আজ ৩০তম প্রিলিমিনারি বিসিএস পরীক্ষা
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
আজ ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সারাদেশের ৬টি বিভাগীয় শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেটের মোট ১১০টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ১ লাখ ৪৮ হাজার প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই এ পরীক্ষা চলবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থীকে নিজ নিজ কেন্দ্রে সকাল ৯টায় উপস্থিত হতে বলা হয়েছে এবং ১০টার পরে কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রের পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমন ছিল তত্পর, তেমনি প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে তা হাতে পেতে পরীক্ষার্থীরা ছিল সদাব্যস্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ, তিতুমীর কলেজ, তেজগাঁও কলেজসহ রাজধানীর নামীদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গতকাল এসব আলোচনা ও দৃশ্য ছিল লক্ষ্য করার মতো। গতকাল সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র ফাঁসে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের মধ্যেও ছিল বাড়তি তত্পরতা। অনেক প্রার্থীই ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। যোগাযোগের মাধ্যম ছিল মোবাইল ফোন। আবার ফোনে আড়ি পাতার ভয়ে অনেকে সরাসরিও যোগাযোগ করতে দেখা গেছে। সূত্র জানায়, পরীক্ষার হলে বাড়তি সুবিধা পেতে ছাত্রলীগের একাধিক গ্রুপ রোলের ক্রমানুসারে আবেদন করেছেন। এরা আজ গ্রুপে গ্রুপে একই কক্ষে পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
রাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ এলাকায় ফটোকপি মেশিনের দোকানের সামনে ভিড় করতে দেখা গেছে। যে কোনো মাধ্যমেই হোক প্রশ্নপত্র হাতে পেতে।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ছিল তত্পর। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফটোকপি দোকান, ক্যাম্পাস ও মার্কেটগুলোতে তাদের বাড়তি নজরধারী ছিল। তবে রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁসের কোনো গুজব শোনা যায়নি।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমন ছিল তত্পর, তেমনি প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে তা হাতে পেতে পরীক্ষার্থীরা ছিল সদাব্যস্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ, তিতুমীর কলেজ, তেজগাঁও কলেজসহ রাজধানীর নামীদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গতকাল এসব আলোচনা ও দৃশ্য ছিল লক্ষ্য করার মতো। গতকাল সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র ফাঁসে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের মধ্যেও ছিল বাড়তি তত্পরতা। অনেক প্রার্থীই ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। যোগাযোগের মাধ্যম ছিল মোবাইল ফোন। আবার ফোনে আড়ি পাতার ভয়ে অনেকে সরাসরিও যোগাযোগ করতে দেখা গেছে। সূত্র জানায়, পরীক্ষার হলে বাড়তি সুবিধা পেতে ছাত্রলীগের একাধিক গ্রুপ রোলের ক্রমানুসারে আবেদন করেছেন। এরা আজ গ্রুপে গ্রুপে একই কক্ষে পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
রাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ এলাকায় ফটোকপি মেশিনের দোকানের সামনে ভিড় করতে দেখা গেছে। যে কোনো মাধ্যমেই হোক প্রশ্নপত্র হাতে পেতে।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ছিল তত্পর। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফটোকপি দোকান, ক্যাম্পাস ও মার্কেটগুলোতে তাদের বাড়তি নজরধারী ছিল। তবে রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁসের কোনো গুজব শোনা যায়নি।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


