জুমা নামাজে মসজিদে মুসল্লির উপচেপড়া ভিড়
স্টাফ রিপোর্টার
যথাযথ মর্যাদা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গতকাল জুমার নামাজ আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। গতকালের এই জুমার নামাজকে রমজান মাসের শেষ জুমা তথা জুমাতুল বিদা হিসেবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ এবার রমজান মাস ২৯ দিন হলে আগামী শুক্রবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে। সেক্ষেত্রে গতকালই ছিল জুমাতুল বিদা। তবে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হলে আগামী শুক্রবার জুমাতুল বিদা হিসেবে আদায় করবেন মুসল্লিরা।
ইসলামী রীতি অনুযায়ী মুসলমানদের কাছে জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর রমজান মাসের শেষ জুমার নামাজ তথা জুমাতুল বিদা বিশেষ গুরুত্বসহকারে আদায় করেন সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমান। শারীরিকভাবে সক্ষম মুসলমানরা বিশেষ সওয়াব লাভের আশায় জুমাতুল বিদায় অংশ নেন। বস্তুত জুমাতুল বিদার মধ্য দিয়ে পবিত্র রমজানকে বিদায় জানানো হয়। এদিনের খুতবায় উচ্চারিত হয় ‘আল বিদা, আল বিদা, ইয়া শাহরু রামাজান’। অর্থাত্ বিদায় বিদায় হে মাহে রমজান। গতকাল সম্ভাব্য জুমাতুল বিদা হওয়ায় রাজধানীসহ সারাদেশের মসজিদগুলোতে ছিল মুসল্লির উপচেপড়া ভিড়। বিশেষ করে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ রাজধানীর প্রায় সব মসজিদেই মুসল্লির সমাগম ছিল বেশি। অধিকাংশ মসজিদেই জায়গা না পেয়ে রাস্তা কিংবা খোলা জায়গায় নামাজ পড়েছেন মুসল্লিরা। মসজিদগুলোতে খতিবরা বিশেষ খুতবা প্রদান এবং দোয়া ও মোনাজাত করেন। খুতবায় জুমাতুল বিদার গুরুত্ব ছাড়াও পবিত্র লাইলাতুল কদরের তাত্পর্য, জাকাত, ফিতরা এবং ঈদুল ফিতরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
গতকাল জুমার নামাজের আজানের অনেক আগে থেকেই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মুসল্লি সমাগম শুরু হয়। আজানের পরপরই মুসল্লিতে ভরে যায় মসজিদ। একপর্যায়ে মসজিদে যায়গা না পেয়ে পাশের খালি জায়গা এবং রাস্তার ওপর নামাজে দাঁড়িয়ে যান অনেকেই। এ মসজিদে খুতবা প্রদান ও নামাজের ইমামতি করেন খতিব অধ্যাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। তিনি গতকালের জুমাকে সম্ভাব্য জুমাতুল বিদা হিসেবে আখ্যায়িত করে সেভাবে খুতবা প্রদান করেন। এছাড়া শবেকদরের তাত্পর্য ও জাকাত-ফিতরা সম্পর্কেও আলোচনা করেন। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহ এবং দেশ-জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ইসলামী রীতি অনুযায়ী মুসলমানদের কাছে জুমার নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর রমজান মাসের শেষ জুমার নামাজ তথা জুমাতুল বিদা বিশেষ গুরুত্বসহকারে আদায় করেন সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমান। শারীরিকভাবে সক্ষম মুসলমানরা বিশেষ সওয়াব লাভের আশায় জুমাতুল বিদায় অংশ নেন। বস্তুত জুমাতুল বিদার মধ্য দিয়ে পবিত্র রমজানকে বিদায় জানানো হয়। এদিনের খুতবায় উচ্চারিত হয় ‘আল বিদা, আল বিদা, ইয়া শাহরু রামাজান’। অর্থাত্ বিদায় বিদায় হে মাহে রমজান। গতকাল সম্ভাব্য জুমাতুল বিদা হওয়ায় রাজধানীসহ সারাদেশের মসজিদগুলোতে ছিল মুসল্লির উপচেপড়া ভিড়। বিশেষ করে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ রাজধানীর প্রায় সব মসজিদেই মুসল্লির সমাগম ছিল বেশি। অধিকাংশ মসজিদেই জায়গা না পেয়ে রাস্তা কিংবা খোলা জায়গায় নামাজ পড়েছেন মুসল্লিরা। মসজিদগুলোতে খতিবরা বিশেষ খুতবা প্রদান এবং দোয়া ও মোনাজাত করেন। খুতবায় জুমাতুল বিদার গুরুত্ব ছাড়াও পবিত্র লাইলাতুল কদরের তাত্পর্য, জাকাত, ফিতরা এবং ঈদুল ফিতরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
গতকাল জুমার নামাজের আজানের অনেক আগে থেকেই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মুসল্লি সমাগম শুরু হয়। আজানের পরপরই মুসল্লিতে ভরে যায় মসজিদ। একপর্যায়ে মসজিদে যায়গা না পেয়ে পাশের খালি জায়গা এবং রাস্তার ওপর নামাজে দাঁড়িয়ে যান অনেকেই। এ মসজিদে খুতবা প্রদান ও নামাজের ইমামতি করেন খতিব অধ্যাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। তিনি গতকালের জুমাকে সম্ভাব্য জুমাতুল বিদা হিসেবে আখ্যায়িত করে সেভাবে খুতবা প্রদান করেন। এছাড়া শবেকদরের তাত্পর্য ও জাকাত-ফিতরা সম্পর্কেও আলোচনা করেন। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহ এবং দেশ-জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


