নেতানিয়াহু-আব্বাস নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত : বড় ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হলো শান্তি আলোচনা
রয়টার্স, এএফপি, বিবিসি অনলাইন
বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনা। তবে একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির কাঠামো স্থাপন ও নিয়মিত শান্তি চুক্তি আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। উভয় নেতা আগামী ১৪ এবং ১৫ সেপ্টেম্বর আলোচনায় বসবেন বলে জানিয়েছেন। এরপর থেকে নিয়মিতভাবে প্রতি দুই সপ্তাহে একবার আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন তারা। তবে বৈঠক ঠিক কোথায় হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মিসরের প্রেসিডেন্ট পরবর্তী আলোচনা তার দেশে আয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন।
পরে এক সংবাদ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জর্জ মিচেল বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। তবে স্থায়ী চুক্তির বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২০ মাস পর ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের নেতাদের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার সরাসরি শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের শীর্ষ দুই নেতা শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকতার পরিচয় দেয়ার অঙ্গীকার করে এ আলোচনা শুরু করেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, এই বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, আরব-ইসরাইল শান্তি চুক্তি নিশ্চিত করার বিষটি তার বৈদেশিক নীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ফিলিস্তিনের নেতা মাহমুদ আব্বাসের মধ্যে সম্পন্ন এ আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক কূটনীতিক জর্জ মিশেল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এ আলোচনাকে ‘সংঘাত বন্ধের সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন। সব ধরনের বসতি স্থাপন বন্ধ করাসহ গাজার অবরোধ তুলে নেয়ার জন্য ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানান আব্বাস। তবে কষ্টদায়ক হলেও এক্ষেত্রে উভয়পক্ষেরই বিষয়গুলো মেনে নেয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু বলেন, ‘এটা সহজ কোনো কাজ নয়। সত্যিকার দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য উভয়পক্ষের পারস্পরিক ও কষ্টদায়ক স্বীকারোক্তি প্রয়োজন।’
আলোচনা শুরুর সময় হিলারি বলেন, ‘এ আলোচনায় আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে এবং আমরা দেশ দুটির কার্যকর এবং নিরবচ্ছিন্ন অংশীদার থাকব। তবে ওয়াশিংটন কোনো সমাধান চাপিয়ে দেবে না।’ হিলারি আরও বলেন, ‘আলোচনার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ভূখণ্ড, নিরাপত্তা, জেরুজালেম, শরণার্থী, বসতি স্থাপন ও অন্যান্য। আমরা যদি অপেক্ষা করি তাহলে এসব সমস্যা আরও জটিল হবে। এসব সমস্যা তাদেরকেই সমাধান করতে হবে।’
তবে আলোচনায় ইসরাইলের নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদি বসতি স্থাপনের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।
আব্বাস বলেন, ‘সব ধরনের বসতি স্থাপন প্রক্রিয়া বন্ধ করাসহ গাজা অবরোধ তুলে নেয়ার ইসরাইলি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আমরা দেশটির সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছি।’ তবে ফিলিস্তিনের কাছে ইসরাইলকে একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেয়ার দাবি জানান নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু অবশ্য যে কোনো শান্তিচুক্তির মূলে ইসরাইলের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের হুমকিকেও আমলে নিচ্ছেন তিনি। বিশেষভাবে গত ক’দিনে পশ্চিমতীরে সন্ত্রাসী হামলায় চার ইসরাইলি নিহতের ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ ও কার্যকর সমর্থনে দেশটির পররাষ্ট্র বিভাগে ২০ মাস পর এ ধরনের আলোচনা সম্পন্ন হয়। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আলোচনার উদ্বোধন করেন এবং উভয় নেতাকে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে এক বছরের সময়সীমা বেঁধে দেন।
পরে এক সংবাদ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জর্জ মিচেল বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। তবে স্থায়ী চুক্তির বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২০ মাস পর ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের নেতাদের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার সরাসরি শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের শীর্ষ দুই নেতা শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকতার পরিচয় দেয়ার অঙ্গীকার করে এ আলোচনা শুরু করেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, এই বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, আরব-ইসরাইল শান্তি চুক্তি নিশ্চিত করার বিষটি তার বৈদেশিক নীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ফিলিস্তিনের নেতা মাহমুদ আব্বাসের মধ্যে সম্পন্ন এ আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক কূটনীতিক জর্জ মিশেল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এ আলোচনাকে ‘সংঘাত বন্ধের সুযোগ’ বলে উল্লেখ করেছেন। সব ধরনের বসতি স্থাপন বন্ধ করাসহ গাজার অবরোধ তুলে নেয়ার জন্য ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানান আব্বাস। তবে কষ্টদায়ক হলেও এক্ষেত্রে উভয়পক্ষেরই বিষয়গুলো মেনে নেয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু বলেন, ‘এটা সহজ কোনো কাজ নয়। সত্যিকার দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জনের জন্য উভয়পক্ষের পারস্পরিক ও কষ্টদায়ক স্বীকারোক্তি প্রয়োজন।’
আলোচনা শুরুর সময় হিলারি বলেন, ‘এ আলোচনায় আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে এবং আমরা দেশ দুটির কার্যকর এবং নিরবচ্ছিন্ন অংশীদার থাকব। তবে ওয়াশিংটন কোনো সমাধান চাপিয়ে দেবে না।’ হিলারি আরও বলেন, ‘আলোচনার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ভূখণ্ড, নিরাপত্তা, জেরুজালেম, শরণার্থী, বসতি স্থাপন ও অন্যান্য। আমরা যদি অপেক্ষা করি তাহলে এসব সমস্যা আরও জটিল হবে। এসব সমস্যা তাদেরকেই সমাধান করতে হবে।’
তবে আলোচনায় ইসরাইলের নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদি বসতি স্থাপনের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।
আব্বাস বলেন, ‘সব ধরনের বসতি স্থাপন প্রক্রিয়া বন্ধ করাসহ গাজা অবরোধ তুলে নেয়ার ইসরাইলি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আমরা দেশটির সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছি।’ তবে ফিলিস্তিনের কাছে ইসরাইলকে একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেয়ার দাবি জানান নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু অবশ্য যে কোনো শান্তিচুক্তির মূলে ইসরাইলের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের হুমকিকেও আমলে নিচ্ছেন তিনি। বিশেষভাবে গত ক’দিনে পশ্চিমতীরে সন্ত্রাসী হামলায় চার ইসরাইলি নিহতের ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ ও কার্যকর সমর্থনে দেশটির পররাষ্ট্র বিভাগে ২০ মাস পর এ ধরনের আলোচনা সম্পন্ন হয়। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আলোচনার উদ্বোধন করেন এবং উভয় নেতাকে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে এক বছরের সময়সীমা বেঁধে দেন।
-
সাত মহাদেশ


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


