মালয়েশিয়ার সঙ্গে নৌযোগাযোগের কথা ভাবছে দুই দেশ : নৌমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে নৌযান নির্মাণ করার ফলে বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। বুধবার রাজধানীর ওয়াইজঘাটে ঢাকা-ভোলা রুটে আবে জমজম নামের একটি নতুন লঞ্চ সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, অবহেলার কারণে নৌপথ ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে। ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ধ্বংস হতে হতে বর্তমানে ছয় হাজার কিলোমিটারে দাঁড়িয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বিগত সময়ে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগহীনতার কথা তুলে ধরেন। এ সময় যানজট নিরসন ও সড়কপথের যাত্রীচাপ কমাতে নৌপথ আরও কার্যকর করতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হাইস্পিড গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান কে এম মাহমুদ উর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) নুরুদ্দিন খান, সাবেক সচিব মোকাম্মেল হক, প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান এনাম আহমেদ চৌধুরী ও শিক্ষানুরাগী ড. শমসের আলী।
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে নদীর স্রোত ব্যবহার করে নদীশাসন শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদনের ওপর আলোচনাকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে নৌপথে যাতায়াতের কথা ভাবছে দুই দেশের সরকার।
এরই মধ্যে এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মালয়েশিয়ার পেনাং বন্দর ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে। এটা বাস্তবায়ন হলে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারিত হবে।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হাইস্পিড গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান কে এম মাহমুদ উর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক জ্বালানিমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) নুরুদ্দিন খান, সাবেক সচিব মোকাম্মেল হক, প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান এনাম আহমেদ চৌধুরী ও শিক্ষানুরাগী ড. শমসের আলী।
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে নদীর স্রোত ব্যবহার করে নদীশাসন শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদনের ওপর আলোচনাকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে নৌপথে যাতায়াতের কথা ভাবছে দুই দেশের সরকার।
এরই মধ্যে এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মালয়েশিয়ার পেনাং বন্দর ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে। এটা বাস্তবায়ন হলে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারিত হবে।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


