মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট : বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ সংসদীয় কমিটির
স্টাফ রিপোর্টার
সরকারি প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির এক সভায় মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে বন্ধ কলকারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং চালু করার জন্য করণীয় নির্ধারণ করে তা কমিটিকে অবহিত করতে নির্দেশ দিয়েছে। গতকাল সংসদ সচিবালয়ে কমিটির ২৮তম বৈঠকে এ নির্দেশ দেয়া হয়।
কমিটির সভাপতি এবিএম গোলাম মোস্তফা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট তার উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হয়েছে। ৩২টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট যাত্রা শুরু করলেও এখন ৩টি প্রতিষ্ঠান কোনো রকমে চালু আছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান বিক্রি করা হয়েছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছে। আর ১৫টি প্রতিষ্ঠান একেবারেই বন্ধ রয়েছে। কিছু বাণিজ্যিক ভবন চালু আছে। এসব ভবন থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাসিক আয় হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। আর ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি টাকারও বেশি। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে সরকার মাসে ৮০ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। অথচ কথা ছিল অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে কল্যাণ ট্রাস্ট। সেখানে বর্তমানে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা দিচ্ছে সরকার। জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিটির সভাপতি আরও বলেন, পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ভাতা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ সরকার এ বছরও ৬৩ কোটি টাকা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কারখানাগুলো কেন বন্ধ হলো, বন্ধ কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাবদ কত টাকা খরচ হচ্ছে, কীভাবে কারখানাগুলো আবার চালু করা যায় এসব বিষয়ে তথ্য দেয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৈঠকে এসেনশিয়াল ড্রাগস লিমিটেড সম্পর্কে গোলাম মোস্তফা বলেন, সাধারণ প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারিভাবে এসেনশিয়াল ড্রাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানটি অতীতে তেমন লাভ করতে পারেনি। তবে গত ৩-৪ বছর ধরে এসেনশিয়াল ড্রাগস লিমিটেড লাভের মুখ দেখছে। তিনি বলেন, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে কোম্পানিটি ৪ লাখ ৩ হাজার টাকা লাভ করেছে। আর ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৩৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। এরপরও আমরা খুশি হতে পারিনি। কোম্পানিটিতে এখনও অপ্রয়োজনীয় জনবল রয়েছে। এসব অপ্রয়োজনীয় জনবল ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি বলেন, এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের নিয়ন্ত্রণে খুলনার কনডম কারখানা ৫ বছর বন্ধ থাকার পর এবার চালু হয়েছে।
কমিটির সভাপতি এবিএম গোলাম মোস্তফা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট তার উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হয়েছে। ৩২টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট যাত্রা শুরু করলেও এখন ৩টি প্রতিষ্ঠান কোনো রকমে চালু আছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান বিক্রি করা হয়েছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছে। আর ১৫টি প্রতিষ্ঠান একেবারেই বন্ধ রয়েছে। কিছু বাণিজ্যিক ভবন চালু আছে। এসব ভবন থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাসিক আয় হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। আর ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি টাকারও বেশি। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে সরকার মাসে ৮০ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। অথচ কথা ছিল অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে কল্যাণ ট্রাস্ট। সেখানে বর্তমানে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা দিচ্ছে সরকার। জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিটির সভাপতি আরও বলেন, পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ভাতা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ সরকার এ বছরও ৬৩ কোটি টাকা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কারখানাগুলো কেন বন্ধ হলো, বন্ধ কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাবদ কত টাকা খরচ হচ্ছে, কীভাবে কারখানাগুলো আবার চালু করা যায় এসব বিষয়ে তথ্য দেয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৈঠকে এসেনশিয়াল ড্রাগস লিমিটেড সম্পর্কে গোলাম মোস্তফা বলেন, সাধারণ প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারিভাবে এসেনশিয়াল ড্রাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানটি অতীতে তেমন লাভ করতে পারেনি। তবে গত ৩-৪ বছর ধরে এসেনশিয়াল ড্রাগস লিমিটেড লাভের মুখ দেখছে। তিনি বলেন, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে কোম্পানিটি ৪ লাখ ৩ হাজার টাকা লাভ করেছে। আর ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৩৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। এরপরও আমরা খুশি হতে পারিনি। কোম্পানিটিতে এখনও অপ্রয়োজনীয় জনবল রয়েছে। এসব অপ্রয়োজনীয় জনবল ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছি। তিনি বলেন, এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের নিয়ন্ত্রণে খুলনার কনডম কারখানা ৫ বছর বন্ধ থাকার পর এবার চালু হয়েছে।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


