সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগ নেবে বাংলাদেশ ও ভারত
স্টাফ রিপোর্টার
‘বিপন্ন বাঘ বাঁচান, সুন্দরবন রক্ষা করুন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গতকাল বিশ্বের বেশক’টি দেশের মতো বাংলাদেশেও উদযাপিত হয়েছে ‘বিশ্ব বাঘ দিবস’। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ উদ্যোগ নেবে।
দিবসটি উপলক্ষে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, বন অধিদফতর, বিশ্বব্যাংক, বাংলালিংক ও ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে বাঘ সংরক্ষণে ব্যাপক জনমত সৃষ্টির জন্য ঢাকা, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলা সদরে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা, আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এক হিসাবে দেখা যায়, ১৯০০ সালে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ছিল এক লাখ এবং এ সংখ্যা হ্রাস পেয়ে বর্তমানে মাত্র ৩ হাজার ২শ’টিতে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
খুলনায় সকাল ৯টায় সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এতে পরিবেশ ও বন সচিব ড. মিহির কান্তি মজুমদার অংশ নেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সভায় বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সুন্দরবন ও বনের বাঘ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যেহেতু সুন্দরবন দু’দেশের মধ্যে অবস্থিত, তাই বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে এ কাজে বেশি সফলতা আসবে। বন অধিদফতর এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাঘ হুমকির মুখে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাঘের প্রধান খাদ্য হরিণ। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে হরিণের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাই খাদ্যের অভাবে বাঘের সংখ্যাও কমছে।
২০০৪ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও ইউএনডিপির বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। তাতে দেখা যায় অতীতের চেয়ে বাঘের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। এর সঠিক সংখ্যা জানার জন্য আরেকটি জরিপ চালানোর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। তবে এবারের জরিপ হবে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে।
প্রধান বন সংরক্ষক আবদুল মোতালেবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড লাইফ ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী ড. আনোয়ার উল ইসলাম।
পৃথিবীর মাত্র ১৩টি দেশে এখন বাঘের অস্তিত্ব রয়েছে। এই ১৩টি দেশকে টাইগার রেঞ্জ কান্ট্রি (টিআরসি) বলা হয়। এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ভুটান, নেপাল ও রাশিয়া। টিআরসিভুক্ত দেশগুলো বাঘ সংরক্ষণের জন্য যৌথ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও ড. হাছান মাহমুদ জানান।
বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক প্রায় দেড় হাজার বাঘ আছে ভারতে এবং এসব বাঘ ৫৬টি বনাঞ্চলে ছড়িয়ে আছে। তবে একক বন হিসেবে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক প্রায় সাড়ে চারশ’ বাঘ আছে বাংলাদেশের সুন্দরবনে।
দিবসটি উপলক্ষে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, বন অধিদফতর, বিশ্বব্যাংক, বাংলালিংক ও ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে বাঘ সংরক্ষণে ব্যাপক জনমত সৃষ্টির জন্য ঢাকা, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলা সদরে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা, আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এক হিসাবে দেখা যায়, ১৯০০ সালে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ছিল এক লাখ এবং এ সংখ্যা হ্রাস পেয়ে বর্তমানে মাত্র ৩ হাজার ২শ’টিতে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
খুলনায় সকাল ৯টায় সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এতে পরিবেশ ও বন সচিব ড. মিহির কান্তি মজুমদার অংশ নেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সভায় বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সুন্দরবন ও বনের বাঘ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যেহেতু সুন্দরবন দু’দেশের মধ্যে অবস্থিত, তাই বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে এ কাজে বেশি সফলতা আসবে। বন অধিদফতর এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাঘ হুমকির মুখে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাঘের প্রধান খাদ্য হরিণ। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে হরিণের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাই খাদ্যের অভাবে বাঘের সংখ্যাও কমছে।
২০০৪ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও ইউএনডিপির বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। তাতে দেখা যায় অতীতের চেয়ে বাঘের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। এর সঠিক সংখ্যা জানার জন্য আরেকটি জরিপ চালানোর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। তবে এবারের জরিপ হবে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে।
প্রধান বন সংরক্ষক আবদুল মোতালেবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড লাইফ ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী ড. আনোয়ার উল ইসলাম।
পৃথিবীর মাত্র ১৩টি দেশে এখন বাঘের অস্তিত্ব রয়েছে। এই ১৩টি দেশকে টাইগার রেঞ্জ কান্ট্রি (টিআরসি) বলা হয়। এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ভুটান, নেপাল ও রাশিয়া। টিআরসিভুক্ত দেশগুলো বাঘ সংরক্ষণের জন্য যৌথ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও ড. হাছান মাহমুদ জানান।
বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক প্রায় দেড় হাজার বাঘ আছে ভারতে এবং এসব বাঘ ৫৬টি বনাঞ্চলে ছড়িয়ে আছে। তবে একক বন হিসেবে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক প্রায় সাড়ে চারশ’ বাঘ আছে বাংলাদেশের সুন্দরবনে।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


