কৃষিক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখায় পুরস্কৃত কৃষাণী ঊষা রানী
চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
ঊষা রানী গোস্বামী অনন্য এক কৃষাণী। কৃষিক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়েছে। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে তিনি এই স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।
তিন মেয়ে ও দুই ছেলের জননী ঊষা রানী গোস্বামী। দুই মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। দুই ছেলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ২০০৬ সালে স্বামী পুলিন গোস্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি সংসারের হাল ধরেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য শুরু করেন ঊষা রানী নতুন এক জীবন সংগ্রাম। প্রথমে তিনি শুরু করেন তার মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর ছাত্রী সীমা গোস্বামীকে নিয়ে কৃষিকাজ। ওই সময় তাকে কৃষিকাজে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে এগিয়ে আসে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ও আন্তর্জাতিক সার উন্নয়ন কেন্দ্র (আইএফডিসি)। কৃষি কর্মকর্তাদের অনুপ্রেরণায় ঊষা রানী গোস্বামী বোরো ধানের জমিতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার শুরু করেন। বোরোতে সুফল পাওয়ায় এরপর তিনি রোপা আমন ধানের ক্ষেতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করেন। গত বছর আইএফডিসির একটি গবেষক দল ঊষা রানীর কৃষিজমি পরির্দশন করেছিলেন।
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার আতাপুর গ্রামের ঊষা রানী গোস্বামী ২০০৮-০৯ সালে মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ একর জমিতে ব্রি-ধান ২৮-এর চাষ করেন। এই ধান চাষে তিনি ব্যবহার করেন গুটি ইউরিয়া এবং হেক্টরপ্রতি ফলন পান ৮ দশমিক ৪০ টন। এর ফলে তার মোট আয় হয় ১০ হাজার ৪০০ টাকা। তার এ সাফল্যে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং এলাকার সব কৃষক গুটি ইউরিয়া ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হন। বর্তমানে দেবীদ্বার উপজেলার আতাপুর গ্রামের প্রায় ৮০ ভাগ জমিতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহৃত হচ্ছে। গুটি ইউরিয়ার পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় তিনি জৈবসার উত্পাদন ও ব্যবহার, সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনা অনুসরণে এলাকার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। কৃষিক্ষেত্রে এই অনন্য অবদানের জন্য ঊষা রানী গোস্বামীকে প্রদান করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪১৫। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে তিনি এই স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪১৫ পেয়ে ঊষা রানী গোস্বামী আমার দেশ’কে বলেন, কৃষিকাজ করে এত বড় সম্মান পাব তা কোনো সময় কল্পনাও করিনি, তবে এ পুরস্কার পাওয়ায় আমার কাজের প্রতি উত্সাহটা আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিন মেয়ে ও দুই ছেলের জননী ঊষা রানী গোস্বামী। দুই মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। দুই ছেলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ২০০৬ সালে স্বামী পুলিন গোস্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি সংসারের হাল ধরেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য শুরু করেন ঊষা রানী নতুন এক জীবন সংগ্রাম। প্রথমে তিনি শুরু করেন তার মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর ছাত্রী সীমা গোস্বামীকে নিয়ে কৃষিকাজ। ওই সময় তাকে কৃষিকাজে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে এগিয়ে আসে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ও আন্তর্জাতিক সার উন্নয়ন কেন্দ্র (আইএফডিসি)। কৃষি কর্মকর্তাদের অনুপ্রেরণায় ঊষা রানী গোস্বামী বোরো ধানের জমিতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার শুরু করেন। বোরোতে সুফল পাওয়ায় এরপর তিনি রোপা আমন ধানের ক্ষেতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করেন। গত বছর আইএফডিসির একটি গবেষক দল ঊষা রানীর কৃষিজমি পরির্দশন করেছিলেন।
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার আতাপুর গ্রামের ঊষা রানী গোস্বামী ২০০৮-০৯ সালে মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ একর জমিতে ব্রি-ধান ২৮-এর চাষ করেন। এই ধান চাষে তিনি ব্যবহার করেন গুটি ইউরিয়া এবং হেক্টরপ্রতি ফলন পান ৮ দশমিক ৪০ টন। এর ফলে তার মোট আয় হয় ১০ হাজার ৪০০ টাকা। তার এ সাফল্যে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং এলাকার সব কৃষক গুটি ইউরিয়া ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হন। বর্তমানে দেবীদ্বার উপজেলার আতাপুর গ্রামের প্রায় ৮০ ভাগ জমিতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহৃত হচ্ছে। গুটি ইউরিয়ার পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় তিনি জৈবসার উত্পাদন ও ব্যবহার, সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনা অনুসরণে এলাকার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। কৃষিক্ষেত্রে এই অনন্য অবদানের জন্য ঊষা রানী গোস্বামীকে প্রদান করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪১৫। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে তিনি এই স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪১৫ পেয়ে ঊষা রানী গোস্বামী আমার দেশ’কে বলেন, কৃষিকাজ করে এত বড় সম্মান পাব তা কোনো সময় কল্পনাও করিনি, তবে এ পুরস্কার পাওয়ায় আমার কাজের প্রতি উত্সাহটা আরও বৃদ্ধি পাবে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


