পাকিস্তানে শিয়াদের সমাবেশে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৬১
ডেস্ক রিপোর্ট
পাকিস্তানের কোয়েটায় আল কুদস দিবসের সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৬১ জন নিহত ও ১৬০ জন আহত হয়েছে। এদিকে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত অঞ্চলে আহমদিয়াদের উপাসনালয়ের পাশে অপর আত্মঘাতী হামলায় নিহত হয়েছে দু’জন। রয়টার্স, এএফপি, বিবিসি, সিএনএন
ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির সরকার যখন হিমশিম খাচ্ছে ঠিক তখন এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটল। গত এক সপ্তাহে তিন দফা আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে সংখ্যালঘু শিয়া মুসলমান ও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর। গত বুধবার লাহোরে শিয়া মুসলমানদের এক শোভাযাত্রায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩৭ জন নিহত হওয়ার দু’দিন পরই দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা শহরে গতকাল শিয়া মুসলমানদের আল কুদস দিবসের মিছিলে আরেকটি আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়।
প্রতি বছর ইসরাইলি দখল থেকে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ মুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে আল কুদস দিবস পালিত হয়। সুন্নি মুসলমানরাও এ দিবসটি পালন করেন। গতকাল বিশেষ করে কোয়েটা শহরে শিয়া মুসলমানদের মিছিলে এই হামলা চালানো হয়।
কোয়েটা পুলিশ জানায়, মিছিলে এক মাঝবয়সী লোক হঠাত্ করে ঢুকে পড়ে এবং নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের পর আত্মঘাতীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই ৩৫টি মৃতদেহ পাওয়া যায়। আহত অনেককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আরও কয়েকজন মারা যায়। স্থানীয় ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। অনেকগুলো মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলও পড়ে থাকতে দেখা যায়। অ্যামবুলেন্সে করে আহতদের হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে ৬১ জন এবং আহত ১৬০। পুলিশ জানায়, বোমা হামলার ধরন দেখে মনে হচ্ছে তালেবান এই হামলা চালিয়েছে। এর দু’দিন আগে লাহোর হামলার দায়-দায়িত্ব তালেবান স্বীকার করেছিল।
এদিকে কোয়েটায় বোমা হামলার ঘণ্টাখানেক আগে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত অঞ্চলের মর্দান শহরে একটি আহমদিয়া উপাসনালয়ের পাশে এক আত্মঘাতী হামলায় আত্মঘাতী নিজে এবং এক পথচারী নিহত হয়। আহমদিয়া সম্প্রদায় নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করলেও তারা মহানবী (সা.)-কে শেষ নবী হিসেবে স্বীকার না করায় মুসলিম উম্মাহ তাদের অমুসলিম হিসেবে গণ্য করে। তবে তাদের উপাসনালয়ের পাশে আত্মঘাতী বোমা হামলা সাম্প্রদায়িক সংঘাত উসকে দেয়ার লক্ষ্যে চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানে এক সপ্তাহের মধ্যে উপর্যুপরি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর তিন-তিনবার বোমা হামলা থেকে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, একটি অদৃশ্য অপশক্তি চাচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তান সরকার ও জনগণ যখন হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক তখন দেশটিকে আরও অরাজক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়া। এ ব্যাপারে স্বয়ং শিয়া মুসলমানদের নেতা আল্লামা আব্বাস কুমাইলি এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাত্কারে বলেন, আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারছি পাকিস্তানের শিয়া এবং সুন্নি সম্প্রদায়কে একে অপরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়ার জন্য এই হামলা চালানো হচ্ছে।
ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির সরকার যখন হিমশিম খাচ্ছে ঠিক তখন এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটল। গত এক সপ্তাহে তিন দফা আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে সংখ্যালঘু শিয়া মুসলমান ও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর। গত বুধবার লাহোরে শিয়া মুসলমানদের এক শোভাযাত্রায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩৭ জন নিহত হওয়ার দু’দিন পরই দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা শহরে গতকাল শিয়া মুসলমানদের আল কুদস দিবসের মিছিলে আরেকটি আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়।
প্রতি বছর ইসরাইলি দখল থেকে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ মুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে আল কুদস দিবস পালিত হয়। সুন্নি মুসলমানরাও এ দিবসটি পালন করেন। গতকাল বিশেষ করে কোয়েটা শহরে শিয়া মুসলমানদের মিছিলে এই হামলা চালানো হয়।
কোয়েটা পুলিশ জানায়, মিছিলে এক মাঝবয়সী লোক হঠাত্ করে ঢুকে পড়ে এবং নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের পর আত্মঘাতীর খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই ৩৫টি মৃতদেহ পাওয়া যায়। আহত অনেককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আরও কয়েকজন মারা যায়। স্থানীয় ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। অনেকগুলো মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলও পড়ে থাকতে দেখা যায়। অ্যামবুলেন্সে করে আহতদের হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে ৬১ জন এবং আহত ১৬০। পুলিশ জানায়, বোমা হামলার ধরন দেখে মনে হচ্ছে তালেবান এই হামলা চালিয়েছে। এর দু’দিন আগে লাহোর হামলার দায়-দায়িত্ব তালেবান স্বীকার করেছিল।
এদিকে কোয়েটায় বোমা হামলার ঘণ্টাখানেক আগে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত অঞ্চলের মর্দান শহরে একটি আহমদিয়া উপাসনালয়ের পাশে এক আত্মঘাতী হামলায় আত্মঘাতী নিজে এবং এক পথচারী নিহত হয়। আহমদিয়া সম্প্রদায় নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করলেও তারা মহানবী (সা.)-কে শেষ নবী হিসেবে স্বীকার না করায় মুসলিম উম্মাহ তাদের অমুসলিম হিসেবে গণ্য করে। তবে তাদের উপাসনালয়ের পাশে আত্মঘাতী বোমা হামলা সাম্প্রদায়িক সংঘাত উসকে দেয়ার লক্ষ্যে চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানে এক সপ্তাহের মধ্যে উপর্যুপরি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর তিন-তিনবার বোমা হামলা থেকে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, একটি অদৃশ্য অপশক্তি চাচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তান সরকার ও জনগণ যখন হিমশিম খাচ্ছে, ঠিক তখন দেশটিকে আরও অরাজক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়া। এ ব্যাপারে স্বয়ং শিয়া মুসলমানদের নেতা আল্লামা আব্বাস কুমাইলি এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাত্কারে বলেন, আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারছি পাকিস্তানের শিয়া এবং সুন্নি সম্প্রদায়কে একে অপরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়ার জন্য এই হামলা চালানো হচ্ছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


