরু করে থ্রিপিস, শাড়ি, পায়জামা, পাঞ্জাবি, বেডশিট, বেডকভার, পর্দার কাপড়, শো-পিস, ক্রোকারিজ আইটেম, গৃহসজ্জার ফার্নিচার যেমন—আলমিরা, টেবিল-চেয়ার, কর্নার শোকেস, টেলিভিশনের ট্রলি, গৃহসজ্জার সাজসরঞ্জাম, কাচের, স্টিলের, প্লাস্টিকের, পিতলের ও লোহা থেকে শুরু করে সব ধরনের পণ্যসামগ্রীই পাওয়া যায় এ মার্কেটগুলোতে। সব শ্রেণী এবং সব বয়সী ক্রেতার চাহিদা, রুচি ও পছন্দসই পণ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে এই তিনটি মার্কেটের প্রতিটি দোকান। চাঁদনী চক এবং নিউমার্কেটের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণ এবং রুপার দোকানও। ঐতিহ্যবাহী এই মার্কেটগুলোতে সারাবছর ক্রেতা সমাগম থাকে। তবে ঈদ এবং যে কোনো উত্সবে ক্রেতাদের উপস্থিত দুই থেকে তিনগুন বেড়ে যায়। এ মার্কেটগুলোর দোকানিদের মতোই ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা গেছে মার্কেটগুলোর সামনের ফুটপাতগুলোতেও। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে গিয়ে ফুটপাতের বিক্রেতাদের যেন কথা বলার ফুরসত নেই।
নিউমার্কেটের পাদুকালয় জুতার দোকানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ ক্রেতা আসেন। ঈদের আর মাত্র ৭ দিন বাকি। এ ৭ দিন তারা সারা বছরের কেনাকাটা করবেন। বিক্রেতা মো. আলম এবং জুয়েল জানান, এবছর ঈদে তাদের দোকানে বিক্রি ভালো। এবছর জুতার কালেকশনগুলোও ক্রেতারা পছন্দ করছেন। ক্রেতাদের চাপে তারা নিজেরা একটু বিশ্রাম নেয়ারও সময় পাচ্ছেন না। তবে এ ব্যস্ততায় তারা বেশ খুশি। কারণ ক্রেতা হলো দোকানের লক্ষ্মী। তবে বিদ্যুতের লোডশেডিং না থাকলে বিক্রি আরও বাড়ত বলে জানান বিক্রেতা মো. আলম। এছাড়াও এ মার্কেটে ইউনাইটেড সুজ, রাজধানী সুজসহ ২০ থেকে ২৫টি জুতার দোকান রয়েছে। সবগুলোতেই ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
এদিকে চাঁদনী চকের নিচতলায় পুরোটা জুড়ে রয়েছে বিশাল গজ কাপড়ের সম্ভার। দেশি তাঁতের হাতের কাজ থেকে শুরু করে এমব্রয়ডারি, ব্লক, বাটিক, ইন্ডিয়ান সিল্ক এবং কারচুপির কাজ করা জামার কাপড়, থ্রিপিস পাওয়া যায়। এখানে ৩০ টাকা গজের কাপড় থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা দামের গজের কাপড়ও পাওয়া যায়। আর থ্রিপিস ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। চাঁদনী চকের গজ কাপড়ের দোকানগুলোতে শুক্রবার গিয়ে দেখা গেল, বেশিরভাগ বিক্রেতা অলস সময় কাটাচ্ছেন। ক্রেতাদের ভিড় নেই কেন—প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতারা জানান, গজ কাপড়ের দোকানে শবেবরাতের ১৫ দিন আগে থেকে বিক্রি শুরু হয়ে যায়। এই বিক্রি ১৫ রোজা পর্যন্ত হয়ে শেষ হয়ে যায়। কারণ ১৫ রোজার পর থেকে দর্জিরা জামা বানানোর অর্ডার আর নেন না বলে ক্রেতারা রেডিমেড থ্রিপিস কেনেন বেশি। চাঁদনী চকের ফরহাদ টেক্সটাইলের গজ কাপড়ের দোকানে গিয়ে ক্রেতাদের বেশ ভিড় চোখে পড়ল। এই ভিড়ের কারণ জানতে চাইলে সেলসম্যান রাজু আহমেদ মিঠু এ প্রতিবেদককে জানান, এখন যেসব ক্রেতা গজ কাপড় এবং আনকমপ্লিট থ্রিপিস কিনছেন, সেসব ক্রেতা উপহার দেয়ার জন্য এবং নিজেরা বানাতে পারেন কিংবা পরিচিত দর্জি আছে—এমন ক্রেতা তা নিচ্ছেন।
চাঁদনী চক এবং নিউমার্কেটের ভেতর অবস্থিত স্বর্ণের দোকানগুলোর বিক্রেতাদের ক্রেতাবিহীন অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। তবে রুপার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের কিছুটা ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রুপার ভরি এখনও ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে রয়েছে বলে কিছু কিছু ক্রেতা থ্রিপিস এবং কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে রুপার সেট কেনেন। রুপার এন্টিক এবং কপার কালারটি চলে বেশি বলে জানান গহনা জুয়েলার্সের সেলসম্যান সজল কান্তি সাহা।
নিউমার্কেটের স্বর্ণা লেদার স্টোরে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। এখানে লেদারের ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। এ দোকানের ব্যাগগুলোর দাম ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। আজিমপুর থেকে আসা রিয়া তার নিজের এবং বোনের জন্য দুটি লেদারের ব্যাগ কিনেছেন ১ হাজার ৫শ’ টাকায়। গতবারের চেয়ে বিক্রি খারাপ বলে এ দোকানের সেলসম্যান তামিম জানান।
নিউমার্কেটের আজিজ ক্লথ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে সব বয়সী মেয়ের থ্রিপিস-টুপিস। এবছর চলছে বড়দের এবং ছোট্ট মেয়ে-বাচ্চাদের শাকিরা, মাসাক্কালি এবং ক্যাটরিনা ড্রেস। এগুলোর দাম ১ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত। তাছাড়াও সুতির ওপর হাতের কাজ করা নেট হাতাওয়ালা থ্রিপিসগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ দোকানে এবছর ঈদে ছেলেদের জন্য পাওয়া যাচ্ছে শেরওয়ানি স্টাইলের পাঞ্জাবি। এগুলোর দাম ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। ছেলে-বাচ্চাদের গেঞ্জিসেট, হাফশার্ট এবং প্যান্ট বেশি চলছে এবছর। এগুলোর দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও আজিজ ক্লথ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে লিপস্টিক, নেইল পলিস, ফেস পাউডারসহ কসমেটিকস আইটেম। ঈদ যত এগিয়ে আসছে, কসমেটিকসের দোকানে ভিড় ততই বাড়ছে। কিন্তু গতবছরের চেয়ে এবছর ঈদে তাদের দোকানে বিক্রি খারাপ বলে জানান সেলসম্যান নাবিদ ইকবাল সুমন।
গাউছিয়ার জামদানি স্টোর শাড়ি দোকানে ভিড় দেখা গেল। এ দোকানে ঢাকাই জামদানি এবং ইন্ডিয়ান পাথর চুমকির কাজ করা শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর দাম ১ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া গাউছিয়ার নিচতলায় বাচ্চাদের ড্রেসের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
গাউছিয়ার ইমন স্টোরে কথা হয় মিরপুর থেকে আসা ফারহান সাহেবের সঙ্গে। তিনি তার তিন বাচ্চার জন্য ঈদ কেনাকাটা করতে এসেছেন। মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যে সব জিনিস কেনা যায় বলে ফারহান সাহেব এখান থেকে পরিবারের সবার কেনাকাটা করবেন।
তবে সরেজমিন গাইছিয়া, চাঁদনী চক এবং নিউমার্কেটের দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত দু’তিন বছর ধরে ঈদের ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায় না। কারণ জানতে চাইলে দোকানিরা জানান, আগে মার্কেট কম ছিল। বর্তমানে ঘর থেকে বের হলেই বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল হয়েছে। বাসার কাছে প্রয়োজনীয় জিনিস পেলে ক্রেতারা বেশিদূর আসবেন কেন। ক্রেতা ভাগ হয়ে গেছে। সব শ্রেণীর ক্রেতার চাহিদা এবং উপযোগী মার্কেটগুলোর জনপ্রিয়তা হারানোরও আশঙ্কা করছেন মার্কেটগুলোর অনেক দোকান মালিক।
নিউমার্কেটের পাদুকালয় জুতার দোকানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ ক্রেতা আসেন। ঈদের আর মাত্র ৭ দিন বাকি। এ ৭ দিন তারা সারা বছরের কেনাকাটা করবেন। বিক্রেতা মো. আলম এবং জুয়েল জানান, এবছর ঈদে তাদের দোকানে বিক্রি ভালো। এবছর জুতার কালেকশনগুলোও ক্রেতারা পছন্দ করছেন। ক্রেতাদের চাপে তারা নিজেরা একটু বিশ্রাম নেয়ারও সময় পাচ্ছেন না। তবে এ ব্যস্ততায় তারা বেশ খুশি। কারণ ক্রেতা হলো দোকানের লক্ষ্মী। তবে বিদ্যুতের লোডশেডিং না থাকলে বিক্রি আরও বাড়ত বলে জানান বিক্রেতা মো. আলম। এছাড়াও এ মার্কেটে ইউনাইটেড সুজ, রাজধানী সুজসহ ২০ থেকে ২৫টি জুতার দোকান রয়েছে। সবগুলোতেই ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
এদিকে চাঁদনী চকের নিচতলায় পুরোটা জুড়ে রয়েছে বিশাল গজ কাপড়ের সম্ভার। দেশি তাঁতের হাতের কাজ থেকে শুরু করে এমব্রয়ডারি, ব্লক, বাটিক, ইন্ডিয়ান সিল্ক এবং কারচুপির কাজ করা জামার কাপড়, থ্রিপিস পাওয়া যায়। এখানে ৩০ টাকা গজের কাপড় থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা দামের গজের কাপড়ও পাওয়া যায়। আর থ্রিপিস ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। চাঁদনী চকের গজ কাপড়ের দোকানগুলোতে শুক্রবার গিয়ে দেখা গেল, বেশিরভাগ বিক্রেতা অলস সময় কাটাচ্ছেন। ক্রেতাদের ভিড় নেই কেন—প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতারা জানান, গজ কাপড়ের দোকানে শবেবরাতের ১৫ দিন আগে থেকে বিক্রি শুরু হয়ে যায়। এই বিক্রি ১৫ রোজা পর্যন্ত হয়ে শেষ হয়ে যায়। কারণ ১৫ রোজার পর থেকে দর্জিরা জামা বানানোর অর্ডার আর নেন না বলে ক্রেতারা রেডিমেড থ্রিপিস কেনেন বেশি। চাঁদনী চকের ফরহাদ টেক্সটাইলের গজ কাপড়ের দোকানে গিয়ে ক্রেতাদের বেশ ভিড় চোখে পড়ল। এই ভিড়ের কারণ জানতে চাইলে সেলসম্যান রাজু আহমেদ মিঠু এ প্রতিবেদককে জানান, এখন যেসব ক্রেতা গজ কাপড় এবং আনকমপ্লিট থ্রিপিস কিনছেন, সেসব ক্রেতা উপহার দেয়ার জন্য এবং নিজেরা বানাতে পারেন কিংবা পরিচিত দর্জি আছে—এমন ক্রেতা তা নিচ্ছেন।
চাঁদনী চক এবং নিউমার্কেটের ভেতর অবস্থিত স্বর্ণের দোকানগুলোর বিক্রেতাদের ক্রেতাবিহীন অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। তবে রুপার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের কিছুটা ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রুপার ভরি এখনও ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে রয়েছে বলে কিছু কিছু ক্রেতা থ্রিপিস এবং কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে রুপার সেট কেনেন। রুপার এন্টিক এবং কপার কালারটি চলে বেশি বলে জানান গহনা জুয়েলার্সের সেলসম্যান সজল কান্তি সাহা।
নিউমার্কেটের স্বর্ণা লেদার স্টোরে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। এখানে লেদারের ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। এ দোকানের ব্যাগগুলোর দাম ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। আজিমপুর থেকে আসা রিয়া তার নিজের এবং বোনের জন্য দুটি লেদারের ব্যাগ কিনেছেন ১ হাজার ৫শ’ টাকায়। গতবারের চেয়ে বিক্রি খারাপ বলে এ দোকানের সেলসম্যান তামিম জানান।
নিউমার্কেটের আজিজ ক্লথ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে সব বয়সী মেয়ের থ্রিপিস-টুপিস। এবছর চলছে বড়দের এবং ছোট্ট মেয়ে-বাচ্চাদের শাকিরা, মাসাক্কালি এবং ক্যাটরিনা ড্রেস। এগুলোর দাম ১ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত। তাছাড়াও সুতির ওপর হাতের কাজ করা নেট হাতাওয়ালা থ্রিপিসগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ দোকানে এবছর ঈদে ছেলেদের জন্য পাওয়া যাচ্ছে শেরওয়ানি স্টাইলের পাঞ্জাবি। এগুলোর দাম ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। ছেলে-বাচ্চাদের গেঞ্জিসেট, হাফশার্ট এবং প্যান্ট বেশি চলছে এবছর। এগুলোর দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও আজিজ ক্লথ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে লিপস্টিক, নেইল পলিস, ফেস পাউডারসহ কসমেটিকস আইটেম। ঈদ যত এগিয়ে আসছে, কসমেটিকসের দোকানে ভিড় ততই বাড়ছে। কিন্তু গতবছরের চেয়ে এবছর ঈদে তাদের দোকানে বিক্রি খারাপ বলে জানান সেলসম্যান নাবিদ ইকবাল সুমন।
গাউছিয়ার জামদানি স্টোর শাড়ি দোকানে ভিড় দেখা গেল। এ দোকানে ঢাকাই জামদানি এবং ইন্ডিয়ান পাথর চুমকির কাজ করা শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর দাম ১ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া গাউছিয়ার নিচতলায় বাচ্চাদের ড্রেসের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।
গাউছিয়ার ইমন স্টোরে কথা হয় মিরপুর থেকে আসা ফারহান সাহেবের সঙ্গে। তিনি তার তিন বাচ্চার জন্য ঈদ কেনাকাটা করতে এসেছেন। মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যে সব জিনিস কেনা যায় বলে ফারহান সাহেব এখান থেকে পরিবারের সবার কেনাকাটা করবেন।
তবে সরেজমিন গাইছিয়া, চাঁদনী চক এবং নিউমার্কেটের দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত দু’তিন বছর ধরে ঈদের ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায় না। কারণ জানতে চাইলে দোকানিরা জানান, আগে মার্কেট কম ছিল। বর্তমানে ঘর থেকে বের হলেই বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল হয়েছে। বাসার কাছে প্রয়োজনীয় জিনিস পেলে ক্রেতারা বেশিদূর আসবেন কেন। ক্রেতা ভাগ হয়ে গেছে। সব শ্রেণীর ক্রেতার চাহিদা এবং উপযোগী মার্কেটগুলোর জনপ্রিয়তা হারানোরও আশঙ্কা করছেন মার্কেটগুলোর অনেক দোকান মালিক।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


