ট্রেন দেরিতে ছাড়ায় দুর্ভোগ বাস ও লঞ্চে বাড়তি ভিড়
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর গোধূলিসহ কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে স্টেশনে পৌঁছানো ও বিলম্বে ছাড়ার কারণে ঈদে ঘরমুখো মানুষকে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। গতকাল সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির কারণে গোধূলি ট্রেনে বাড়তি চাপ ছিল। তার ওপর ছিল ঘরমুখী মানুষের ভিড়। এছাড়া সিলেটগামী পারাবত, শান্তাহারগামী ও লালমনিরহাটগামী করতোয়া এক্সপ্রেস ও তারাকান্দিগামী যুমনা এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের চাইতে দেড়-দুই ঘণ্টা দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায় ও ছেড়ে যায়। ফলে বেশ দুর্ভোগে পড়ে মানুষ।
এই সপ্তাহের শেষে ঈদ। তাই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। বিশেষ করে ঈদের ভিড়বাট্টা মাথায় রেখে পরিবার পরিজন আগেই পাঠিয়ে দিচ্ছেন অনেকে। তাই ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া ট্রেন, লঞ্চ ও বাসে গতকাল ছিল অতিরিক্ত ভিড়। এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটিসহ বিভিন্ন কারণে বাস ও লঞ্চ গন্তব্যে পৌঁছা ও ছেড়ে যাওয়ার কারণে যাত্রীদের অনেক বেশি সময় টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হয়েছে। গতকাল রেলওয়ে পুলিশের কমলাপুর থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বলেন, গতকালের নির্ধারিত সবগুলো ট্রেনই কমলাপুর থেকে ছেড়ে গেছে। তবে আপ-ডাউনের কারণে গোধূলিসহ দুয়েকটি ট্রেনে একটু বিলম্ব হয়েছে। এতে বড় ধরনের কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি আরও জানান, নৌপথ কিংবা সড়কে কোনো ধরনের দুর্ঘটনার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রামগামী যাত্রী শহীদুর রহমান টিটো বলেন, তিনি মহানগর গোধূলির টিকিট করেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে স্টেশনে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে এসে পৌঁছায়। পরে সান্টিংসহ, পরিচ্ছন্নতা ও আনুষঙ্গিক সার্ভিসিং শেষে প্রায় দেড়-দুই ঘণ্টা পরে ট্রেনটি ছেড়েছে। গতকাল বিকালে কমলাপুর স্টেশনে ঘরমুখী হাজার হাজার মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
এদিকে সদরঘাট টার্মিনালে গতকাল ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়। কাঙ্ক্ষিত রুটের লঞ্চগুলোতে অনেকে জায়গা না পেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে লঞ্চে উঠেছেন। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, সদরঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার পরও লঞ্চগুলো পাগলা, কাঠপট্টি ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আরও যাত্রী তোলে। এমনকি নদীর মাঝখানেও ট্রলার নৌকা থেকে শতশত যাত্রী লঞ্চে ওঠেন। যার কারণে লঞ্চগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।
এছাড়া গতকাল গাবতলী, সায়েদাবাদ, ফুলবাড়িয়া ও মহাখালী টার্মিনালেও ঘরমুখী মানুষের অতিরিক্ত চাপ ছিল। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যানজটও হয়েছে বেশ। ফলে নারী-শিশুসহ ঘরমুখী মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সড়কে বেপরোয়া ওভারটেকিং, রংসাইড দিয়ে গাড়ি চালানো রোধ, ছাদে যাত্রীবহন নিষিদ্ধ, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট রোধে তারা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। যানবাহনের চাপ বাড়ায় যানজট কিছুটা বেড়েছে স্বীকার করে হাইওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, চালকরা সচেতনভাবে গাড়ি চালালে এবং রংসাইড দিয়ে গাড়ি না চালালে এবং বাম লেন বন্ধ না করলে হাইওয়েতে যানজট অনেকটা কমে আসবে। এক্ষেত্রে চালকদের সচেতনতা দরকার। পাশাপাশি যাত্রীদেরও উচিত সাময়িক স্বার্থ না দেখে বৃহত্তর স্বার্থ চিন্তা করা। অর্থাত্ চালকদেরকে রং সাইড দিয়ে যেতে উত্সাহ না দিয়ে নিষেধ করা। এতে যানজট কিছুটা কমে আসবে।
এই সপ্তাহের শেষে ঈদ। তাই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। বিশেষ করে ঈদের ভিড়বাট্টা মাথায় রেখে পরিবার পরিজন আগেই পাঠিয়ে দিচ্ছেন অনেকে। তাই ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া ট্রেন, লঞ্চ ও বাসে গতকাল ছিল অতিরিক্ত ভিড়। এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটিসহ বিভিন্ন কারণে বাস ও লঞ্চ গন্তব্যে পৌঁছা ও ছেড়ে যাওয়ার কারণে যাত্রীদের অনেক বেশি সময় টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হয়েছে। গতকাল রেলওয়ে পুলিশের কমলাপুর থানার উপ-পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বলেন, গতকালের নির্ধারিত সবগুলো ট্রেনই কমলাপুর থেকে ছেড়ে গেছে। তবে আপ-ডাউনের কারণে গোধূলিসহ দুয়েকটি ট্রেনে একটু বিলম্ব হয়েছে। এতে বড় ধরনের কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি আরও জানান, নৌপথ কিংবা সড়কে কোনো ধরনের দুর্ঘটনার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রামগামী যাত্রী শহীদুর রহমান টিটো বলেন, তিনি মহানগর গোধূলির টিকিট করেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে স্টেশনে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে এসে পৌঁছায়। পরে সান্টিংসহ, পরিচ্ছন্নতা ও আনুষঙ্গিক সার্ভিসিং শেষে প্রায় দেড়-দুই ঘণ্টা পরে ট্রেনটি ছেড়েছে। গতকাল বিকালে কমলাপুর স্টেশনে ঘরমুখী হাজার হাজার মানুষের ভিড় দেখা গেছে।
এদিকে সদরঘাট টার্মিনালে গতকাল ছিল মানুষের উপচেপড়া ভিড়। কাঙ্ক্ষিত রুটের লঞ্চগুলোতে অনেকে জায়গা না পেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে লঞ্চে উঠেছেন। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, সদরঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার পরও লঞ্চগুলো পাগলা, কাঠপট্টি ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আরও যাত্রী তোলে। এমনকি নদীর মাঝখানেও ট্রলার নৌকা থেকে শতশত যাত্রী লঞ্চে ওঠেন। যার কারণে লঞ্চগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।
এছাড়া গতকাল গাবতলী, সায়েদাবাদ, ফুলবাড়িয়া ও মহাখালী টার্মিনালেও ঘরমুখী মানুষের অতিরিক্ত চাপ ছিল। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যানজটও হয়েছে বেশ। ফলে নারী-শিশুসহ ঘরমুখী মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সড়কে বেপরোয়া ওভারটেকিং, রংসাইড দিয়ে গাড়ি চালানো রোধ, ছাদে যাত্রীবহন নিষিদ্ধ, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট রোধে তারা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। যানবাহনের চাপ বাড়ায় যানজট কিছুটা বেড়েছে স্বীকার করে হাইওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, চালকরা সচেতনভাবে গাড়ি চালালে এবং রংসাইড দিয়ে গাড়ি না চালালে এবং বাম লেন বন্ধ না করলে হাইওয়েতে যানজট অনেকটা কমে আসবে। এক্ষেত্রে চালকদের সচেতনতা দরকার। পাশাপাশি যাত্রীদেরও উচিত সাময়িক স্বার্থ না দেখে বৃহত্তর স্বার্থ চিন্তা করা। অর্থাত্ চালকদেরকে রং সাইড দিয়ে যেতে উত্সাহ না দিয়ে নিষেধ করা। এতে যানজট কিছুটা কমে আসবে।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


