বেগম মুজিবের নামে পদ্মা সেতুর নামকরণ করার সুপারিশ সংসদীয় স্থায়ী কমিটির
সংসদ রিপোর্টার
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নামে পদ্মা সেতুর নামকরণ করার সুপারিশ করেছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে কমিটি সেতুটিতে রেলপথ সংযোজনের ব্যবস্থা রেখে এর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করার তাগিদ দিয়েছে।
গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির ১৩তম সভায় এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. জিল্লুল হাকিম, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, এইচএম গোলাম রেজা, ওমর ফারুক চৌধুরী, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, মো. গোলাম মাওলা রনি এবং অপু উকিল অংশগ্রহণ করেন।
সভায় হাইওয়ে থেকে নছিমন ও করিমন চলাচল বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহণসহ অপ্রয়োজনীয় স্পিড ব্রেকার সরানোর সুপারিশ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের অবৈধ সম্পত্তি উদ্ধারের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয় এবং আগামী সভায় এ বিষয়ে গৃহীত অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সাতক্ষীরা সফরকালে ঘোষিত সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণকল্পে নাভারন থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের ঘোষণা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এদিকে গতকাল অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের বন্ধ কল-কারখানা চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং চালুর ক্ষেত্রে করণীয় নির্ধারণ করে তা আগামী ১ মাসের মধ্যে কমিটিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদ সচিবালয়ে কমিটির বৈঠকে এ নির্দেশ দেয়া হয় বলে বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিটির সভাপতি এবিএম গোলাম মোস্তফা জানান।
তিনি বলেন, যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রতিষ্ঠানটি সেই উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হয়েছে। ৩২টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট যাত্রা শুরু করলেও এখন মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠান কোন রকমে চালু আছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান বিক্রি করা হয়েছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছে। আর ১৫টি প্রতিষ্ঠান একেবারেই বন্ধ রয়েছে। কিছু বাণিজ্যিক ভবন চালু আছে। এসব ভবন থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাসিক আয় হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। অপরদিকে এর ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি টাকারও বেশি। অর্থাত্ ট্রাস্টকে সরকার মাসে ৮০ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। অথচ কথা ছিল অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে কল্যাণ ট্রাস্ট। সেখানে বর্তমানে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতাও দিচ্ছে সরকার।
এছাড়া পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ভাতা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ সরকার এ বছরও ৬৩ কোটি টাকা দিয়েছে। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কারখানাগুলো কেন বন্ধ হলো, বন্ধ কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা বাবদ কত টাকা খরচ হচ্ছে, কিভাবে কারখানাগুলো আবার চালু করা যায়—এসব বিষয়ে তথ্য দেয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির ১৩তম সভায় এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. জিল্লুল হাকিম, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, এইচএম গোলাম রেজা, ওমর ফারুক চৌধুরী, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, মো. গোলাম মাওলা রনি এবং অপু উকিল অংশগ্রহণ করেন।
সভায় হাইওয়ে থেকে নছিমন ও করিমন চলাচল বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহণসহ অপ্রয়োজনীয় স্পিড ব্রেকার সরানোর সুপারিশ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের অবৈধ সম্পত্তি উদ্ধারের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয় এবং আগামী সভায় এ বিষয়ে গৃহীত অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সাতক্ষীরা সফরকালে ঘোষিত সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণকল্পে নাভারন থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের ঘোষণা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এদিকে গতকাল অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের বন্ধ কল-কারখানা চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং চালুর ক্ষেত্রে করণীয় নির্ধারণ করে তা আগামী ১ মাসের মধ্যে কমিটিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদ সচিবালয়ে কমিটির বৈঠকে এ নির্দেশ দেয়া হয় বলে বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিটির সভাপতি এবিএম গোলাম মোস্তফা জানান।
তিনি বলেন, যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রতিষ্ঠানটি সেই উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হয়েছে। ৩২টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট যাত্রা শুরু করলেও এখন মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠান কোন রকমে চালু আছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান বিক্রি করা হয়েছে। ৭টি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছে। আর ১৫টি প্রতিষ্ঠান একেবারেই বন্ধ রয়েছে। কিছু বাণিজ্যিক ভবন চালু আছে। এসব ভবন থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাসিক আয় হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। অপরদিকে এর ব্যয় হচ্ছে ১ কোটি টাকারও বেশি। অর্থাত্ ট্রাস্টকে সরকার মাসে ৮০ লাখ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। অথচ কথা ছিল অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে কল্যাণ ট্রাস্ট। সেখানে বর্তমানে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতাও দিচ্ছে সরকার।
এছাড়া পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ভাতা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ সরকার এ বছরও ৬৩ কোটি টাকা দিয়েছে। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কারখানাগুলো কেন বন্ধ হলো, বন্ধ কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা বাবদ কত টাকা খরচ হচ্ছে, কিভাবে কারখানাগুলো আবার চালু করা যায়—এসব বিষয়ে তথ্য দেয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


