হতদরিদ্র আরেফার লাখ টাকার স্বপ্ন
রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
হতদরিদ্র আরেফা বেগম এখন লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন। অথচ দেড় বছর আগেও খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হতো তাকে। দু’মুঠো আহারের জন্য কাজ করতেন বিভিন্ন বাসাবাড়িতে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাকের অতিদরিদ্র প্রকল্পের আওতায় দেয়া গবাদিপশু লালন-পালন করে এ স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন আরেফা বেগম। আরেফা বেগম কক্সবাজারের রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের উত্তর ফারিকুল গ্রামের সিকান্দর মিয়ার স্ত্রী। ২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল ব্র্যাক অতিদরিদ্র কর্মসূচির গবাদিপশু পালন প্রকল্পের আওতায় আরেফা বেগমকে বিনামূল্যে ৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি গরু ও ১ হাজার টাকা মূল্যের একটি ছাগল এবং গরুর ঘর তৈরির জন্য তিনটি টিন দেয়। গবাদিপশু পালনের লক্ষ্যে আরেফা বেগমকে আট দিনের প্রশিক্ষণও দেয় ব্র্যাক কর্তৃপক্ষ। তখন থেকেই শুরু হয় আরেফা বেগমের দারিদ্র্য মুক্ত হওয়ার সংগ্রাম। গত দেড় বছর ধরে আরেফা বেগম সাংসারিক কাজকর্মের পাশাপাশি গবাদিপশু পালন করে আসছেন। আরেফা বেগম জানান, দেড় বছর না হতেই গরুটির বাজার দাম এখন প্রায় ৩০ হাজার টাকা। সম্প্র্রতি একটি বাছুর জন্ম হয়েছে। দুধ বিক্রি করে সংসারের নিত্যদিনের ব্যয় মেটান। তাছাড়া ব্র্যাকের দেয়া ছাগলটি ২ হাজার ৩০০ টাকায় আরেফা পাঁচ মাস আগে বাজারে বিক্রি করে আরও দুটি ছাগল ও হাঁস-মুরগি কিনেছেন। সব মিলিয়ে আরেফার কাছে এখন দুটি গরু, দুটি ছাগল আর ১০-১২টি হাঁস-মুরগি রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা। অন্যদিকে গরু-ছাগল লালন-পালন করতে গিয়ে আরেফা পেয়েছেন ব্র্যাক দরিদ্র কর্মসূচির আর্থিক সহায়তা। গরু-ছাগল দেয়ার পর ১৪ দিন অন্তর সাড়ে ৩০০ টাকা করে ছয় মাসে ৪ হাজার ২০০ টাকা দেয়া হয় তাকে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


