Amardesh
আজঃ ঢাকা, মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০১০, ১৬ ভাদ্র ১৪১৭, ২০ রমজান ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ রাত ১২.০০টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 সাপ্তাহিক
 কার্টুন
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ডিএসইতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনের মধ্য দিয়ে গতকাল শেয়ারবাজারের লেনদেন শেষ হয়েছে। অধিকাংশ কোম্পানির দরপতনের ফলে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫০ পয়েন্ট কমেছে। আর দিনশেষে সূচক গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬২০ পয়েন্টে। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪২টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ৭৪টির, বেড়েছে ১৬৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। তবে দাম কমলেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩৬২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বেশি। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাওয়ার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়ে ওঠায় লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
গতকাল বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, মিউচুয়াল ফান্ড খাত এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরি ছাড়া অন্যান্য খাতের শেয়ারের দাম কমেছে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ২৪টির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬টির, কমেছে ৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টির দাম। অপরদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরির ২৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৫টির, বেড়েছে ১৩টির। কিন্তু ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৭৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৪০টির, কমেছে ১৩২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ‘এন’ ক্যাটাগরির ৬টি কোম্পানির মধ্যে ৫টিরই দাম কমেছে।
এদিকে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও এটিকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তারা বলেন, বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দরই অতিমূল্যায়িত। এ অবস্থায় বাজারে আরও দর সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে দর সংশোধনের পেছনে মার্জিন লোন সংক্রান্ত বিষয়ে এসইসির অনড় অবস্থানও বড় একটি কারণ। এসইসির পক্ষ থেকে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে শেয়ারের প্রকৃত সম্পদমূল্য এবং বাজার মূল্যের ভিত্তিতে মার্জিন লোন বিতরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মাধ্যমে মার্জিন লোন সমন্বয়ের সময়সীমা বেঁধে দেয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংক এবং ব্রোকারেজ হাউসগুলোর বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণও জানতে চেয়েছে এসইসি। আগামী রোববার বিতরণকৃত ঋণের বিবরণ দেখেই মার্জিন লোনের ক্ষেত্রে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে এসইসি। তবে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে বাজার পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা। লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো-বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, আফতাব অটোমোবাইলস্, স্কয়ার টেক্সটাইল, বেক্সিমকো ফার্মা, বিএসআরএম স্টীল, আরএন স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও সামিট পাওয়ার। অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো- দেশ গার্মেন্টস্, সোনালী আঁঁশ, দুলামিয়া কটন, সায়হাম টেক্সটাইল, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, আফতাব অটোমোবাইলস্, আরএন স্পিনিং, বেক্সটেক্স, গ্রামীণ স্কীম-১ ও বিডি ল্যাম্পস্।
দাম কমার শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো— বাংলাদেশ লীফ টোব্যাকো, থেরাপেটিকস্ বাংলাদেশ, ফিনিক্স ফাইন্যান্স, এশিয়া প্যাসেফিক ইন্স্যুরেন্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস, কে এন্ড কিউ, বিডি ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড লিজিং, সিনোবাংলা ও কাশেম ড্রাইসেল।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?