২১ আগস্টের ঘটনায় তারেক রহমানকে জড়ানোর চেষ্টা চলছে : মির্জা আলমগীর
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
তারেক রহমানের দ্বিতীয় কারামুক্তি বর্ষপূর্তির আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১/১১’র প্রধান শিকার হয়েছিলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রেরও টার্গেট হয়েছিলেন। তথাকথিত ওই অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধেও কাজ করেছে। তিনি বলেন, বর্তমানেও তারেক রহমানকে নিয়ে আবার নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ২১ আগস্টের ঘটনায় তারেক রহমানকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ষড়যন্ত্র যতই হোক, মিথ্যা দিয়ে সত্যকে ঢাকা যাবে না।
‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফর ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’-এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর নীলক্ষেতে আইসিএমএ অডিটরিয়ামে গতকাল এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আ.ফ.ম. ইউসুফ হায়দারের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ। এছাড়া বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাজমেরী এসএ ইসলাম, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান চৌধুরী, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল বাশার, অধ্যাপক আবদুল আজিজ, অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সাত্তার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এম ফরিদ আহমদ, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান, অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত, অধ্যাপক তাহমিনা আখতার, মো. লুত্ফর রহমান প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী।
মির্জা আলমগীর বলেন, অনেকে ধারণা করেন যে, বিএনপির ভুলত্রুটির কারণেই ১/১১’র সরকার এসেছিল। আসলে তা সঠিক নয়। ২০০১ সালে যখন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসে, তখনই এ ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। তারই ফলশ্রুতিতে যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে, তাদের নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তিনি সরকারদলীয় মন্ত্রী ও নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, এখন যারা জিয়াউর রহমানকে খাটো করতে চান, তাদের উদ্দেশ করে বলতে চাই—দেশের স্বাধীনতা ও দেশ রক্ষায় যে রাজনৈতিক নেতা নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, সে সময়ে একজন সেনানায়ক হিসেবে দেশকে রক্ষা করেছিলেন জিয়াউর রহমানই। সঙ্কটকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন জিয়াউর রহমান। তারেক রহমান সেই যোগ্য বাবারই সন্তান। যিনি তার আদর্শ ও দর্শনের ধারক। কখন তারেক রহমান বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন—আমরা সে অপেক্ষায়ই আছি। দেশের বর্তমান দ্রব্যমূল্য, গ্যাস ও বিদ্যুত্ সঙ্কট সম্পর্কে তিনি বলেন, জিনিসপত্রের দাম নাগালের বাইরে চলে গেছে। মানুষ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুত্ পাচ্ছে না। সংবিধান সংশোধনী সম্পর্কে তিনি বলেন, আজকে যারা পঞ্চম সংশোধনী নিয়ে কথা বলছেন, তাদের জানা উচিত চতুর্থ সংশোধনীতে যে একনায়কতন্ত্র করা হয়েছিল, সেখান থেকে দেশকে উদ্ধার করতেই পঞ্চম সংশোধনী হয়েছিল।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা যদি বাংলাদেশের ৬০ বছর আগের ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করি, তাহলে আমাদের যত অর্জন তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের মাধ্যমেই হয়েছে। জাতির ক্রান্তিকালে শিক্ষক ও ছাত্ররাই এগিয়ে এসেছেন, পাশে দাঁড়িয়েছেন, সমস্যার সমাধান করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ অন্ধকারে আছে। এখন বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে শিক্ষকদের চিন্তা-ভাবনা আরও প্রখর হতে হবে। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মধ্যেই এ চিন্তা-ভাবনার ক্ষেত্র সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এজন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, অনগ্রসর জাতিকে কীভাবে অগ্রসরের দিকে নিতে হয়—এ চিন্তা কেবল জিয়াউর রহমানই করেছিলেন। আর তারেক রহমান তার বাবার কাছ থেকেই প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছিলেন।
অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। এর সূচনা ২০০১ সাল থেকে শুরু হয়েছে। তখন বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে জিয়াউর রহমানের যে চেতনা ছিল, তা ষড়যন্ত্র করে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। যার ফলেই ১/১১ হয়েছে। তারেক রহমানের মুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, তারেক রহমানকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হলেও তিনি মুক্ত নন। তার মুক্তির জন্য গণআন্দোলন করতে হবে। গণআন্দোলনের মুখে তার বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র উড়ে যাবে। তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়েছিল। সেই মামলা যদি চলতে থাকত, তাহলে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড হতো। গণআন্দোলনের ফলে তখনকার পাকিস্তান সরকার সে মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছিল। আর তারেক রহমানের ক্ষেত্রেও গণআন্দোলন শুরু করতে হবে। তাহলে এই গণআন্দোলনের মুখে সরকার তার ওপর মামলা প্রত্যাহার ও ষড়যন্ত্র থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হবে। সব ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে তিনি আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এখন আমরা প্রায় সবকিছু হারাতে যাচ্ছি। আমাদের সীমান্ত, করিডোর, ট্রানজিট, বাণিজ্য, তেল, গ্যাস সবকিছু চলে যাচ্ছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে। শিক্ষিত ও সচেতনদের উচিত ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে বোঝানো ও সচেতন করে তোলা।
‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফর ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’-এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর নীলক্ষেতে আইসিএমএ অডিটরিয়ামে গতকাল এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আ.ফ.ম. ইউসুফ হায়দারের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ। এছাড়া বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাজমেরী এসএ ইসলাম, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান চৌধুরী, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল বাশার, অধ্যাপক আবদুল আজিজ, অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সাত্তার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এম ফরিদ আহমদ, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান, অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত, অধ্যাপক তাহমিনা আখতার, মো. লুত্ফর রহমান প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী।
মির্জা আলমগীর বলেন, অনেকে ধারণা করেন যে, বিএনপির ভুলত্রুটির কারণেই ১/১১’র সরকার এসেছিল। আসলে তা সঠিক নয়। ২০০১ সালে যখন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসে, তখনই এ ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। তারই ফলশ্রুতিতে যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে, তাদের নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তিনি সরকারদলীয় মন্ত্রী ও নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, এখন যারা জিয়াউর রহমানকে খাটো করতে চান, তাদের উদ্দেশ করে বলতে চাই—দেশের স্বাধীনতা ও দেশ রক্ষায় যে রাজনৈতিক নেতা নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, সে সময়ে একজন সেনানায়ক হিসেবে দেশকে রক্ষা করেছিলেন জিয়াউর রহমানই। সঙ্কটকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন জিয়াউর রহমান। তারেক রহমান সেই যোগ্য বাবারই সন্তান। যিনি তার আদর্শ ও দর্শনের ধারক। কখন তারেক রহমান বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন—আমরা সে অপেক্ষায়ই আছি। দেশের বর্তমান দ্রব্যমূল্য, গ্যাস ও বিদ্যুত্ সঙ্কট সম্পর্কে তিনি বলেন, জিনিসপত্রের দাম নাগালের বাইরে চলে গেছে। মানুষ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুত্ পাচ্ছে না। সংবিধান সংশোধনী সম্পর্কে তিনি বলেন, আজকে যারা পঞ্চম সংশোধনী নিয়ে কথা বলছেন, তাদের জানা উচিত চতুর্থ সংশোধনীতে যে একনায়কতন্ত্র করা হয়েছিল, সেখান থেকে দেশকে উদ্ধার করতেই পঞ্চম সংশোধনী হয়েছিল।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা যদি বাংলাদেশের ৬০ বছর আগের ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করি, তাহলে আমাদের যত অর্জন তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের মাধ্যমেই হয়েছে। জাতির ক্রান্তিকালে শিক্ষক ও ছাত্ররাই এগিয়ে এসেছেন, পাশে দাঁড়িয়েছেন, সমস্যার সমাধান করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ অন্ধকারে আছে। এখন বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে শিক্ষকদের চিন্তা-ভাবনা আরও প্রখর হতে হবে। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মধ্যেই এ চিন্তা-ভাবনার ক্ষেত্র সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এজন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, অনগ্রসর জাতিকে কীভাবে অগ্রসরের দিকে নিতে হয়—এ চিন্তা কেবল জিয়াউর রহমানই করেছিলেন। আর তারেক রহমান তার বাবার কাছ থেকেই প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছিলেন।
অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। এর সূচনা ২০০১ সাল থেকে শুরু হয়েছে। তখন বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে জিয়াউর রহমানের যে চেতনা ছিল, তা ষড়যন্ত্র করে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। যার ফলেই ১/১১ হয়েছে। তারেক রহমানের মুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, তারেক রহমানকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হলেও তিনি মুক্ত নন। তার মুক্তির জন্য গণআন্দোলন করতে হবে। গণআন্দোলনের মুখে তার বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র উড়ে যাবে। তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়েছিল। সেই মামলা যদি চলতে থাকত, তাহলে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড হতো। গণআন্দোলনের ফলে তখনকার পাকিস্তান সরকার সে মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছিল। আর তারেক রহমানের ক্ষেত্রেও গণআন্দোলন শুরু করতে হবে। তাহলে এই গণআন্দোলনের মুখে সরকার তার ওপর মামলা প্রত্যাহার ও ষড়যন্ত্র থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হবে। সব ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে তিনি আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এখন আমরা প্রায় সবকিছু হারাতে যাচ্ছি। আমাদের সীমান্ত, করিডোর, ট্রানজিট, বাণিজ্য, তেল, গ্যাস সবকিছু চলে যাচ্ছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে। শিক্ষিত ও সচেতনদের উচিত ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে বোঝানো ও সচেতন করে তোলা।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


