সন্ত্রাসে ইন্ধনের অভিযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি : তিন মূল এজেন্ডা নিয়ে ভারতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন
বিবিসি, রয়টার্স, পিটিআই
দু’দিনের ভারত সফরে এসে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, বিশ্বের তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জের একযোগে মোকাবিলার মধ্য দিয়ে ভারত ও ব্রিটেনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক হবে আরও ঘনীভূত।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডেভিড ক্যামেরনের প্রথম ভারত সফরের প্রধান এজেন্ডা তিনটি। অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন। প্রথম এজেন্ডা অর্থনীতি। রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের অত্যধিক নির্ভরশীলতা কমিয়ে এনে ক্যামেরনের জোট সরকার জোর দিতে চাইছেন বেসরকারি ক্ষেত্রের ওপর। বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দার চাপ কাটাতে ভারতের বাজার ব্রিটেনের পক্ষে যে জরুরি, সে কথা গোপন করেননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন। ব্যাঙ্গালোরে তিনি বলেন, ভারতের ঊর্ধ্বমুখী বাজার হাতছাডা করতে চায় না ব্রিটেন।
এ প্রসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশানাল রিলেশনসের অধ্যাপক ইমনকল্যাণ লাহিডি ডয়েশে ভেলেকে সে কথাই বললেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ভারতের মতো বিরাট বাজারকে উপেক্ষা করতে পারে না ব্রিটেন এবং আজকের যুগে বাজারটা একটা মূল্যবান ইউনিট। সুতরাং সেই অর্থে ব্রিটেনের দরকার ভারতকে। এ পথকে মসৃণ করতে ক্যামেরন সরকারের অভিবাসন নীতিকে করতে হবে আরও উদার। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ সন্ত্রাস মোকাবিলা। ভারতের মতো ব্রিটেনও সন্ত্রাসের শিকার। তিনি বলেন, মুম্বাই হামলার অপরাধীদের শাস্তি পেতেই হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত ও ব্রিটেন তাই একযোগে ব্যবস্থা নিয়েছে ও নেবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসেছেন প্রায় ১০০ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল এবছর ভারতে কমনওয়েলথ গেমস এবং ২০১২ সালে লন্ডনে অলিম্পিক গেমস। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বলার অপেক্ষা রাখে না। তৃতীয় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন। কার্বন নির্গমন কমিয়ে আনতে শিল্পোন্নত দেশগুলোর ভূমিকা অস্বীকার না করেও বলা যায় ভারতের মতো দেশগুলোকেও এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বলা বাহুল্য, ভারতের মতো বিকাশমুখী দেশের জ্বালানির চাহিদা মাথায় রেখে বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সফরে ৫৭টি হক জঙ্গি বিমান কেনার চুক্তি সই হওয়ার কথা। জানা গেছে, ভারতে অসামরিক পরমাণু কেন্দ্রের সাজ-সরঞ্জাম রফতানির জন্য সেদেশের সংস্থাগুলোকে লাইসেন্স দিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। শুধু তাই নয়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে ভারতকে সমর্থনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন। এদিকে সন্ত্রাসী তত্পরতায় সহযোগিতা বন্ধের জন্য পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ভারত সফরে গিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ক্যামেরন বলেন, ‘সন্ত্রাস পাচারে পাকিস্তানের সহযোগিতা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আর সেটা ভারত, আফগানিস্তান কিংবা বিশ্বের যে কোনো দেশেই করুক না কেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা খুব স্পষ্ট যে, আমরা একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল এবং গণতান্ত্রিক পাকিস্তান দেখতে চাই।’
মূলত ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যেই ক্যামেরনের এ সফর। তবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পাকিস্তানের ইন্ধন প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে সুর মেলালেন ব্রিটিশ নেতা।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসেছেন প্রায় ১০০ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল।
প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আজ তার দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে বৈঠক।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডেভিড ক্যামেরনের প্রথম ভারত সফরের প্রধান এজেন্ডা তিনটি। অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন। প্রথম এজেন্ডা অর্থনীতি। রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের অত্যধিক নির্ভরশীলতা কমিয়ে এনে ক্যামেরনের জোট সরকার জোর দিতে চাইছেন বেসরকারি ক্ষেত্রের ওপর। বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দার চাপ কাটাতে ভারতের বাজার ব্রিটেনের পক্ষে যে জরুরি, সে কথা গোপন করেননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন। ব্যাঙ্গালোরে তিনি বলেন, ভারতের ঊর্ধ্বমুখী বাজার হাতছাডা করতে চায় না ব্রিটেন।
এ প্রসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশানাল রিলেশনসের অধ্যাপক ইমনকল্যাণ লাহিডি ডয়েশে ভেলেকে সে কথাই বললেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ভারতের মতো বিরাট বাজারকে উপেক্ষা করতে পারে না ব্রিটেন এবং আজকের যুগে বাজারটা একটা মূল্যবান ইউনিট। সুতরাং সেই অর্থে ব্রিটেনের দরকার ভারতকে। এ পথকে মসৃণ করতে ক্যামেরন সরকারের অভিবাসন নীতিকে করতে হবে আরও উদার। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ সন্ত্রাস মোকাবিলা। ভারতের মতো ব্রিটেনও সন্ত্রাসের শিকার। তিনি বলেন, মুম্বাই হামলার অপরাধীদের শাস্তি পেতেই হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত ও ব্রিটেন তাই একযোগে ব্যবস্থা নিয়েছে ও নেবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসেছেন প্রায় ১০০ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল এবছর ভারতে কমনওয়েলথ গেমস এবং ২০১২ সালে লন্ডনে অলিম্পিক গেমস। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বলার অপেক্ষা রাখে না। তৃতীয় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন। কার্বন নির্গমন কমিয়ে আনতে শিল্পোন্নত দেশগুলোর ভূমিকা অস্বীকার না করেও বলা যায় ভারতের মতো দেশগুলোকেও এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বলা বাহুল্য, ভারতের মতো বিকাশমুখী দেশের জ্বালানির চাহিদা মাথায় রেখে বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সফরে ৫৭টি হক জঙ্গি বিমান কেনার চুক্তি সই হওয়ার কথা। জানা গেছে, ভারতে অসামরিক পরমাণু কেন্দ্রের সাজ-সরঞ্জাম রফতানির জন্য সেদেশের সংস্থাগুলোকে লাইসেন্স দিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। শুধু তাই নয়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে ভারতকে সমর্থনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন। এদিকে সন্ত্রাসী তত্পরতায় সহযোগিতা বন্ধের জন্য পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ভারত সফরে গিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ক্যামেরন বলেন, ‘সন্ত্রাস পাচারে পাকিস্তানের সহযোগিতা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আর সেটা ভারত, আফগানিস্তান কিংবা বিশ্বের যে কোনো দেশেই করুক না কেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা খুব স্পষ্ট যে, আমরা একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল এবং গণতান্ত্রিক পাকিস্তান দেখতে চাই।’
মূলত ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যেই ক্যামেরনের এ সফর। তবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পাকিস্তানের ইন্ধন প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে সুর মেলালেন ব্রিটিশ নেতা।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসেছেন প্রায় ১০০ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল।
প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আজ তার দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে বৈঠক।
-
সাত মহাদেশ


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


