ছুটির দিনে গোটা রাজধানী যেন ঈদের বাজার
দিলরুবা সুমী
ঈদের কেনাকাটা পুরোদমে জমে উঠেছে। গতকাল ছুটির দিনে গোটা রাজধানীই পরিণত হয়েছিল ঈদবাজারে। ছোট বড় সব মার্কেট, ফ্যাশন হাউস, পাড়ামহল্লায় গড়ে ওঠা কাপড়-কসমেটিকসের দোকান, ফুটপাত সবখানেই ছিল ক্রেতাদের ভিড়। মার্কেটের সামনের রাস্তায়, ফুটপাতে দেখা যায় কেনাকাটা করতে আসা মানুষের জোয়ার।
ঈদ আসতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। আগামী শুক্রবার ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী মঙ্গলবার ২৭ রমজান শবেকদরের ছুটি। এর একদিন পরেই শুরু হবে ঈদের ছুটি। তাই শবেকদরের ছুটিতেই স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাত্রা করবেন অনেকেই। এসব হিসাব-নিকাশে গতকাল ও আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কেনাকাটার সুযোগ পাচ্ছেন কর্মজীবীরা। এদিকে বেতন-বোনাসও পেয়ে গেছেন প্রায় সব চাকরিজীবী। সব কিছু মিলিয়ে গতকাল রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ছিল ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড়। ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ছি লেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ছিল বিপণি বিতানে ক্রেতাদের আনাগোনা। আর বেচাকেনা ভালো হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মুখেও ছিল সন্তুষ্টির হাসি। তারা জানান, এখন দেখাদেখির সময় শেষ। যারাই মার্কেটে আসছেন তারাই প্রয়োজনীয় জিনিসটি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে ক্রেতাদের নিয়ে আসা যানবাহনের ভিড়ে মার্কেটগুলোর সামনে ও আশপাশের এলাকায় দিনভরই লেগে ছিল কিছু না কিছু যানজট। তবে কমিউনিটি পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের তত্পরতায়
যানজট দীর্ঘস্থায়ী হয়নি কোথাও। বসুন্ধরা শপিংমল, কর্নফুলী গার্ডেন সিটি, টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাজা, রাপা প্লাজার মতো রাজধানীর শপিং সেন্টারগুলোতে লাইন ধরে ঢুকতে হয়েছে। বিভিন্ন মার্কেটের এস্কেলেটরগুলো দিনভরই মানুষে বোঝাই ছিল।
সকাল ১০টায় দোকান খোলার কথা থাকলেও অনেক ক্রেতা ভিড় এড়াতে নয়টার মধ্যেই মার্কেটে চলে যান। ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে সময়ের একটু আগেই দোকান খুলেছেন। এমনটাই জানালেন শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের কে-ক্রাফট শোরুমের বিক্রয় কর্মকর্তা শান্তা। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরেই ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় সাড়ে নয়টায় আমরা শোরুমে চলে আসি। এসে দেখি অনেক ক্রেতা মার্কেট খোলার আগেই বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।
দুপুর দুইটায় শান্তার সঙ্গে কথা বলার সময়ও কে-ক্রাফটের শোরুমটিতে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। মেয়েদের সালোয়ার-কামিজের কর্নারটিতে দাঁড়িয়ে হন্যে হয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত একটি ড্রেস খুঁজছিলেন এক মা ও তার মেয়ে। কিন্তু ড্রেসটি না পেয়ে বিক্রয় কর্মকর্তাদের কাছে তার হদিস জানতে চাইলেন। পরে জানতে পারলেন এ শোরুমে থাকা সেই থ্রিপিসগুলো এরই মধ্যেই বিক্রি হয়ে গেছে। বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে কে-ক্রাফটের শোরুমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একথা শুনে হতাশ হয়ে পড়েন মা-মেয়ে। এ অবস্থায় মা এ প্রতিনিধিকে বলেন, পত্রিকায় দেখে মেয়ে থ্রিপিস পছন্দ করেছে। তাই আজিমপুর থেকে কাছে হওয়ায় এ শোরুম থেকে সেটা কিনতে এসেছিলাম।
কথোপকথনের এ সময়ে মেয়ে অস্থির হয়ে ওঠে। মেয়ের পছন্দের সেই থ্রিপিস কিনে দিতে শেষে বাধ্য হয়ে বসুন্ধরার পথে রওনা হন মা।
আজিজ সুপার মার্কেটের অধিকাংশ শোরুমে দুপুর তিনটার সময়ই পা ফেলার জায়গা ছিল না। দেশাল, ফেরিঅলা, পঙিত, লাল সাদা নীল হলুদ, নিত্য উপহার, স্বপ্নবাজ, ইজিসহ বেশিরভাগ শোরুমে ঢোকাই যাচ্ছিল না। দোকানের ভিতর থেকে কেউ বের হলেই আরেকজন ঢোকার সুযোগ পাচ্ছিলেন। আজিজ সুপার মার্কেটের জনপ্রিয় কয়েকটি দেশি বুটিক হাউজের শোরুমের ক্যাশিয়ারদের ক্যাশমেমো তৈরিতে প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। একটি ক্যাশমেমো না লিখতেই দেখা যায় পিছনে আরও দু’তিনজন দাঁড়িয়ে পড়ছেন। এ মার্কেটের ক্রেতাদের অধিকাংশই তরুণ। মার্কেটের শোরুমগুলোতে টি-শার্ট, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, গেঞ্জি, থ্রি-পিসের কালেকশন বেশি।
কয়েকটি মার্কেট সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, শাড়ি, পাঞ্জাবি এবং নতুন কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা, ইমিটেশন গহনা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেই তুলনামূলক ভিড় বেশি। এ ধরনের পণ্যই বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরাও। দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোর কর্মকর্তা এবং মাঝারি ধরনের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, এক থেকে তিন হাজার টাকা দামের কাপড়গুলোর চাহিদাই বেশি। অভিজাত মার্কেটগুলোতে ছয় হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা দামের কাপড়ের ক্রেতা বেশি।
গুলশানের অভিজাত শপিং সেন্টার জারা ফ্যাশন মল লিমিটেডের সচিব শিশির আহমেদ বিকালে আমার দেশকে জানান, সকাল থেকেই মার্কেটে ভিড় শুরু হয়ে যায়। অন্যদিনের চেয়ে বিক্রিও ভালো হয়েছে। এখানে গতকাল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে শাড়ি ও পাঞ্জাবি।
একই কথা বলেন নয়াপল্টনে বিদেশি কাপড়ের পাইকারি মার্কেট গাজী ভবন শপিং সেন্টারের বুশরা এন্টারপ্রাইজের মালিক আহমেদুল কবীর জাকির। তিনি জানান, তাদের পাইকারি বিক্রি প্রায় শেষ। তবে খুচরা বিক্রি বেড়েছে। বাচ্চাদের চেয়ে এখন বড়দের কাপড়ের ক্রেতাই বেশি।
থান কাপড় ও সেলাইবিহীন থ্রিপিসের জন্য রাজধানীবাসীর জনপ্রিয় মার্কেট চাঁদনী চকে ক্রেতাদের ভিড় কাল তুলনামূলক অনেক কম ছিল। মার্কেটের বিক্রেতারা জানান, ঈদ কাছে চলে আসায় এখন দর্জিরা আর নতুন করে অর্ডার নিতে পারছেন না। এজন্য সেলাইবিহীন থ্রিপিসের চাহিদা এখন অনেকটাই কমে গেছে। তবে পাশের গাউছিয়া ও নিউমার্কেটে ভিড় ছিল চিরাচরিত রূপে। প্রচণ্ড চাপাচাপির মধ্যেই এ মার্কেট দুটিতে ঢুকতে হয়েছে। নীলক্ষেত থেকে শুরু করে সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও এ্যালিফেন্ট রোডের পুরো এলাকার সব রাস্তাতেই ছিল ক্রেতাদের মিছিল। মতিঝিল সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে শুরু করে পল্টন পর্যন্ত প্রায় পুরো এলাকার ফুটপাতেই বসেছিল ঈদের কাপড়, জুতা, কসমেটিকস, আতর, টুপিসহ হকাররা। তাদের ক্রেতাসংখ্যাও কম দেখা যায়নি।
ঈদ আসতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। আগামী শুক্রবার ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী মঙ্গলবার ২৭ রমজান শবেকদরের ছুটি। এর একদিন পরেই শুরু হবে ঈদের ছুটি। তাই শবেকদরের ছুটিতেই স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাত্রা করবেন অনেকেই। এসব হিসাব-নিকাশে গতকাল ও আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কেনাকাটার সুযোগ পাচ্ছেন কর্মজীবীরা। এদিকে বেতন-বোনাসও পেয়ে গেছেন প্রায় সব চাকরিজীবী। সব কিছু মিলিয়ে গতকাল রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ছিল ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড়। ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ছি লেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ছিল বিপণি বিতানে ক্রেতাদের আনাগোনা। আর বেচাকেনা ভালো হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মুখেও ছিল সন্তুষ্টির হাসি। তারা জানান, এখন দেখাদেখির সময় শেষ। যারাই মার্কেটে আসছেন তারাই প্রয়োজনীয় জিনিসটি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে ক্রেতাদের নিয়ে আসা যানবাহনের ভিড়ে মার্কেটগুলোর সামনে ও আশপাশের এলাকায় দিনভরই লেগে ছিল কিছু না কিছু যানজট। তবে কমিউনিটি পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের তত্পরতায়
যানজট দীর্ঘস্থায়ী হয়নি কোথাও। বসুন্ধরা শপিংমল, কর্নফুলী গার্ডেন সিটি, টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাজা, রাপা প্লাজার মতো রাজধানীর শপিং সেন্টারগুলোতে লাইন ধরে ঢুকতে হয়েছে। বিভিন্ন মার্কেটের এস্কেলেটরগুলো দিনভরই মানুষে বোঝাই ছিল।
সকাল ১০টায় দোকান খোলার কথা থাকলেও অনেক ক্রেতা ভিড় এড়াতে নয়টার মধ্যেই মার্কেটে চলে যান। ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে সময়ের একটু আগেই দোকান খুলেছেন। এমনটাই জানালেন শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের কে-ক্রাফট শোরুমের বিক্রয় কর্মকর্তা শান্তা। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরেই ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় সাড়ে নয়টায় আমরা শোরুমে চলে আসি। এসে দেখি অনেক ক্রেতা মার্কেট খোলার আগেই বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।
দুপুর দুইটায় শান্তার সঙ্গে কথা বলার সময়ও কে-ক্রাফটের শোরুমটিতে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। মেয়েদের সালোয়ার-কামিজের কর্নারটিতে দাঁড়িয়ে হন্যে হয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত একটি ড্রেস খুঁজছিলেন এক মা ও তার মেয়ে। কিন্তু ড্রেসটি না পেয়ে বিক্রয় কর্মকর্তাদের কাছে তার হদিস জানতে চাইলেন। পরে জানতে পারলেন এ শোরুমে থাকা সেই থ্রিপিসগুলো এরই মধ্যেই বিক্রি হয়ে গেছে। বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে কে-ক্রাফটের শোরুমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একথা শুনে হতাশ হয়ে পড়েন মা-মেয়ে। এ অবস্থায় মা এ প্রতিনিধিকে বলেন, পত্রিকায় দেখে মেয়ে থ্রিপিস পছন্দ করেছে। তাই আজিমপুর থেকে কাছে হওয়ায় এ শোরুম থেকে সেটা কিনতে এসেছিলাম।
কথোপকথনের এ সময়ে মেয়ে অস্থির হয়ে ওঠে। মেয়ের পছন্দের সেই থ্রিপিস কিনে দিতে শেষে বাধ্য হয়ে বসুন্ধরার পথে রওনা হন মা।
আজিজ সুপার মার্কেটের অধিকাংশ শোরুমে দুপুর তিনটার সময়ই পা ফেলার জায়গা ছিল না। দেশাল, ফেরিঅলা, পঙিত, লাল সাদা নীল হলুদ, নিত্য উপহার, স্বপ্নবাজ, ইজিসহ বেশিরভাগ শোরুমে ঢোকাই যাচ্ছিল না। দোকানের ভিতর থেকে কেউ বের হলেই আরেকজন ঢোকার সুযোগ পাচ্ছিলেন। আজিজ সুপার মার্কেটের জনপ্রিয় কয়েকটি দেশি বুটিক হাউজের শোরুমের ক্যাশিয়ারদের ক্যাশমেমো তৈরিতে প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। একটি ক্যাশমেমো না লিখতেই দেখা যায় পিছনে আরও দু’তিনজন দাঁড়িয়ে পড়ছেন। এ মার্কেটের ক্রেতাদের অধিকাংশই তরুণ। মার্কেটের শোরুমগুলোতে টি-শার্ট, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, গেঞ্জি, থ্রি-পিসের কালেকশন বেশি।
কয়েকটি মার্কেট সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, শাড়ি, পাঞ্জাবি এবং নতুন কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা, ইমিটেশন গহনা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেই তুলনামূলক ভিড় বেশি। এ ধরনের পণ্যই বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরাও। দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোর কর্মকর্তা এবং মাঝারি ধরনের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, এক থেকে তিন হাজার টাকা দামের কাপড়গুলোর চাহিদাই বেশি। অভিজাত মার্কেটগুলোতে ছয় হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা দামের কাপড়ের ক্রেতা বেশি।
গুলশানের অভিজাত শপিং সেন্টার জারা ফ্যাশন মল লিমিটেডের সচিব শিশির আহমেদ বিকালে আমার দেশকে জানান, সকাল থেকেই মার্কেটে ভিড় শুরু হয়ে যায়। অন্যদিনের চেয়ে বিক্রিও ভালো হয়েছে। এখানে গতকাল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে শাড়ি ও পাঞ্জাবি।
একই কথা বলেন নয়াপল্টনে বিদেশি কাপড়ের পাইকারি মার্কেট গাজী ভবন শপিং সেন্টারের বুশরা এন্টারপ্রাইজের মালিক আহমেদুল কবীর জাকির। তিনি জানান, তাদের পাইকারি বিক্রি প্রায় শেষ। তবে খুচরা বিক্রি বেড়েছে। বাচ্চাদের চেয়ে এখন বড়দের কাপড়ের ক্রেতাই বেশি।
থান কাপড় ও সেলাইবিহীন থ্রিপিসের জন্য রাজধানীবাসীর জনপ্রিয় মার্কেট চাঁদনী চকে ক্রেতাদের ভিড় কাল তুলনামূলক অনেক কম ছিল। মার্কেটের বিক্রেতারা জানান, ঈদ কাছে চলে আসায় এখন দর্জিরা আর নতুন করে অর্ডার নিতে পারছেন না। এজন্য সেলাইবিহীন থ্রিপিসের চাহিদা এখন অনেকটাই কমে গেছে। তবে পাশের গাউছিয়া ও নিউমার্কেটে ভিড় ছিল চিরাচরিত রূপে। প্রচণ্ড চাপাচাপির মধ্যেই এ মার্কেট দুটিতে ঢুকতে হয়েছে। নীলক্ষেত থেকে শুরু করে সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও এ্যালিফেন্ট রোডের পুরো এলাকার সব রাস্তাতেই ছিল ক্রেতাদের মিছিল। মতিঝিল সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে শুরু করে পল্টন পর্যন্ত প্রায় পুরো এলাকার ফুটপাতেই বসেছিল ঈদের কাপড়, জুতা, কসমেটিকস, আতর, টুপিসহ হকাররা। তাদের ক্রেতাসংখ্যাও কম দেখা যায়নি।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


