বিদ্যুত্ উত্পাদনে বেসরকারি উদ্যোক্তারা ব্যর্থ : অর্থমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
বিদ্যুত্ পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ার জন্য এবার বেসরকারি খাতের বিদ্যুত্ উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর দায় চাপালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয়ভাবে যাদের বিদ্যুত্ উত্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা অদক্ষ। তারা বিদ্যুত্ উত্পাদনে ব্যর্থ হচ্ছে। তাদের ব্যর্থতার কারণেই দেশে বিদ্যুত্ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না।
গতকাল শুক্রবার সচিবালয়ে পোশাক শিল্পে প্রণোদনা টাস্কফোর্সের সঙ্গে এক সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বিদ্যুত্ খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অদক্ষ উল্লেখ করে বলেন, অটবি, রহিম আফরোজসহ বিভিন্ন কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয়েও নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুত্ উত্পাদন করতে পারছে না।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন রফতানির অবস্থা খুবই ভালো। তবে বিদ্যুতের কারণে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যুত্ উত্পাদন বাড়াতে না পারলে নতুন শিল্পকারখানায় সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে না। এতে দেশে শিল্পের প্রসার ঘটবে না বলেও জানান তিনি।
সভায় বহির্বিশ্বে পোশাক শিল্পের বাজার সম্প্রসারণে নতুনভাবে ৫ শতাংশ হারে বাজার সহায়তা দেয়া, জেনারেটরের নাবায়ন ফি মওকুফ, শর্তসাপেক্ষে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এসএমই) ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদানের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে মুহিত বলেন, কিছুদিন আগে পোশাক শিল্পের মালিকরা দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়ে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছিল। সভায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রোববার এ নিয়ে সরকারি আদেশ জারি হবে। তাতে প্রণোদনার বিভিন্ন বিষয়ের বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, পোশাক শিল্পের নতুন বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে বাজার সহায়তা দেয়া হবে। যারা বন্ড ওয়্যারহাউস ও ডিডো (ডিউটি এক্সজাম্পশন এন্ড ড্র ব্যাক অফিস) সুবিধা পান তারা এ সহায়তা পাবেন না। এটা ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণ নিতে হলে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন পর্যন্ত সুদের হার হবে লাইবর (লন্ডন ইন্টারব্যাংক অফারড রেট)-এর সঙ্গে আরো ১ শতাংশ। আর এর বেশি হলে সুদের হার হবে লাইবর-এর সঙ্গে আরো ২.৫ শতাংশ।
এসএমই খাতে যারা স্থানীয় ভিত্তিতে উত্পাদন কাজ চালাবে তাদের ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেয়া হবে। এছাড়া ক্যাপটিভ জেনারেটরের নবায়ন ফি’র বিষয়টিরও সমাধান হয়েছে। মালিকদের এ ফি দিতে হবে না। প্রণোদনা প্যাকেজ থেকেই এ অর্থ পরিশোধ করা হবে বলে জানান মুহিত।
উল্লেখ্য, বিশ্বমন্দা মোকাবিলার জন্য সরকার গত বছরের ১৯ এপ্রিল ৩ হাজার ৪২৪ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। পোশাক খাতকে প্রাধান্য দিয়ে ওই বছরের নভেম্বর মাসে আরেকটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়; কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ প্যাকেজ বাস্তবায়ন না হওয়ায় পোশাক কারখানার মালিকরা অসন্তুষ্ট ছিলেন। গত ১৭ আগস্ট এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন।
গতকাল শুক্রবার সচিবালয়ে পোশাক শিল্পে প্রণোদনা টাস্কফোর্সের সঙ্গে এক সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে বিদ্যুত্ খাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অদক্ষ উল্লেখ করে বলেন, অটবি, রহিম আফরোজসহ বিভিন্ন কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয়েও নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুত্ উত্পাদন করতে পারছে না।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন রফতানির অবস্থা খুবই ভালো। তবে বিদ্যুতের কারণে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যুত্ উত্পাদন বাড়াতে না পারলে নতুন শিল্পকারখানায় সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে না। এতে দেশে শিল্পের প্রসার ঘটবে না বলেও জানান তিনি।
সভায় বহির্বিশ্বে পোশাক শিল্পের বাজার সম্প্রসারণে নতুনভাবে ৫ শতাংশ হারে বাজার সহায়তা দেয়া, জেনারেটরের নাবায়ন ফি মওকুফ, শর্তসাপেক্ষে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এসএমই) ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদানের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে মুহিত বলেন, কিছুদিন আগে পোশাক শিল্পের মালিকরা দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়ে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছিল। সভায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রোববার এ নিয়ে সরকারি আদেশ জারি হবে। তাতে প্রণোদনার বিভিন্ন বিষয়ের বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, পোশাক শিল্পের নতুন বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে বাজার সহায়তা দেয়া হবে। যারা বন্ড ওয়্যারহাউস ও ডিডো (ডিউটি এক্সজাম্পশন এন্ড ড্র ব্যাক অফিস) সুবিধা পান তারা এ সহায়তা পাবেন না। এটা ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণ নিতে হলে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন পর্যন্ত সুদের হার হবে লাইবর (লন্ডন ইন্টারব্যাংক অফারড রেট)-এর সঙ্গে আরো ১ শতাংশ। আর এর বেশি হলে সুদের হার হবে লাইবর-এর সঙ্গে আরো ২.৫ শতাংশ।
এসএমই খাতে যারা স্থানীয় ভিত্তিতে উত্পাদন কাজ চালাবে তাদের ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেয়া হবে। এছাড়া ক্যাপটিভ জেনারেটরের নবায়ন ফি’র বিষয়টিরও সমাধান হয়েছে। মালিকদের এ ফি দিতে হবে না। প্রণোদনা প্যাকেজ থেকেই এ অর্থ পরিশোধ করা হবে বলে জানান মুহিত।
উল্লেখ্য, বিশ্বমন্দা মোকাবিলার জন্য সরকার গত বছরের ১৯ এপ্রিল ৩ হাজার ৪২৪ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। পোশাক খাতকে প্রাধান্য দিয়ে ওই বছরের নভেম্বর মাসে আরেকটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়; কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ প্যাকেজ বাস্তবায়ন না হওয়ায় পোশাক কারখানার মালিকরা অসন্তুষ্ট ছিলেন। গত ১৭ আগস্ট এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


